শিরোনাম
◈ নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, পোশাক খাতে শঙ্কা: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বিশ্লেষণ ◈ পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান ◈ বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচন কবে নাগাদ, জানালো ইসি ◈ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল বিষয়ে সভা ◈ জামায়াত আমিরের স্ত্রীসহ সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় যারা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান! ◈ মদকাণ্ডে আটকের খবরে তোলপাড়, যা বললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী! ◈ গ্রোসারি শপ, চা-পান চটপটি-ফুচকাসহ দেশি খাবারের সমাহার, প্রাচীন সভ্যতার দেশে যেন এক টুকরো বাংলাদেশ! ◈ ইরানে শোক র‍্যালিতে শিক্ষার্থীদের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:১৪ দুপুর
আপডেট : ২৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ১১:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সরকার বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল আসাম, পুলিশের গুলিতে নিহত ২

হিরন্ময় ভট্টচার্য, গুয়াহাটি : ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য আসামে সরকার বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে দুই জনের নিহতের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে। আসামের ডিমা হাসাও জেলাকে বৃহত্তর নাগাল্যান্ডের অংশ হতে অস্বীকৃতি জানিয়ে গত কয়েকদিন ধরে ডিমাহাসা আদিবাসীদের বিক্ষোভ ও ধর্মঘট চলছিল। শুক্রবার থেকে দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে নিহত হয়েছে দুই আন্দোলনকারী। এ সময় অন্তত ১০ জন আহত হন। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার বিক্ষোভ ও অবরোধে উত্তপ্ত হয়ে উঠে আসামের একাংশ। দুর্ভোগে পড়েছেন ট্রেন যাত্রীরা।

পরিস্থিতি এতটাই অগ্নিগর্ভ যে আসাম পুলিশের বিশেষ বাহিনী ও সিআরপিএফ মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে হরতাল-অবরোধের কারণে স্তব্ধ ডিমা হাসাও জেলা। বন্ধ ট্রেন চলাচল। শিলচর থেকে গুয়াহাটিগামী রেলপথের যাত্রীর ব্যাপক অসুবিধায় পড়েছেন। আসাম পুলিশের ডিজি মুকেশ সহায় জানিয়েছেন, আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তবে উত্তেজনা আছে সেখানে।

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও নরমপন্থী নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএসসিএন(আইজ্যাক-মুইভা) গোষ্ঠী শান্তি চুক্তি সম্পাদন করেছে। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, এই চুক্তির ফলে আসামের ডিমা হাসাও জেলাকে বৃহত্তর নাগালিম (স্বশাসিত নাগা অঞ্চল) এর অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, কেন্দ্র ও রাজ্যের বিজেপি সরকার এই সংযুক্তি জোর করে চালাতে চাইছে। ফলে শুক্রবার প্রবল উত্তপ্ত হয়ে যায় মেইবাং এলাকা। স্থানীয় রেল স্টেশন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রায় হাজার পাঁচেক মানুষ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্টেশন ঘিরে ফেলে পুলিশ।

আসাম পুলিশের বিশাল বাহিনী দেখে ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেন আন্দোলকারীরা। এদিকে আন্দোলন তুলতে নির্বিচারে লাঠি চার্জ করতে থাকে পুলিশ। অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হতেই পাল্টা পুলিশের উপর হামলা চালান স্থানীরা। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সাধারণ গ্রামবাসীদের লক্ষ্য করে গুলি ছোঁড়ে পুলিশ। ঘটনাস্থলেই দু’ই আন্দোলনকারীর মৃত্যু হয়। পুলিশের গুলিতে থেকে প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে হুড়োহুড়ির মাঝে পড়ে মহিলাসহ ১০ জনের জখম হন। এলোপাথাড়ি গুলি লেগে বেশ কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়