শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎ বিভ্রাট কাটিয়ে সচল জাতীয় গ্রিড, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহ ◈ রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব ব্যবসায়ীদের ◈ হুথিদের হামলা বন্ধে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের, ইরানের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতির উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে ১ লাখ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করবে জাপান, ৫ বছরে ২ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য ◈ চীনকে মোকাবিলায় মেগা বাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা ভারতের, যে কারণে প্রতিবাদ করছে অরুণাচলের তরুণ প্রজন্ম ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামানের মনোনয়নপত্র বৈধ, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে ◈ নতুন বেতনকাঠামো: ১ নভেম্বর বকেয়াসহ বেতন পাবেন যারা, বঞ্চিত হবেন অনেকেই ◈ ইশরাকের আলোচিত মাদকবিরোধী অভিযানের পর গেন্ডারিয়ার ঘুন্টিঘরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ◈ মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাধা, আইজিপির বক্তব্য ও অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ে যা বললেন তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ পুতিনের প্রাসাদ ঘিরে নতুন ১৫টি আকাশ প্রতিরক্ষা টাওয়ার, নিরাপত্তায় ৫০ স্থাপনা

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৪ সকাল
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবী (সা.) দেখতে যেমন ছিলেন

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ : মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। অপরূপ সৌন্দর্য ও নুরানি করে আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সৃষ্টি করেন। বিভিন্ন সাহাবি বিভিন্নভাবে নবী (সা.) এর শারীরিক সৌন্দর্যের বর্ণনা করেছেন। একজন সাহাবী বর্ণনা করেন, নবী (সা.) ছিলেন মধ্যম আকৃতির পুরুষ; তাঁর উভয় কাঁধের দূরত্ব ছিল অল্প বেশি; চুল ছিল কানের লতি পর্যন্ত দীর্ঘ; আমি তাকে লাল পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখেছি; তাঁর চেয়ে সুন্দর কিছু আমি কখনও দেখিনি। (বুখারী ও মুসলিম)

আরেক সাহাবীর বর্ণনায় নবী (সা.) লম্বাও ছিলেন না, আবার বেঁটেও ছিলেন না; তার দুই হাতের তালু ও দুই পায়ের তলা ছিল মাংসল; মাথা ছিল বড় এবং অস্থিগ্রন্থিগুলো ছিল মোটা; বক্ষদেশ থেকে নাভি পর্যন্ত একটি সরু কেশ রেখা ছিল; যখন তিনি হাটতেন তখন সামনের দিকে ঝুঁকে চলতেন, মনে হত যেন তিনি যমীনের নীচু অংশে অবতরণ করছেন। আমি নবী (সা.) এর পূর্বে ও পরে তার মত(এত অধিক সুন্দর) আর কাউকে দেখিনি। (তিরমিযী)

নবী (সা.) এর চেহারা পূর্ণিমার রাতের চাঁদের স্নিগ্ধ আলোর ন্যায় ঝলমল করত; তিনি মধ্যম আকৃতির চেয়ে দীর্ঘদেহী এবং অতিশয় দীর্ঘকায় ব্যক্তির চেয়ে খানিকটা খর্বকায় ছিলেন; তার মাথা (তুলনামূলক) বড় এবং কেশরাজি কিছুটা কোঁকড়ানো ছিল; সহসা সিঁথি করা গেলে সিঁথি করতেন, নতুবা সিঁথি করতেন না; তার ললাটের উভয় পার্শ্ব প্রশস্ততর ছিল; তার ভ্রƒযুগল বিমুক্ত বৃত্তাংশের ন্যায় বাঁকা, খুব সূক্ষ্ম ঘন চুল বিশিষ্ট ছিল; আর ঐ ভ্রƒযুগলের মাঝে এমন একটি শিরা ছিল, যা রাগের সময় (অধিক রক্ত সঞ্চারিত হওয়ার ফলে) ভেসে উঠত (প্রকাশ পেত); তার নাসিকা সুদীর্ঘ ও অগ্রভাগ সরু ছিল; তার নাসিকায় এমন নূর (জ্যোতি) ছিল, যা নাকের উপর বিকীর্ণ হত; তার দাঁড়ি ছিল বিস্তীর্ণ ও খুব ঘন; মুখম-ল প্রশস্ত ছিল; সম্মুখের উপরের পাটির দুটি দাঁত ও নীচের পাটির দু’টি দাঁত আলাদা ছিলÑ মিলিত ছিল না; তার গ্রীবা যেন মোতির গ্রীবা কিন্তু তার শুভ্রতা রৌপ্যের ন্যায়; তার দেহের গঠন ছিল সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মাংসপেশী ছিল সূদৃঢ় মজবুত; তার পেট ও বক্ষ ছিল (উচ্চতায়) সমান এবং বক্ষ ছিল প্রশস্ত। (তিরমিযি)

নবী (সা.) এর চুল ও দাঁড়ির সম্মুখভাগ সাদা হয়ে গিয়েছিল। যখন তিনি তেল দিতেন, তখন (সাদা চুল) দেখা যেত না; আর যখন চুল এলোমেলো হত, তখন (শুভ্রতা) দেখা যেত। তার দাঁড়ি খুব ঘন ছিল। এক ব্যক্তি বলল: তার চেহারা মুবারক ছিল তলোয়ারের মত? জাবির (রা.) বললেন : না, তাঁর চেহারা মুবারক ছিল সূর্য ও চন্দ্রের মত (উজ্জ্বল) গোলাকার। (মুসলিম) সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব হোসেন

  • সর্বশেষ