শিরোনাম
◈ খাল খননের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, আসছে ‘মডেল খাল’ কর্মসূচি ◈ মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের অবহেলা নয়, সম্মান ও সহমর্মিতা দেখাতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ মানব পাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ : মার্কিন প্রতিবেদন ◈ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাইকেল চালিয়ে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ রেলের টিকিট কালোবাজারি ও পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন ◈ ম‌্যা‌ডিসন ১০ বছর পর মা‌ঠে ফিরে লজ্জার রেকর্ড কর‌লেন ◈ চাঁদা না পেয়ে ট্রাক এনে লুটপাট, সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? ◈ অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম, একাদশের সবার বয়স ৩০ বছ‌রের উপ‌রে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার সাম‌নে দিশাহারা বাংলা‌দেশ, নারী দল হার‌লো ৭ উইকেটে

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১২:০১ দুপুর
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১২:০১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে : মেনন

রফিক আমেদ : বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীদের অবদানের স্বীকৃতি প্রদান করতে হবে। জাতীয় মুক্তি সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির দ্বারা সংগঠিত মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় অন্তর্ভূক্তিকরণের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের পূর্ণতা আনা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত ‘স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ববাংলা কর্মসূচি থেকে জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ সমন্বয় কমিটি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় মেনন একথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ছিল সমগ্র জনগণের। তারাই ইতিহাসে ব্রাত্যজন হয়ে গেছে। গণযুদ্ধের সেই জনযোদ্ধাদের সম্মান দিতে না পারলে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পূর্ণতা পাবে না। ’৭০ এর ফেব্রুয়ারিতে ওই কর্মসূচি ঘোষণা করায় আমাকে ও কাজী জাফরকে সামরিক আদালতে সাত বছর সশ্রম কারাদন্ড দেয়। আত্মগোপন থেকেই আমরা মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত করতে কাজ শুরু করি। আর মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গঠন করা হয় জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ সমন্বয় কমিটি। অঞ্চল জুড়ে ওই সমন্বয় কমিটির নেতৃত্বে এই মুক্তিযোদ্ধারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল নয়মাস ধরেই মুক্ত রেখেছিল। কিন্তু তাদের স্বীকৃতি নাই। মুক্তিযোদ্ধা তালিকাতেও তাদের নাম ওঠেনা।
রাশেদ খান মেননের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য কমরেড হায়দার আকবর খান রনোর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা আলী আহমেদ এনামুল হক। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির একাংশের মহাসচিব মোস্তফা জামাল হায়দার, গবেষক শামসুল হুদা, সাংবাদিক আবেদ খান। সঞ্চালনা করেন পার্টির পলিটব্য্যুরো সদস্য মাহমুদুল হাসান মানিক।

ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি বলেন- মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীরা কেবল অংশগ্রহণই করে নাই, সকল প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবালে করে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিস্তীর্ণ অঞ্চল হানাদার বাহিনী মুক্ত রেখেছিল। তিনি বলেন তালিকাভুক্ত হওয়া কিংবা মুক্তিযোদ্ধা ভাতা পাওয়ার জন্য নয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বামপন্থী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান চাই। আগামীদিনে মুক্তিযুদ্ধে বামপন্থীদের ভূমিকা নিয়ে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা এবং নতুন প্রজন্মকে জানানোর জন্য সকলকে উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

  • সর্বশেষ