শিরোনাম
◈ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে: ইসি ◈ মানবিক সফরে ঢাকায় এলেন বিশ্বকাপজয়ী মেসুত ওজিল ◈ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না, নীতিমালা জারি ◈ স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ জাতীয় জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট ◈ নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় যাঁরা ◈ নতুন চাকরি পেলেন সদ্যসাবেক প্রেস সচিব শফিকুল ◈ অতি গুরুত্বপূর্ণ ৫ মন্ত্রণালয় থাকছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে 

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:৪৩ সকাল
আপডেট : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৪:৪৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোটাপ্রথা সংবিধান, উন্নয়ন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী

অ্যাডভোকেট একলাছ উদ্দিন ভূঁইয়া : কোটাপ্রথার মাধ্যমে মেধাবীদের বঞ্চিত করা হচ্ছে আমাদের দেশে। চাকুরি পাওয়ার ক্ষেত্রে একজন মেধাবী প্রার্থী বঞ্চিত হলে সবাই যে আইনের দৃষ্টিতে সমান, সংবিধানের এই অনুচ্ছেদটি উপেক্ষিত হয়। একজন মেধাবীকে যথাস্থানে না বসানোর ফলে দেশ ও জাতি তার কাছ থেকে তুলনামূলকভাবে উন্নততর সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। তাছাড়া কম মেধাবীরা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হলে তারা তাদের মেধা অনুযায়ীই কার্যক্রম পরিচালনা করবে। তাই কোটা একটি রাষ্ট্রের এবং সংশ্লিষ্ট মানুষগুলোর জন্য একটি কলঙ্কও। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আকবর আলী খান বলেছেন, কোটা প্রথা তুলে দেওয়া উচিত।

তিনি এটা যথার্থই বলেছেন। কারণ, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পর পিছিয়ে পড়াদের সামনে আনার নামে কোটা প্রথাকে জায়েজ বলা সত্যিই অপমানকর। স্বাধীনতার পর পর নারী সম্প্রদায়কে সমানতালে কাজে লাগানোর জন্য কোটার জন্ম হয়েছে। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। নারীরা এখন অনেক এগিয়ে। তারা নিজেরাই এখন এটাকে অপমানকর মনে করে। তাছাড়া এটি উন্নয়ন ও মানবাধিকারের পরিপন্থী। সুতরাং কোটা প্রথা বাংলাদেশ থেকে উচ্ছেদ করে মেধার ভিত্তিতে সর্বত্র চাকুরি প্রদানের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক উন্নত জাতি গঠনের চেষ্টা আমাদের সরকারের প্রত্যয় হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

পরিচিতি : অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
মতামত গ্রহণ : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ
সম্পাদনা : গাজী খায়রুল আলম

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়