শিরোনাম
◈ জাপা‌নের ভা‌র্ডিকে হারিয়ে এশিয়ার সেরা উত্তর কো‌রিয়ার ক্লাব! কিমের সঙ্গে নাচলেন ফুটবলাররা ◈ কারামুক্ত আইভীর বাড়ির সামনে সিসি ক্যামেরা, নজরদারিতে পুলিশ ◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:০৭ দুপুর
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

পিএসজিতে দুই মওসুম কাটা‌লেও মোটেও উপভোগ করেননি মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক : লা মাসিয়ায় বেড়ে ওঠা লিওনেল মেসি এক সময়ে বার্সেলোনার প্রাণভোমরা হয়ে ওঠেন। কাতালান ক্লাবের হয়ে ১০টি লা লিগা, কোপা দেল রে ও চ্যাম্পিয়নস লিগ—সবই জেতা হয়েছে তাঁর। বার্সার ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতাও (৬৭২) মেসি।

২০২১ সালে ১৭ বছরের বার্সা ক্যারিয়ার ইতি টানেন মেসি। এরপর যোগ দেন ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই-তে। সেখানে লিগ ওয়ান শিরোপা ছাড়া তেমন কোনো অর্জন ছিল না আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী তারকার। তার চেয়েও বড়, প্যারিসে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারেননি তিনি। ---- টি- স্পোর্টস

বুধবার মেসির হাতে মায়ামি শহরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। আমেরিকা বিজনেস ফোরামের সেই সম্মাননা অনুষ্ঠানে মেসি জানালেন তাঁর প্যারিস ও যুক্তরাষ্ট্রের মেজর সকার লিগে যাত্রার ইতিবৃত্ত।

মেসি বলেন, “সত্যি বলতে, প্রথমবার প্যারিসে যাওয়া খুব কঠিন ছিল। সারাজীবন বার্সেলোনাতেই ছিলাম; পরিবার, সন্তান, সবকিছুই সেখানে। আমি তো ১৩ বছর বয়সে সেখানে গিয়েছিলাম। কল্পনা করুন, আমার পুরো জীবনটাই ওখানেই কেটেছে।

অথচ সব বিসর্জন দিয়ে একটা সময় বার্সেলোনা থেকে পিএসজিতে পাড়ি দিতে হয় মেসিকে। সেখানে তিনি দুই মৌসুমের বেশি থাকতে পারেননি। সবশেষ মায়ামিতে পাড়ি দেন মেসি।

আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড জানান, মায়ামিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল তাঁর পরিবারের। তিনি বলেন, “এটা আমার পরিবারের সিদ্ধান্ত। আমরা চিন্তা করছিলাম কোথায় গেলে আমাদের জন্য সহজ হবে। সর্বশেষে ইন্টার মায়ামিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

মেসি আরও বলেন, “আর মায়ামিতে পৌঁছানোর পর, সবকিছু অসাধারণ ছিল। এই শহরে প্রথমবার থাকা সত্যিই অবিশ্বাস্য। আর সবকিছুই মানুষের আচরণের কারণে আরও বিশেষ—প্রথম দিন থেকেই সবাই যেভাবে আচরণ করেছে, সেটা দারুণ ছিল। আজও তা একইরকম অভ্যর্থনার উদাহরণ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়