সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে ১৪৫ রানের লক্ষ্য পাওয়ার পরও রংপুর রাইডার্সের জন্য ম্যাচটি কিছুটা কঠিন হয়ে উঠছিল। শেষ ৩০ বলে তাদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪৯, রংপুর হারিয়ে ফেলেছিল ৪টি উইকেটও। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ক্যামিও ইনিংসে এই লক্ষ্য পূরণ হয় পরের ২৩ বলে, ৭ বল হাতে রেখে।
১৫তম ওভারে কাইল মেয়ার্স (২৯ বলে ৩১) বিদায় নেওয়ার পর রংপুর আর উইকেট হারায়নি। তাদের জয়টি ৬ উইকেটে। ১৫তম ওভারে আসে ১৩ রান, পরের ওভারে রিয়াদের ব্যাট থেকে ১৮-সহ আসে ১৯ রান। ১৬ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। মাহমুদউল্লাহ ইনিংস সাজান ৫ চার ও এক ছয়ে। তাকে ভালো সঙ্গ দেন খুশদিশ শাহও। পাকিস্তানি ব্যাটার ১১ বলে করেন ১৯ রান।
রংপুরের জয়ের পথটা সুগম করে দিয়ে যান লিটন কুমার দাস। ২৫ বলে তিনি খেলেন ৩৫ রানের ইনিংস। দাওভিদ মালান ২১ বলে করেন ১৯। সিলেটের হয়ে সাইম আয়ুব, খালেদ আহমেদ, নামুম আহমেদ ও ইথান ব্রুকস একটি করে উইকেট নেন।
এই জয়ে টেবিলের তিনে উঠে এল রংপুর। ৩ ম্যাচ তাদের পয়েন্ট ৪। দুইয়ে থাকা চট্টগ্রাম রয়্যালস ও চারে থাকা সিলেটের পয়েন্টও ৪ করে। ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
এর আগে রংপুর সিলেটকে থামিয়ে দেয় ১৪৪ রানে। পাওয়ার প্লের মধ্যেই ৩ উইকেট তুলে নেয় তারা। দুই ওপেনার সাইম আয়ুব ও রনি তালুকদার আউট হন ভালো শুরুর পর। তিন নম্বরে নামা মেহেদী হাসান মিরাজ ৬ বলে করতে পারেন মাত্র ৪। সাইমকে আলি আল ইসলাম, মিরাজকে মোস্তাফিজুর ও রনি তালুকদারকে শিকার করেন ফাহিম আশরাফ।
দলীয় ৬৩ রানের মাথায় পারভেজ হোসেন ইমন বোল্ড হন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর ওভারে। ১৯ বলে এই ব্যাটার করেন ১৫ রান। এরপর আফিফ হোসেন ও ইথান ব্রুকসের ব্যাটে সিলেট সেই ধাক্কা সামলে উঠতে চেষ্টা করে। ৬৬ রানের জুটি গড়লেও সিলেটকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিতে পারেননি তারা। আফিফ ৩১ বলে ৪৬ রান করে মোস্তাফিজুরের বলে দাওভিদ মালানকে ক্যাচ দেন। তিনি ইনিংস সাজান ৪ চার ও এক ছয়ের মারে।
আগের ম্যাচে ২৪ বলে ৫০ রান করা আজমতউল্লাহ ওমরজাই আজ নেমেছিলেন ৭ নম্বরে। আজ হার তাণ্ডব চালাতে পারেননি তিনি। ৪ বলে ৬ করে ফাহিম আশরাফের ভেসে উঠা বলে উইকেটকিপারকে ক্যাচ দেন। ফিজ ও ফাহিম দুজনই নেন ৩টি করে উইকেট।