শিরোনাম
◈ সেতু থেকে ১৬ মাসের সন্তানকে ফেলে দিয়ে থানায় মায়ের আত্মসমর্পণ ◈ কঠোর হুঁশিয়ারি ভারতের সেনাপ্রধানের, নিচ্ছে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি ◈ কুমিল্লা-৬ সংসদীয় আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার,দিলেন নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব ◈ বাংলাদেশের ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের হাজারো পোস্টাল ব্যালট পেপার যুক্তরাষ্ট্রের গুদামে ◈ চূড়ান্ত হলো নবম পে স্কেলের গ্রেড সংখ্যা ◈ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ভিসা স্থগিতে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হতে পারেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা ◈ জামায়াতসহ ১১ দলের ২৫৩ আসনে সমঝোতা, কোন দলের কত প্রার্থী ◈ বি‌সি‌বির প‌রিচালক নাজমুল প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে শুক্রবার খেলতে প্রস্তুত ক্রিকেটাররা ◈ দেড় ঘণ্টা বৈঠক শেষে বৈঠক শেষে যমুনা ছাড়লেন তারেক রহমান ◈ গণভোট নিয়ে পরিকল্পিত মিথ্যাচার ছড়ানো হচ্ছে : অধ্যাপক আলী রীয়াজ

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল
আপডেট : ২৩ মে, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজা রেখে ইনহেলার ও ডুশ নেওয়া যাবে কী?

আবুল কাশেম ইয়াছিন: রোজা অবস্থায় ইনহেলার ও সাপোজিটরি বা ডুশ নেওয়ার বিষয়ে ফকিহদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। অধিকাংশ ফকিহর মতে, এতে রোজা ভঙ্গ হবে এবং কাজা আদায় করতে হবে; কাফফারা লাগবে না। অনেক ফকিহর মতে, ব্যক্তি যখন পানাহার ত্যাগ করে রোজা রাখতে সক্ষম তাই রোজা পালন করবেন, যেহেতু ইনহেলার না নিয়ে থাকতে পারে না তাই ইনহেলার নেবেন, আর ইনহেলার নেওয়ার কারণে রোজা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকায় ফিদইয়াও দেবেন। যাতে তার সব পথ খোলা থাকে। ডুশ বা সাপোজিটরি যেহেতু খাদ্য নয়, খাদ্যের বিকল্পও নয় এবং তা পাকস্থলীতেও প্রবেশ করে না; বরং তা একপ্রকার ওষুধ, যা মলম বা ক্রিমের সঙ্গে তুলনা করা যায়। সর্বোপরি এটি পুনরায় পায়ুপথে বেরিয়ে আসে এবং এতে খাদ্যের উদ্দেশ্যও সাধিত হয় না। তাই এর দ্বারা রোজা ভঙ্গ হবে না। তবু সতর্কতামূলক কাজা আদায় করা উত্তম হবে। (আল ফিকহুল ইসলামী আদ দুওয়ালী)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়