প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শিশু ধর্ষণকারীর শাস্তি মৃত্যুদ- দেবার আইন কোন গবেষণার ভিত্তিতে হয়েছে জানতে চেয়েছে দিল্লী হাইকোর্ট

নূর মাজিদ: ভারতে একের পর এক নাবালিকা ধর্ষণের ঘটনায় বিজেপির একাধিক নেতা,কর্মী ও সাংসদের জড়িত থাকার ঘটনায় এখন বিরোধিদের সমালোচনা ও রাজনৈতিক আন্দোলনে নাজেহাল বিজেপি সরকার। এমনকি কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগ দিতে এসে তীব্র বিক্ষোভের সম্মুখীন হয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। দেশের ভেতরে বাহিরে মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর চাপের মুখে অবশেষে ধর্ষণবিরোধী আইন আরো কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি সরকার।

এরই প্রেক্ষিতে ভারতীয় পেনাল কোডের ধারায় পরিবর্তনের প্রস্তাব অনুমোদন করেছেন ভারতীয় রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। নতুন এই সংশোধনীর আওতায় এখন ১২ বছরের নিচে শিশুদের ধর্ষণকারীদের শাস্তি হিসেবে সরাসরি মৃত্যুদ- দেবার বিধান কার্যকর করা সম্ভব হবে।

তবে নতুন এই আইন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন দিল্লী হাইকোর্ট। সোমবার দিল্লী হাইকোর্টের জারি করা এক রুলে, কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এ ব্যাপারে কৈফিয়ত তলব করা হয়েছে। হাইকোর্ট জানতে চেয়েছেন ১২ বছরের কমবয়সী শিশু ধর্ষণকারীর বিচার মৃত্যুদ- দেবার সিদ্ধান্ত নেবার পূর্বে কেন্দ্রীয় সরকার কোন গবেষণা করেছেন কিনা!

দিল্লী হাইকোর্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি গীতা মিত্তাল এবং সি হরিশংকরের স্বমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালত সংশয় প্রকাশ করেন যে, হত্যা এবং ধর্ষণ উভয় অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদ- দেয়ার ফলে এখন কোন ধর্ষিতাকে ধর্ষণকারীরা বাঁচিয়ে রাখবে কিনা!

উল্লেখ্য ভারতজুড়ে যখন নারী এবং নাবালিকাদের প্রতি সহিংসতার ঘটনায় যখন নাগরিক সমাজের বৃহৎ অংশ প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছে ঠিক সেসময় দিল্লী হাইকোর্ট এই রুল জারি করলেন। দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত