শিরোনাম
◈ আপিল শুনানিতে কোনো পক্ষপাত করা হয়নি: সিইসি ◈ ইসি থেকে সুখবর পেলেন বিএনপির আবদুল আউয়াল মিন্টু ◈ দেশীয় স্পিনিং শিল্প রক্ষায় সুতা আমদানির শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রত্যাহারের উদ্যোগ ◈ ইতালির টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট দল ঘোষণা, অধিনায়ক প্রাক্তন হকি খেলোয়াড় ◈ জামায়াত কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিকাশ-এনআইডি নম্বর সংগ্রহ করছেন: অভিযোগ ফখরুলের (ভিডিও) ◈ ২৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা এনসিপির, কোন আসনে কে লড়বেন ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বে বিএনপির প্রতিনিধি দল ◈ ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ চূড়ান্ত, অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদের অপেক্ষায় ◈ মাদারীপুরে ইজিবাইককে চাপা দিয়ে বাস খাদে, নিহত ৫ ◈ ইউএনওকে ‘শাসানোয়’ সেই ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল
আপডেট : ২৩ মে, ২০১৮, ০৮:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোজা রেখে ইনহেলার ও ডুশ নেওয়া যাবে কী?

আবুল কাশেম ইয়াছিন: রোজা অবস্থায় ইনহেলার ও সাপোজিটরি বা ডুশ নেওয়ার বিষয়ে ফকিহদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। অধিকাংশ ফকিহর মতে, এতে রোজা ভঙ্গ হবে এবং কাজা আদায় করতে হবে; কাফফারা লাগবে না। অনেক ফকিহর মতে, ব্যক্তি যখন পানাহার ত্যাগ করে রোজা রাখতে সক্ষম তাই রোজা পালন করবেন, যেহেতু ইনহেলার না নিয়ে থাকতে পারে না তাই ইনহেলার নেবেন, আর ইনহেলার নেওয়ার কারণে রোজা ভঙ্গের সম্ভাবনা থাকায় ফিদইয়াও দেবেন। যাতে তার সব পথ খোলা থাকে। ডুশ বা সাপোজিটরি যেহেতু খাদ্য নয়, খাদ্যের বিকল্পও নয় এবং তা পাকস্থলীতেও প্রবেশ করে না; বরং তা একপ্রকার ওষুধ, যা মলম বা ক্রিমের সঙ্গে তুলনা করা যায়। সর্বোপরি এটি পুনরায় পায়ুপথে বেরিয়ে আসে এবং এতে খাদ্যের উদ্দেশ্যও সাধিত হয় না। তাই এর দ্বারা রোজা ভঙ্গ হবে না। তবু সতর্কতামূলক কাজা আদায় করা উত্তম হবে। (আল ফিকহুল ইসলামী আদ দুওয়ালী)।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়