শিরোনাম
◈ বিদেশযাত্রার শেষ ধাপে কেন আটকে যাচ্ছেন বাংলাদেশিরা? সামনে এলো যেসব কারণ ◈ মারা গে‌লেন ইন্টার মিলান ও ইতালির কিংবদন্তি সান্দ্রো মাজ্জোলা  ◈ দল পুনর্গঠনে দেশজুড়ে তৎপর বিএনপি ◈ যেসব সরকারি চাকরিজীবী পাবেন না পে স্কেলের সুবিধা ◈ মুন্সীগঞ্জে বাস-প্রাইভেট কার মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৪ ◈ হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,০২০ ◈ মুঠোফোনের সর্বশেষ অবস্থান ধরে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার, সন্দেহভাজন তরুণ আটক ◈ স্ত্রী-দেড় বছরের সন্তানকে হত্যার পর প্রবাসী স্বামীর আত্মহত্যার অভিযোগ ◈ নতুন পে-স্কেলে বাড়িভাড়া-চিকিৎসা-শিক্ষা ভাতায় বড় পরিবর্তন ◈ প্রধানমন্ত্রীর লাল টেলিফোনের তার চুরি, যা বেরিয়ে এলো তদন্তে

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৭:০৮ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পা‌কিস্তা‌নের ‌ব‌্যাটার মোহম্মদ ফারুক ভে‌ঙে দি‌লেন ৫৯ বছরের রেকর্ড 

স্পোর্টস ডেস্ক : ছক্কা মারার এক অসাধারণ প্রদর্শনী দেখা গে‌লো পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট অভিষেকের সময় রাজাউল্লাহর নয়টি ছক্কা মারার ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই মোহাম্মদ ফারুক আরও বড় কিছু করে দেখালেন। হ্যাঁ, রাজাউল্লাহর মতো এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ঘটেনি ঠিকই, তবে এখানেও দেখা গেছে অসাধারণ পাওয়ার-হিটিং বা বিধ্বংসী ব্যাটিং।

রাওয়ালপিন্ডির শোয়েব আখতার ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘প্রেসিডেন্টস ট্রফি গ্রেড ওয়ান’-এর ম্যাচে খান রিসার্চ ল্যাবরেটরিজের বিপক্ষে ‘মার্কর আইটি সলিউশনস’-এর ২৩ বছর বয়সী ওপেনার ফারুক মাত্র ৯৯ বলে ১৬৩ রানের এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন, যেখানে তিনি ১৪টি ছক্কা মারেন। -- বিডিপ্রতি‌দিন

advertisement

ফারুক ১১টি চারও মারেন এবং মাত্র ৬৭ বলে নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। তবে সেই ১৪টি ছক্কাই ইতিহাস গড়েছে।

ফার্স্ট-ক্লাস ক্রিকেটের কোনো এক ইনিংসে পাকিস্তানি ব্যাটারের সর্বোচ্চ ছক্কা মারার ক্ষেত্রে ফারুক পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মজিদ খানের দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। মজিদ ১৯৬৭ সালে সোয়ানসিতে গ্ল্যামারগনের বিপক্ষে অপরাজিত ১৪৭ রানের ইনিংসে ১৩টি ছক্কা মেরেছিলেন।

advertisement

৫৯ বছর ধরে টিকে ছিল সেই রেকর্ড 

পাকিস্তানের মাটিতে খেলা কোনো ফার্স্ট-ক্লাস ইনিংসে সর্বোচ্চ ছক্কার আগের রেকর্ডটিও ফারুক টপকে গেছেন। ১৯৭৬-৭৭ মৌসুমে লাহোরে পাকিস্তান ইউনিভার্সিটির বিপক্ষে রেলওয়েজের হয়ে ২০৭ রান করার সময় গুলফরাজ খান ১২টি ছক্কা মেরেছিলেন। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে শেখুপুরায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বিখ্যাত অপরাজিত ২৫৭ রানের ইনিংসে ওয়াসিম আকরামও ১২টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। আর ফারুক নিঃসন্দেহে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন।

advertisement

এই ১৬৩ রানের ইনিংসটি ছিল টানা দুই ম্যাচে তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। প্রতিযোগিতার প্রথম রাউন্ডে তিনি কিংসম্যান একাডেমির বিপক্ষে অপরাজিত ১০৭ রান করেছিলেন। ফারুকের এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সুবাদে দিনের খেলা শেষে ‘এমআইটি সলিউশনস’ ৪ উইকেটে ৪৭৬ রান সংগ্রহ করে। যেখানে আতিক-উর-রেহমান ১৪২ এবং সালমান খান জুনিয়র অপরাজিত ১০৬ রান করেন।
পাকিস্তানের ক্রিকেট ভক্তদের কাছে তিনি পুরোপুরি অপরিচিত নন।

তিনি পিএসএল-এ লাহোর কালান্দার্সের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন, সেখানে রাওয়ালপিন্ডিজের বিপক্ষে ৪১ বলে ৬৩ রানের (পাঁচটি ছক্কা সহ) ইনিংসটি ছিল তার সেরা পারফরম্যান্স। ৯৯ বলে ১৪টি ছক্কা আর এর মাধ্যমেই ১৯৬৭ সাল থেকে টিকে থাকা পাকিস্তানের ফার্স্ট-ক্লাস ক্রিকেটের একটি রেকর্ড ভেঙে গেল।