শিরোনাম
◈ কলকাতার আনন্দপুরে মোমো গুদামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: উদ্ধার একাধিক দেহাংশ, ২০ শ্রমিক নিখোঁজ ◈ রাজশাহী বিভাগে অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ: শীর্ষে বগুড়া ও রাজশাহী ◈ বাড়িতে চলছে সংস্কারের কাজ, তবে কি দেশে ফিরছেন সাকিব ◈ বিশ্বকাপ ইস্যুতে অবশেষে নীরবতা ভাঙল বিসিসিআই ◈ প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ◈ ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল বাদ, মিরসরাইয়ে অস্ত্র বানাবে বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশি সাংবাদিকদের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করল আইসিসি ◈ বিশ্ববাজারের প্রভাবে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড বৃদ্ধি, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ২৪৯ টাকা ◈ আদানির বিদ্যুৎ চুক্তি: ভারতীয় করপোরেট করের বোঝাও চাপানো হয়েছে বাংলাদেশের ওপর ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ জারি

প্রকাশিত : ০১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৪ সকাল
আপডেট : ০১ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৬:৩৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নবী (সা.) দেখতে যেমন ছিলেন

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ : মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। অপরূপ সৌন্দর্য ও নুরানি করে আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সৃষ্টি করেন। বিভিন্ন সাহাবি বিভিন্নভাবে নবী (সা.) এর শারীরিক সৌন্দর্যের বর্ণনা করেছেন। একজন সাহাবী বর্ণনা করেন, নবী (সা.) ছিলেন মধ্যম আকৃতির পুরুষ; তাঁর উভয় কাঁধের দূরত্ব ছিল অল্প বেশি; চুল ছিল কানের লতি পর্যন্ত দীর্ঘ; আমি তাকে লাল পোশাক পরিহিত অবস্থায় দেখেছি; তাঁর চেয়ে সুন্দর কিছু আমি কখনও দেখিনি। (বুখারী ও মুসলিম)

আরেক সাহাবীর বর্ণনায় নবী (সা.) লম্বাও ছিলেন না, আবার বেঁটেও ছিলেন না; তার দুই হাতের তালু ও দুই পায়ের তলা ছিল মাংসল; মাথা ছিল বড় এবং অস্থিগ্রন্থিগুলো ছিল মোটা; বক্ষদেশ থেকে নাভি পর্যন্ত একটি সরু কেশ রেখা ছিল; যখন তিনি হাটতেন তখন সামনের দিকে ঝুঁকে চলতেন, মনে হত যেন তিনি যমীনের নীচু অংশে অবতরণ করছেন। আমি নবী (সা.) এর পূর্বে ও পরে তার মত(এত অধিক সুন্দর) আর কাউকে দেখিনি। (তিরমিযী)

নবী (সা.) এর চেহারা পূর্ণিমার রাতের চাঁদের স্নিগ্ধ আলোর ন্যায় ঝলমল করত; তিনি মধ্যম আকৃতির চেয়ে দীর্ঘদেহী এবং অতিশয় দীর্ঘকায় ব্যক্তির চেয়ে খানিকটা খর্বকায় ছিলেন; তার মাথা (তুলনামূলক) বড় এবং কেশরাজি কিছুটা কোঁকড়ানো ছিল; সহসা সিঁথি করা গেলে সিঁথি করতেন, নতুবা সিঁথি করতেন না; তার ললাটের উভয় পার্শ্ব প্রশস্ততর ছিল; তার ভ্রƒযুগল বিমুক্ত বৃত্তাংশের ন্যায় বাঁকা, খুব সূক্ষ্ম ঘন চুল বিশিষ্ট ছিল; আর ঐ ভ্রƒযুগলের মাঝে এমন একটি শিরা ছিল, যা রাগের সময় (অধিক রক্ত সঞ্চারিত হওয়ার ফলে) ভেসে উঠত (প্রকাশ পেত); তার নাসিকা সুদীর্ঘ ও অগ্রভাগ সরু ছিল; তার নাসিকায় এমন নূর (জ্যোতি) ছিল, যা নাকের উপর বিকীর্ণ হত; তার দাঁড়ি ছিল বিস্তীর্ণ ও খুব ঘন; মুখম-ল প্রশস্ত ছিল; সম্মুখের উপরের পাটির দুটি দাঁত ও নীচের পাটির দু’টি দাঁত আলাদা ছিলÑ মিলিত ছিল না; তার গ্রীবা যেন মোতির গ্রীবা কিন্তু তার শুভ্রতা রৌপ্যের ন্যায়; তার দেহের গঠন ছিল সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং মাংসপেশী ছিল সূদৃঢ় মজবুত; তার পেট ও বক্ষ ছিল (উচ্চতায়) সমান এবং বক্ষ ছিল প্রশস্ত। (তিরমিযি)

নবী (সা.) এর চুল ও দাঁড়ির সম্মুখভাগ সাদা হয়ে গিয়েছিল। যখন তিনি তেল দিতেন, তখন (সাদা চুল) দেখা যেত না; আর যখন চুল এলোমেলো হত, তখন (শুভ্রতা) দেখা যেত। তার দাঁড়ি খুব ঘন ছিল। এক ব্যক্তি বলল: তার চেহারা মুবারক ছিল তলোয়ারের মত? জাবির (রা.) বললেন : না, তাঁর চেহারা মুবারক ছিল সূর্য ও চন্দ্রের মত (উজ্জ্বল) গোলাকার। (মুসলিম) সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব হোসেন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়