শিরোনাম
◈ ভোটগ্রহণ শেষ, এবার অপেক্ষা ফলাফলের ◈ দুপুর পর্যন্ত নির্বাচনে ৪৮৬ কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, ৫৯ কেন্দ্রে জালভোট ◈ দুপুরের পর বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ সারি, উৎসবমুখর ভোটগ্রহণ ◈ গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজকের এই নির্বাচন: তারেক রহমান ◈ সিইসির সঙ্গে বৈঠকে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দল ◈ ভোট ডাকাতি হলে আব্বাসের রাজত্ব খানখান করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি নাসীরুদ্দীনের ◈ পুলিশ সদর দপ্তরে কন্ট্রোল রুম থেকে ভোটের চিত্র পর্যবেক্ষণ করলেন প্রধান উপদেষ্টা ◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব ◈ দুপুরে এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ◈ ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত: এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১২:৫৩ দুপুর
আপডেট : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮, ১২:৫৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কলাবাগানের জয়ের নায়ক পাকিস্তানি আকবর

নিজস্ব প্রতিবেদক : পাকিস্তান থেকে আকবর-উর-রেহমানকে উড়িয়ে এনেছিল কলাবাগান ক্রীড়া চক্র। আর ঢাকার মাঠে এসে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত করলেন এ পাকিস্তানি বুড়ো। তার অল রাউন্ডিং নৈপুণ্যেই চতুর্থ ম্যাচে এসে প্রথম জয় পেয়েছে দলটি। বর্তমান চ্যাম্পিয়ন গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে ৫৫ রানে হারিয়েছে জালাল আহমেদ চৌধুরীর শিষ্যরা।

শনিবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে টস জিতে কলাবাগানকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানায় গাজী গ্রুপ। শুরুটাও ভালো করে তারা। দলীয় ২৩ রানে কলাবাগানের প্রথম সারির ৩ ব্যাটসম্যানকে তুলে নেয় দলটি। তবে চতুর্থ উইকেটে তাইবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ১০১ রানের দারুণ এক জুটি গড়ে দলকে চাপমুক্ত করেন আকবর। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ২৩২ রানের পুঁজি পায় কলাবাগান।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৮০ রান করেন আকবর। ৮২ বলে ৫০ রানের ইনিংস খেলেন তাইবুর। এছাড়া ৩৩ বলে ৩৪ রান করেন মাহমুদুল হাসান। গাজী গ্রুপের পক্ষে ২টি করে উইকেট পান কামরুল ইসলাম রাব্বি, ডলার মাহমুদ ও রজত ভাটিয়া।

২৩৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা খারাপ করেনি গাজী গ্রুপ। ইমরুল কায়েসের সঙ্গে ৪০ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম। তবে এ জুটি ভাঙার ফলে কিছুটা চাপে পড়ে যায় তারা। এরপর তৃতীয় উইকেটে আসিফ আহমেদকে নিয়ে ৫২ রানের জুটি গড়ে চাপ সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেন ইমরুল। এরপরই আকবরের বোলিং তোপে পড়ে দলটি।

বিপজ্জনক হয়ে ওঠা এ জুটিতো ভেঙেছেনই, এরপর আরও ৩টি উইকেট তুলে নেন তিনি। আর উইকেট হারানোর মিছিলে যোগ দেয় বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ৬৯ রান যোগ করতেই শেষ ৮ উইকেট হারায় গাজী গ্রুপ। ফলে ৪৫.১ ওভারে ১৭৭ রানে অল আউট হয় মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের শিষ্যরা।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন ইমরুল। ৭৮ বল মোকাবেলা করে ৫টি করে চার ও ছক্কায় এ রান করেন তিনি। সাত নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে নুরুজ্জামান করেন ২৯ রান। কলাবাগানের পক্ষে ৩৫ রানের খরচায় ৪টি উইকেট পান আকবর। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন সঞ্জিত সাহা ও মাহমুদুল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়