শিরোনাম
◈ সরকারের কাছে 'আট দফা দাবি' কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ◈ শুক্রবারের সহিংসতায় ঢাকায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ জনে ◈ এটা অবশ্যই কারফিউ, এটা নিয়ম অনুযায়ীই হবে এবং সেটা শুট অ্যাট সাইট হবে: ওবায়দুল কাদের ◈ কারফিউ’র পরিপত্র জারি ◈ কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা কোটা আন্দোলনকারীদের ◈ ওবায়দুল কাদের কারফিউ জারি প্রসঙ্গে যা বললেন ◈ সারা দেশে কারফিউ জারি, সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ◈ নরসিংদীর কারাগারে হামলার পর বের হয়ে গেছে কয়েকশ কয়েদি ◈ বাংলাদেশে সহিংসতা ও মৃত্যুর ঘটনায় জাতিসংঘের উদ্বেগ ◈ রাজধানীর উত্তরা, মোহাম্মদপুর, বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৩, ০৫:৩৪ বিকাল
আপডেট : ২৭ মার্চ, ২০২৩, ০৫:৩৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘স্বাধীনতার পর রাজাকারদের প্রতিষ্ঠিত করেছে জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া’

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী

আনিস তপন: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির অধিকারের জন্য মানুষকে একত্রিত করে স্বাধীন স্বার্বভৌম একটি দেশ দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু একটি সুখি, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন। যেখানে স্বাধীনতার সুখ থাকবে এবং স্বাধীনতার সুখ প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গববন্ধু সাড়ে তিন বছরে দেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। ঠিক তখনি শুরু হয় ষড়যন্ত্র ।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নোবেল বিজয়ীদের মন্তব্য ছিল-বাংলাদেশ একটি ডেথ কেস। বাংলাদেশের কোন সম্ভাবনা নাই। বাংলাদেশের দিকে তাকিওনা, বরঞ্চ অন্য দেশের দিকে তাকাও, যাদের সম্ভাবনা আছে। সামাজিক সংস্থাগুলোকে আহবান জানানো হয়েছিল বাংলাদেশের দিকে না তাকাতে।’ এসব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বঙ্গবন্ধু মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে দরিদ্র রাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশে উত্তীর্ণ  করেন। তখনি বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়।

সোমবার ঢাকায় মতিঝিলের বিআইডব্লিউটিএ অফিসে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘'জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন' শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে একথা বলেন, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, আমরা স্বাধীনতার স্বাদ পাইনি। স্বাধীনার সুখ পাইনি। তারপরও যখনই বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করেছি তখনি আমাদের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও মানবাধিকার নিয়ে কথা হচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করা হচ্ছে। 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু অস্থায়ী সরকারের (প্রথম সরকার) রাষ্ট্রপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এ সরকারের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। সেক্টর কমান্ডাররা এ সরকারের অধীনে যুদ্ধ পরিচালনা করেছে। এগুলো নির্ধারিত বিষয়। এগুলো নিয়ে কোন বির্তক নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বাধিকার, মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব নিয়ে কোন বির্তক চলবেনা। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেই পাকিস্তানিরা তাকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছিল। এই জায়গাটায় যারা বির্তক করতে চায় তাদের সাথে কোন আপোষ নাই।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল বলেই আপামর বাঙ্গালি জাতি বেনিফিসিয়ারি হয়েছিল। আমরা একটি জাতিস্বত্তার পরিচয় পেয়েছিলাম। পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর বেনিফিসিয়ারি হয়েছিল স্বাধীনতা বিরোধি, রাজাকার আলবদর-আলশামসরা। আজকে জাতীয় রাজনীতিতে বক্তব্য দেন মির্জা ফখরুলরা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যা না করলে এসব পরিবারের জাতীয় পর্যায়ে আসার কোন সুযোগ ছিলনা। জাতীয় পর্যায়ে আসতো মুক্তিযোদ্ধারা। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা।  

মুক্তিযোদ্ধাদের পিছনে ফেলে দিয়ে রাজাকারদের প্রতিষ্ঠিত করেছে জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া। সেই জায়গায় বাংলাদেশ আর কখনো ফিরে যাবেনা। কারণ নতুন প্রজন্ম এখন বাংলাদেশের মূল ইতিহাস জানতে পেরেছে। তারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নাটক, চলচ্চিত্র নির্মাণ করছে, মুক্তিযুদ্ধের শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। পিছিয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নাই।

এটি/এসএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়