স্পোর্টস ডেস্ক : বাহাত্তর ঘণ্টা আগে নিজের ১৫তম জন্মদিন পালন করেছেন বৈভব সূর্যবংশী। তখন থেকেই আলোচনা শুরু হয়, এখনই চাইলে ভারতের জাতীয় দলে নামানো যাবে বাঁহাতি ব্যাটারকে। আর এত অল্প বয়সে কেনো এই আলোচনা, সেটি আইপিএলের প্রথম ম্যাচেই বুঝিয়ে দিলেন রাজস্থান রয়্যালস ওপেনার।
গুয়াহাটির বর্ষাপাড়া স্টেডিয়ামে সোমবার রাতের ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বোলারদের রীতিমতো কচুকাটা করেছেন সূর্যবংশী। বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে মাত্র ১৫ বলে ফিফটি করেছেন ১৫ বছর বয়সী এই ওপেনার। তার তাণ্ডবে ৮ উইকেটের সহজ জয় পেয়েছে রাজস্থান।
ব্যাটিং ব্যর্থতার ম্যাচে আগে ব্যাট করে মাত্র ১২৭ রানে গুটিয়ে যায় চেন্নাই। জবাবে ১২.১ ওভারে ম্যাচ জিতে নেয় আইপিএলের প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়নরা।
রান তাড়ায় মুখোমুখি প্রথম বলে জীবন পান সূর্যবংশী। পরের বলেই ছক্কা মেরে চেন্নাইয়ের হতাশা আরও বাড়িয়ে দেন রাজস্থানের ওপেনার। এরপর একই ছন্দে এগিয়ে পাওয়ার প্লের ভেতরেই মাত্র ১৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন বাঁহাতি এই কিশোর।
আইপিএলে রাজস্থানের হয়ে এটি দ্বিতীয় দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। ২০২৩ সালে ১৩ বলে ফিফটি করে দ্রুততম ফিফটির মালিক সূর্যবংশীর উদ্বোধনী সঙ্গী যশস্বী জয়সওয়াল। সূর্যবংশীর তাণ্ডবে পাওয়ার প্লেতেই ৭৪ রান করে ফেলে রাজস্থান।
সপ্তম ওভারে থামে সূর্যবংশীর ইনিংস। ড্রেসিং রুমে ফেরার আগে ৪ চার ও ৫ ছক্কায় ১৭ বলে ৫২ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলেন ১৫ বছর বয়সী ব্যাটার।
পরে ৯ বলে ১৮ রান করে আউট হন ধ্রুব জুরেল। এরপর আর উইকেট পড়তে দেননি জয়সওয়াল ও রিয়ান পরাগ। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন জয়সওয়াল। পরাগের ব্যাট থেকে আসে ১৪ রান।
চেন্নাইয়ের পক্ষে ২টি উইকেটই নেন আনশুল কাম্বোজ।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে একদমই সুবিধা করতে পারেনি চেন্নাই। পাওয়ার প্লের মধ্যে মাত্র ৩৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। সেখান থেকে নিয়মিত উইকেট হারিয়ে ৮২ রানে ৮ ব্যাটার ড্রেসিং রুমে ফিরলে একশর আগে গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
আট নম্বরে নেমে ৩৬ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলে দলকে একশ পার করান জেমি ওভারটন। দশম উইকেটে কাম্বোজের সঙ্গে তিনি গড়েন ৩৩ রানের জুটি। রাজস্থানের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন জফ্রা আর্চার, নান্দ্রে বার্গার ও রবীন্দ্র জাদেজা।