শিরোনাম
◈ বিপিএলের ম্যাচ দেখতে না পারায় মিরপুর স্টেডিয়ামের বাইরে বিক্ষুব্ধ জনতার ভাংচুর (ভিডিও) ◈ দাবি আদায়ে বারবার সড়ক অবরোধের প্রবণতা, দায় কার? ◈ রাস্তায় দাঁড়িয়ে নিয়োগপ্রত্যাশী শিক্ষকদের কথা শুনলেন তারেক রহমান ◈ শহীদ হাদি হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনঃতদন্তের নির্দেশ ◈ জুলাই অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি অধ্যাদেশ অনুমোদন ◈ জামায়াত জোট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে কিনা, জানালো ইসলামী আন্দোলন ◈ দেশের ভেতরে পোস্টাল ব্যালটে প্রতীকের সঙ্গে প্রার্থীর নাম চায় বিএনপি ◈ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আজ প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ করবেন তারেক রহমানের ◈ ইসির সীমানা অনুযায়ী ১২ ফেব্রুয়ারি পাবনার ১ ও ২ আসনের নির্বাচন করতে বাধা নেই ◈ ইরানে যে ৬ উপায়ে হামলা চালাতে পারেন ট্রাম্প

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল
আপডেট : ২৩ মে, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজা রেখে ইনহেলার ও ডুশ নেওয়া যাবে কী?

আবুল কাশেম ইয়াছিন: রোজা অবস্থায় ইনহেলার ও সাপোজিটরি বা ডুশ নেওয়ার বিষয়ে ফকিহদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। অধিকাংশ ফকিহর মতে, এতে রোজা ভঙ্গ হবে এবং কাজা আদায় করতে হবে; কাফফারা লাগবে না। অনেক ফকিহর মতে, ব্যক্তি যখন পানাহার ত্যাগ করে রোজা রাখতে সক্ষম তাই রোজা পালন করবেন, যেহেতু ইনহেলার না নিয়ে থাকতে পারে না তাই ইনহেলার নেবেন, আর ইনহেলার নেওয়ার কারণে রোজা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকায় ফিদইয়াও দেবেন। যাতে তার সব পথ খোলা থাকে। ডুশ বা সাপোজিটরি যেহেতু খাদ্য নয়, খাদ্যের বিকল্পও নয় এবং তা পাকস্থলীতেও প্রবেশ করে না; বরং তা একপ্রকার ওষুধ, যা মলম বা ক্রিমের সঙ্গে তুলনা করা যায়। সর্বোপরি এটি পুনরায় পায়ুপথে বেরিয়ে আসে এবং এতে খাদ্যের উদ্দেশ্যও সাধিত হয় না। তাই এর দ্বারা রোজা ভঙ্গ হবে না। তবু সতর্কতামূলক কাজা আদায় করা উত্তম হবে। (আল ফিকহুল ইসলামী আদ দুওয়ালী)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়