শিরোনাম
◈ ‘আসামে এলে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব’, রাহুলকে হিমন্ত ◈ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ ব্যবসায় নামতে চায় টিসিবি ◈ অল্প সময়ে বেশি ফলন, কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে মুড়িকাটা পেঁয়াজে ◈ শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা নয়, গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষ জনশক্তি গড়তে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ জাতীয় সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপনের উদ্যোগ, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে একাধিক সুপারিশ কমিটির ◈ মাইকিং করে বাণিজ্যমেলার মাঠে ভাঙচুর, ভেকু দিয়ে গেট ভাঙছেন শেকৃবি শিক্ষার্থীরা: মাঠ বিশ্ববিদ্যালয়কে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি ◈ মোটরসাইকেলের সামনের অংশে নম্বরপ্লেট নিয়ে যে নতুন সিদ্ধান্ত ◈ এবার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড আড়াই ঘণ্টা পোশাক শ্রমিকদের অবরোধ ◈ জাতীয় নিরাপত্তা শুধু সামরিক প্রস্তুতি নয়, প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান: রাষ্ট্রপতি ◈ মেসি জাদুতে জয়, চ্যাম্পিয়ন্স কাপে ইন্টার মায়ামি

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০১৮, ০৫:৫৯ সকাল
আপডেট : ২৬ মে, ২০১৮, ০৫:৫৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রিটেনে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক বাংলাদেশি সেলিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাড়িতে সব সময় বলা হয় বাংলা। তাই সবার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতেও গলা কাঁপত কিশোরীটির। অথচ সেই কিশোরীই কিনা ব্রিটেনের নামিদামি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পেছনে ফেলে জিতে নিয়েছেন সেরার মুকুট। বলছি ১৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটেনের শিক্ষার্থী সেলিনা বেগমের কথা। রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে আয়োজিত এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সেলিনা জাঙ্কফুড, গোপনীয়তার অধিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড বিলোপের মতো বিষয়গুলোতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।

সেলিনা সম্প্রতি ব্রিটেনের ইটন কলেজের জাফর হলে অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে সম্মানজনক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। লন্ডনের নিউহ্যাম কলেজিয়েট সিক্সথ ফর্ম সেন্টারের এ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী সেলিনা ব্রিটেনের ওয়েস্টমিনিস্টার ও উইনচেস্টারের নামিদামি সব স্কুলের ২০০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।

বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সেলিনা বলেন, ‘সবার দৃষ্টি আমার ওপর ছিল। কথা বলতে গিয়ে মনে হলো আমার গলা কাঁপছে। ভয় পাচ্ছিলাম খুব কিন্তু বড় করে শ্বাস নিয়ে আমার মতো করে শুরু করলাম। মানুষের চোখ খুঁজে নিয়ে তাদের সম্পৃক্ত করেই আমার যুক্তি তুলে ধরেছিলাম। ভাবিনি আবার আমাকে দাঁড়াতে হবে। কেননা এখানে যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকেই ছিলেন মেধাবী।’

ওয়েস্টমিনিস্টার ও উইনচেস্টারের নামিদামি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পেছনে ফেলে বিতর্কে প্রথম স্থান অধিকার করার এই কৃতিত্ব অবশ্য সেলিনা দিতে চান তার স্কুলের ডিবেটিং সোসাইটির শিক্ষকদের। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সেলিনার এই অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সেলিনার বাড়ি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন মোগলাবাজারে। তার বাবা আবদুর রহিম ১৯৯০ সালে পরিবার নিয়ে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। বর্তমানে পূর্ব লন্ডনে তারা বসবাস করছেন। যুক্তরাজ্যে মা-বাবা ছাড়াও তাদের সঙ্গে বসবাস করেন ছোট ভাই আর দাদি। লন্ডনে দরিদ্র এলাকায় বাস করা অভিবাসী পরিবারের সেলিনা স্বপ্ন দেখেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়ার। কাজ করতে চান আইন পেশায়। সে লক্ষ্যে এখন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন সেলিনা। সূত্র:  আরটিএনএন

  • সর্বশেষ