শিরোনাম
◈ মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের অবহেলা নয়, সম্মান ও সহমর্মিতা দেখাতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ মানব পাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ : মার্কিন প্রতিবেদন ◈ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাইকেল চালিয়ে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ রেলের টিকিট কালোবাজারি ও পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন ◈ ম‌্যা‌ডিসন ১০ বছর পর মা‌ঠে ফিরে লজ্জার রেকর্ড কর‌লেন ◈ চাঁদা না পেয়ে ট্রাক এনে লুটপাট, সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? ◈ অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম, একাদশের সবার বয়স ৩০ বছ‌রের উপ‌রে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার সাম‌নে দিশাহারা বাংলা‌দেশ, নারী দল হার‌লো ৭ উইকেটে ◈ রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি, জলাবদ্ধতায় বেড়েছে যানজট

প্রকাশিত : ২৭ এপ্রিল, ২০১৮, ০১:১০ রাত
আপডেট : ২৭ এপ্রিল, ২০১৮, ০১:১০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জোড়া খুনের দায়ে খুলনায় ৬ আসামির যাবজ্জীবন

শরীফা খাতুন শিউলী, খুলনা: খুলনার আনসার আলী ফকির ও আজাদ মুন্সি হত্যা মামলার রায়ে ৬ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং প্রত্যেককে একই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও ২ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ রব হাওলাদার এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ৫জন আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিল। অপর আসামি পলাতক রয়েছে।

যাবজ্জীবন কারাদন্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, তেরখাদা উপজেলার মোকামপুর গ্রামের লিয়াকত ফকির ওরফে লিকু ফকিরের ছেলে মিজানুর রহমান ওরফে মিজান ফকির, গাউস শেখের ছেলে রুহুল শেখ, সুলতান শেখের ছেলে বিপ্লব শেখ, কেরামত আলী শিকদারের ছেলে আকিদুল শিকদার আক্তার, ছাত্তার খানের ছেলে আশরাফুল খান ও সুলতান শেখের ছেলে অ্যাঞ্জেল শেখ। এর মধ্যে আশরাফুল খান পলাতক রয়েছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০০১ সালের ১০ এপ্রিল খুলনার তেরখাদা উপজেলার মোকামপুর গ্রামের আনসার আলী ফকির ও আজাদ মুন্সি নিখোঁজ হয়। এরপর ৯দিন নিখোঁজ থাকার পর ১৯ এপ্রিল আনসার আলী ফকিরের লাশ স্থানীয় নাশুয়াখালি বিলের কওছারের মৎস্য ঘেরে এবং আজাদ মুন্সির লাশ স্থানীয় কাটেঙ্গা গ্রামের একটি কলা বাগানে মাটিচাপা অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহত আনসার আলী ফকিরের বোন ছায়রা বেগম বাদি হয়ে ২০ এপ্রিল তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ২০০২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এসআই মো. মোস্তফা কামাল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

  • সর্বশেষ