শিরোনাম
◈ ঢাকার যানজট নিরসনে ২৫৮ কিলোমিটার সাবওয়ে ও ৮৮ কিলোমিটার রিং রোড নির্মাণের পরিকল্পনা ◈ মানুষের শরীরে এআই দিয়ে তৈরি ভাইরাস প্রয়োগের দাবি বিজ্ঞানীদের, নেই গবেষণাপত্রে প্রমাণ ◈ ‌নিউইয়‌র্কে সরকারি অর্থ লোপাটের অভিযোগ, বিপুল সম্পদের মালিক একশ্রেণির প্রবাসী বাংলাদেশির দরজায় এফ‌বিআই  ◈ বৃহত্তম ক্রিপ্টো প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে ৬৩০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো চুরি, সাইবার হামলায় উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সন্দেহ ◈ যে কারণে শনিবার ৯ থেকে ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না কয়েকটি জেলায় ◈ জিজ্ঞাসাবাদে দীপ বলেছেন, ‘কিছু লোকের ধাওয়ায় তাহসিফ নদীতে ঝাঁপ দেয়, আমি পালিয়ে আসি’: আরও যা জানালো পিবিআই (ভিডিও) ◈ এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগে চাপে গুগল-আমাজন-মাইক্রোসফট, মূল ব্যবসায় ক্ষতি ও ট্রিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ ঢাকার ২৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই খেলার মাঠ, স্যাঁতসেঁতে কক্ষে পাঠদান ও শিক্ষক সংকটে ব্যাহত শিক্ষা ◈ থাইল্যান্ডে ১০ হাজার বিদেশিকে খুঁজছে ইমিগ্রেশন পুলিশ, ঝুঁকিতে বাংলাদেশিরাও ◈ তাহসিফের লাশ উদ্ধারের স্থান থেকে ৫০ গজ দূরে মিলল মোটরসাইকেল, হেফাজতে ‘জুনিয়র বন্ধু’ দ্বীপ

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০১৮, ০৫:৫৯ সকাল
আপডেট : ২৬ মে, ২০১৮, ০৫:৫৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্রিটেনে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক বাংলাদেশি সেলিনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বাড়িতে সব সময় বলা হয় বাংলা। তাই সবার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতেও গলা কাঁপত কিশোরীটির। অথচ সেই কিশোরীই কিনা ব্রিটেনের নামিদামি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পেছনে ফেলে জিতে নিয়েছেন সেরার মুকুট। বলছি ১৬ বছর বয়সী বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটেনের শিক্ষার্থী সেলিনা বেগমের কথা। রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে আয়োজিত এই বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সেলিনা জাঙ্কফুড, গোপনীয়তার অধিকার এবং যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড বিলোপের মতো বিষয়গুলোতে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন।

সেলিনা সম্প্রতি ব্রিটেনের ইটন কলেজের জাফর হলে অনুষ্ঠিত যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে সম্মানজনক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন। লন্ডনের নিউহ্যাম কলেজিয়েট সিক্সথ ফর্ম সেন্টারের এ লেভেল পড়ুয়া শিক্ষার্থী সেলিনা ব্রিটেনের ওয়েস্টমিনিস্টার ও উইনচেস্টারের নামিদামি সব স্কুলের ২০০ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন।

বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সেলিনা বলেন, ‘সবার দৃষ্টি আমার ওপর ছিল। কথা বলতে গিয়ে মনে হলো আমার গলা কাঁপছে। ভয় পাচ্ছিলাম খুব কিন্তু বড় করে শ্বাস নিয়ে আমার মতো করে শুরু করলাম। মানুষের চোখ খুঁজে নিয়ে তাদের সম্পৃক্ত করেই আমার যুক্তি তুলে ধরেছিলাম। ভাবিনি আবার আমাকে দাঁড়াতে হবে। কেননা এখানে যারা ছিলেন তারা প্রত্যেকেই ছিলেন মেধাবী।’

ওয়েস্টমিনিস্টার ও উইনচেস্টারের নামিদামি স্কুলের শিক্ষার্থীদের পেছনে ফেলে বিতর্কে প্রথম স্থান অধিকার করার এই কৃতিত্ব অবশ্য সেলিনা দিতে চান তার স্কুলের ডিবেটিং সোসাইটির শিক্ষকদের। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সেলিনার এই অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সেলিনার বাড়ি সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন মোগলাবাজারে। তার বাবা আবদুর রহিম ১৯৯০ সালে পরিবার নিয়ে ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান। বর্তমানে পূর্ব লন্ডনে তারা বসবাস করছেন। যুক্তরাজ্যে মা-বাবা ছাড়াও তাদের সঙ্গে বসবাস করেন ছোট ভাই আর দাদি। লন্ডনে দরিদ্র এলাকায় বাস করা অভিবাসী পরিবারের সেলিনা স্বপ্ন দেখেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস নিয়ে পড়ার। কাজ করতে চান আইন পেশায়। সে লক্ষ্যে এখন থেকেই নিজেকে প্রস্তুত করছেন সেলিনা। সূত্র:  আরটিএনএন

  • সর্বশেষ