শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরকে ফেরত পাঠানো হলো বিমানবন্দর থেকে ◈ গুলশানের হোটেল ওয়েস্টিনে মার্কিন নাগরিকের লাশ ◈ খুলনায় রূপসা সেতুর নিচ থেকে সাংবাদিকের লাশ উদ্ধার ◈ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ ◈ বাকৃবি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা, সোমবার সকাল ৯ টার মধ্যে ছাড়তে হবে হল ◈ প্রেসক্রিপশনের ছবি তোলা নিয়ে কথা বলায় জামায়াত নেতার উপর ক্ষেপলেন চিকিৎসক (ভিডিও) ◈ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে নতুন বিধিমালা: নারী কোটা বাতিল ◈ প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক: গণপরিষদ নির্বাচনের দাবি, জাতীয় পার্টির কার্যক্রম নিষিদ্ধের পক্ষে এনসিপি ◈ নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে, বিএনপিকে আশ্বাস প্রধান উপদেষ্টার ◈ ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন, স্পষ্ট বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ২৪ জুন, ২০২৫, ১২:০০ দুপুর
আপডেট : ৩১ আগস্ট, ২০২৫, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মার'ধরের অভিযোগে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া মেয়ের মামলা (ভিডিও)

মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলা করেছেন ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ুয়া উনিশ বছরের এক তরুণী। রোববার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এমএ আজহারুল ইসলামের আদালতে বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেন ওই তরুণী।

তার নাম মেহরীন আহমেদ। এসময় নিজের সুরক্ষা চেয়েও আদালতে আবেদন করেন তিনি।পরে বিচারক বাদির জবানবন্দি রেকর্ড করে তার মা জান্নাতুল ফেরদৌস ও বাবা নাসির আহমেদকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। তরুণীর বাবা নাসির আহমেদ এ্যাটোমিক এনার্জি কমিশনের পরিচালক ও মা জান্নাতুল ফেরদৌস বেক্সিমকো গ্রুপের ম্যানেজার বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে তার আইনজীবী ইসফাকুর রহমান গালিব বলেন, বাদি নিজের সুরক্ষা চেয়ে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও সুরক্ষা আইন অনুযায়ী আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত তার জবানবন্দি গ্রহণ করে মা-বাবাকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন।

মামলার বাদি মেহরীন আহমেদ বলেন, আমার মা ও বাবা আমাকে নির্যাতন করে। আমি সুন্দর একটা জীবন চাই। জাস্টিস পেতেই আদালতে এসেছি।মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ২৫ মে সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার বাসায় বাদি মেহরীন আহমেদকে তার মা জান্নাতুল ফেরদৌস ও বাবা নাসির আহমেদ শারীরিকভাবে আঘাত করেন। এসময় অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন এবং নিলাফুলা জখম করেন।

বাদি একজন প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও তারা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, অপমান ও নির্যাতন করে যাচ্ছেন। তারা প্রতিনিয়ত পরিবারের নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র ব্যবহারে বাধা প্রদান করেন।পারিবারিক সম্পর্কের কারণে যে সব সম্পদ বা সুযোগ সুবিধাদি ব্যবহারের অধিকার রয়েছে, তা থেকে তাকে বঞ্চিত করেন এবং বৈধ অধিকার প্রয়োগে বাধা প্রদান করেন। তারা মৌখিক নির্যাতন, অপমান, অবজ্ঞা, ভীতি প্রদর্শন, অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে তাকে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন। তারা শারীরিকভাবে তাকে আঘাত করে শারীরিক নির্যাতন করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়