প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভাষার ইতিহাসে অজ্ঞ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের শিক্ষার্থীরা

ফারমিনা তাসলিম : আমাদের মাতৃভাষা বাংলা। কিন্তু খুব সহজেই আমাদের মাতৃভাষা বাংলা হয়নি। অনেক সংগ্রাম আর প্রানের বিনিময়ে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা হয়েছে। অথচ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের শিক্ষার্থীরা ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞ। বিশিষ্টজনেরা মনে করেন, শিক্ষকদের সদিচ্ছার অভাবে ইতিহাস চর্চায় এমন ঘাটতি হচ্ছে।

দুই একদিনের মধ্যেই এই শিশুদের ভাষার ইতিহাস জানানো হবে বলে জানান গাইবান্ধা সাদুল্লাপুর খোর্দকোমরপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, যেটুকু শেখার ঘাটতি আছে, দু-একদিনের মধ্যে তা আমরা সেরে নেবো।

গাইবান্ধার সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরাও জানে না বাংলা ভাষার ইতিহাস।

শিক্ষার্থীরা জানান, পড়াশোনার চাপে ইতিহাস চর্চার সুযোগ মিলে না।

ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস সম্পর্কে শিক্ষার্থীরা বলেন, ভাষার ইতিহাস সম্পর্কে এই মুহূর্তে কিছু মনে নাই। আমরা পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পেতে পড়াশুনা করি। বাইরের পড়ার আর সুযোগ হয় না।

ইতিহাস চর্চায় শিক্ষক ও পরিবারের অনিচ্ছার কারণে শিক্ষার্থীরা কেবল জিপিএ ৫ এর পেছনে ছুটছে বলে মনে করেন বিশিষ্টজনরা।

জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটি তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক এস এম খাদেমুল ইসলাম খুদি বলেন, পরীক্ষার খাতায় কিভাবে বেশি নাম্বার তোলা যায় সে নিয়ে অভিভাবকদের দৌড় প্রতিযোগিতা চলছে। যতটুকু পড়লে নাম্বার পাওয়া যাবে খাতায় শুধু ততটুকুই পড়ানো হচ্ছে। তাই ভেতর থেকে যে চেতনা উদ্বুদ্ধ হবে তা আর হচ্ছে না।

গাইবান্ধা জেলা সংসদ উদীচী সভাপতি জহুরুল কাইয়্যুম বলেন, ৫২ সালের এই আন্দোলনই যে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল সূচনা ছিলো। এই বিষয়টাকে আমরা নতুন প্রজন্মের মধ্যে প্রবাহিত করতে পারি নাই। এটা আমাদের ইতিহাস চর্চার দুর্বলতা।

গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ শামস্ উল আলম হিরু বলেন,, প্রত্যেককে সচেতন হতে হবে। যাতে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের মাঝে আমরা ভাষা আন্দোলনের সঠিক তাৎপর্য বিলাতে পারি।

১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সরকারি ঘোষণার প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে ছাত্রজনতা। এরপর বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারিতে তা চূড়ান্ত রূপ নেয় ভাষা আন্দোলনের।

সূত্র: সময় টিভি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত