শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের নির্বাচন ঘিরে ত্রিমুখী হিসাব—ভারত শঙ্কিত, চীন হিসাবি, পাকিস্তান আশাবাদী ◈ এপস্টেইন ফাইলে শেখ হাসিনার নাম, যা জানা গেল ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইউরোপ নির্ভরতায় পোশাক রফতানি: সুযোগের পাশাপাশি বাড়ছে ঝুঁকি ◈ দেশের রিজার্ভ আরও বাড়ল ◈ মেয়াদের শেষ সময়ে প্রতিরক্ষা চুক্তি: চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলে দাবি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার ◈ সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা, ঝুলন্ত পার্লামেন্ট, কোয়ালিশন সরকার, ক্ষমতা হস্তান্তর কিংবা সরকার গঠন- এগুলো কীভাবে হয় ◈ সারা দেশে গত ৫৩ দিনে নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা হয়েছে ২৭৪টি : প্রেস উইং  ◈ রাষ্ট্রের মালিকানা জনগণের কাছে ফিরিয়ে দেবার লক্ষ্যেই প্রণীত জুলাই সনদ : আলী রীয়াজ ◈ পাকিস্তান‌কে আই‌সি‌সির উ‌চিৎ শিক্ষা দেয়া উ‌চিৎ, বল‌লেন সু‌নিল গাভাস্কার

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০১৮, ০৫:৫৯ সকাল
আপডেট : ২৬ মে, ২০১৮, ০৫:৫৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রিটেনে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক বাংলাদেশি সেলিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাড়িতে সব সময় বলা হয় বাংলা। তাই সবার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতেও গলা কাঁপত কিশোরীটির। অথচ সেই কিশোরীই কিনা ব্রিটেনের নামিদামি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পেছনে ফেলে জিতে নিয়েছেন সেরার মুকুট। বলছি ১৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটেনের শিক্ষার্থী সেলিনা বেগমের কথা। রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে আয়োজিত এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সেলিনা জাঙ্কফুড, গোপনীয়তার অধিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড বিলোপের মতো বিষয়গুলোতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।

সেলিনা সম্প্রতি ব্রিটেনের ইটন কলেজের জাফর হলে অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে সম্মানজনক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। লন্ডনের নিউহ্যাম কলেজিয়েট সিক্সথ ফর্ম সেন্টারের এ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী সেলিনা ব্রিটেনের ওয়েস্টমিনিস্টার ও উইনচেস্টারের নামিদামি সব স্কুলের ২০০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।

বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সেলিনা বলেন, ‘সবার দৃষ্টি আমার ওপর ছিল। কথা বলতে গিয়ে মনে হলো আমার গলা কাঁপছে। ভয় পাচ্ছিলাম খুব কিন্তু বড় করে শ্বাস নিয়ে আমার মতো করে শুরু করলাম। মানুষের চোখ খুঁজে নিয়ে তাদের সম্পৃক্ত করেই আমার যুক্তি তুলে ধরেছিলাম। ভাবিনি আবার আমাকে দাঁড়াতে হবে। কেননা এখানে যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকেই ছিলেন মেধাবী।’

ওয়েস্টমিনিস্টার ও উইনচেস্টারের নামিদামি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পেছনে ফেলে বিতর্কে প্রথম স্থান অধিকার করার এই কৃতিত্ব অবশ্য সেলিনা দিতে চান তার স্কুলের ডিবেটিং সোসাইটির শিক্ষকদের। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সেলিনার এই অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সেলিনার বাড়ি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন মোগলাবাজারে। তার বাবা আবদুর রহিম ১৯৯০ সালে পরিবার নিয়ে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। বর্তমানে পূর্ব লন্ডনে তারা বসবাস করছেন। যুক্তরাজ্যে মা-বাবা ছাড়াও তাদের সঙ্গে বসবাস করেন ছোট ভাই আর দাদি। লন্ডনে দরিদ্র এলাকায় বাস করা অভিবাসী পরিবারের সেলিনা স্বপ্ন দেখেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়ার। কাজ করতে চান আইন পেশায়। সে লক্ষ্যে এখন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন সেলিনা। সূত্র:  আরটিএনএন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়