শিরোনাম
◈ নতুন ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান অধ্যাপক আলী রীয়াজের ◈ অবৈধ পথে আসছে বাজারের বেশিরভাগ স্বর্ণ : এনবিআর ◈ সাগর রক্ষায় জাপানের সঙ্গে চুক্তি, মহেশখালীতে হবে আদর্শ মৎস্যগ্রাম ◈ যে কারণে খামেনিকে ধরতে গিয়ে নাস্তানাবুদ হতে পারে মার্কিন বাহিনী ◈ তিন দেশের সমন্বয়ে গড়ে উঠছে নতুন ‘ইসলামিক ন্যাটো’ ◈ সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৪৪০ বাংলাদেশি বন্দিকে রাজকীয় ক্ষমা ◈ নাহিদের অফিস নয়, গুলিবর্ষণ হয়েছে আবাসন কোম্পানির কার্যালয়ে: পুলিশ ◈ বাংলাদেশ লাগোয়া পুরানো ৫ বিমানঘাঁটি সক্রিয় করছে ভারত ◈ দ্বিতীয় পাসপোর্টের জন্য বিশ্বজুড়ে হিড়িক: ‘সময় থাকতে লুফে নিন ◈ চেম্বার আদালতেও আবেদন খারিজ, ঋণখেলাপিই থাকছেন হাসনাতের প্রতিদ্বন্দী বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল
আপডেট : ২৩ মে, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজা রেখে ইনহেলার ও ডুশ নেওয়া যাবে কী?

আবুল কাশেম ইয়াছিন: রোজা অবস্থায় ইনহেলার ও সাপোজিটরি বা ডুশ নেওয়ার বিষয়ে ফকিহদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। অধিকাংশ ফকিহর মতে, এতে রোজা ভঙ্গ হবে এবং কাজা আদায় করতে হবে; কাফফারা লাগবে না। অনেক ফকিহর মতে, ব্যক্তি যখন পানাহার ত্যাগ করে রোজা রাখতে সক্ষম তাই রোজা পালন করবেন, যেহেতু ইনহেলার না নিয়ে থাকতে পারে না তাই ইনহেলার নেবেন, আর ইনহেলার নেওয়ার কারণে রোজা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকায় ফিদইয়াও দেবেন। যাতে তার সব পথ খোলা থাকে। ডুশ বা সাপোজিটরি যেহেতু খাদ্য নয়, খাদ্যের বিকল্পও নয় এবং তা পাকস্থলীতেও প্রবেশ করে না; বরং তা একপ্রকার ওষুধ, যা মলম বা ক্রিমের সঙ্গে তুলনা করা যায়। সর্বোপরি এটি পুনরায় পায়ুপথে বেরিয়ে আসে এবং এতে খাদ্যের উদ্দেশ্যও সাধিত হয় না। তাই এর দ্বারা রোজা ভঙ্গ হবে না। তবু সতর্কতামূলক কাজা আদায় করা উত্তম হবে। (আল ফিকহুল ইসলামী আদ দুওয়ালী)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়