প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মরা মুরগি বেচে কোটিপতি কাওসার!

মরা মুরগি বিক্রি করে কোটিপতি বনে গেছেন কাওসার আলি ঢালি! পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটের গ্রাম থেকে দুবছরের মধ্যে লেক টাউনে ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কাঁটারআটি গ্রামে রয়েছে নতুন বাড়ি। রয়েছে দুটি গাড়িও।

আগে কাওসার আলির গ্রামের বাড়িতেই ছিল মুরগির খামার। সেটি বন্ধ করে তিনি মন দেন মরা মুরগির কারবারে। কলকাতার আশপাশে কোন এলাকার খামারে মুরগি বেশি মরেছে, কোন বাজারে মাংসের চাহিদা বেশি জানতে তিনি লিঙ্কম্যানও লাগিয়েছিলেন।

তারাই হদিস দিত কোন কোন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হোটেল বা রেস্তোরাঁয় কীভাবে পৌঁছানো হবে ভাগাড়ের মাংস। এমন ৫ জন লিঙ্কম্যানকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কাওসার অন্যতম জোগানদার হলেও ভাগাড়ের মাংস-কাণ্ডের মূলহোতা অবশ্য কাঁকিনাড়ার শরাফত হোসেন। ১৫–২০ বছর ধরে তিনি মরা পশুর মাংসের ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। তিনিও কোটিপতি। কাঁকিনাড়ায় তার পাঁচতলা বাড়ি, গাড়িও। তবে শরাফত হোসেন পরিবারের দাবি, তিনি চামড়া, হাড় আর মিনারেল পানির ব্যবসা করেন।

প্রসঙ্গত, রোববার নারিকেলডাঙায় একটি বরফকলের খোঁজ মিলেছে। সেখানে বরফ তৈরির আড়ালে মরা মুরগির মাংস মজুদ করা হতো। আপাতত সেটির মালিক উধাও। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে।

ব্রেকিংনিউজ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত