প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এটি আমাদের কণ্ঠরোধ করার একটি কুৎসিত প্রয়াস

কবি আব্দুল হাই শিকদার : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬-এর ৫৭ ধারা নতুন করে করা হচ্ছে। আমরা নতুন ও পুরোনো বুঝি না। আমাদের কাছে ৫৭ ধারা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। যে কোনো প্রকারের দমন, পীড়ন, কণ্ঠরোধ করার আইন দশ বছর হউক আর ১ বছর হউক এটি কোনো মতে মেনে নেওয়া যায় না। এই আইন করা পুরোপুরিভাবে আমাদের সাংবিধানিক অধিকার ও সংবাদ পত্রের স্বাধীনতার উপর সরাসরি হস্তক্ষেপ করা। একটি স্বাধীন দেশে এমন আইন করা ঠিক নিয়। আমরা এমন আইনের বিরোধীতা করি। কারণ, এটি আমাদের কণ্ঠরোধ করার একটি কুৎসিত প্রয়াস। এমন আইনের নিন্দা করি। এগুলো থেকে সরে আসার জন্য সরকারকে অনুরোধ করি। যারা গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার জন্য ৫৭ ধারার মতো আইন অতীতে করেছে, তাদের শেষ পরিণতি ভালো হয়নি। সমাজে তাদের খুব বাজে ও ভয়াবহ পরিণতি হয়েছে। আমরা চাইনা একটি মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে দেশ স্বাধীন হয়েছে, সে দেশে একটি দলও কিছু মানুষের স্বার্থে ৫৭ ধারার মতো আইন করুক। এটি মুক্তিযুদ্ধের সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। তথ্য প্রযুক্তি আইনের মাধ্যমে ৫৭ ধারার মতো আইন উলট পালট করে যাই করা হউক এটি অগ্রণযোগ্য। যত দিন আমাদের সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা না আসবে, আমাদের সাংবাদিকের কলম মুক্ত না হবে, আমরা আন্দোলন করে যাব। এই আইন আমরা মেনে নিব না।

পরিচিতি : সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
মতামত গ্রহণ : গাজী খায়রুল আলম
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত