শিরোনাম
◈ কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা রহস্যজনক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক ৫ ◈ রাশিয়া যা পারল না তা করে দেখাল চিন: তাইঝৌ ডেস্ট্রয়ারের পুনর্জন্ম, মিনিটে ছুড়বে ৩০ ক্ষেপণাস্ত্র ◈ “চীনের বিজ্ঞানীদের নতুন আবিষ্কার: সমুদ্র থেকে ইউরেনিয়াম শিকারে ‘প্রিডেটর’ ম্যাটেরিয়াল” ◈ বিএনপি ছেড়ে নেতাদের স্রোত, দুই মাসেই চাপে সরকার, রাজপথে সক্রিয় বিরোধীরা ◈ জামিন পেলেন খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার আসামি নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা লাভলু ◈ গত ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সেই আরাম এখন আর হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ এবার রাজশাহীর সরকারি কলেজের জুতাপেটার ঘটনায় সেই নারী শিক্ষক বরখাস্ত ◈ প্রণোদনার ওপর কর প্রত্যাহারের দাবি বিটিএমএ’র ◈ ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতি মুক্ত রাখার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আ‌মিনুল হ‌কের ◈ ৮০ লাখ ব্যক্তি রিটার্ন দেয়নি, তালিকা করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নোটিশ যাবে

প্রকাশিত : ২৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৪৫ বিকাল
আপডেট : ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘আপনাদের মিউজিয়ামে রাখলে টিকিট কেটে মানুষ দেখতে আসতো’ : ছাত্রদলকে সালাহউদ্দিন আম্মার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদ (রাকসু)-র সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের ছাত্রত্ব ও ক্যাম্পাসে দীর্ঘ অবস্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির নেতাদের শিক্ষাবর্ষের সাথে নিজের শৈশব ও শিক্ষা জীবনের তুলনা করে কটাক্ষ করেন।

সালাহউদ্দিন আম্মার তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ২০০৬-০৭ সেশনের শিক্ষার্থী। সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘আপনার সংগঠনের সভাপতি যখন ২০০৬-০৭ সেশনের, তখন আমি মক্তবে হাফ প্যান্ট পরে আলিফ-বা-তা শিখতেছি।’

একইভাবে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ২০০৭-০৮ সেশনের হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই সময়ে তিনি দুনিয়ার সব চিন্তা বাদ দিয়ে স্কুলের টিফিনে বিস্কুট পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের শিক্ষাবর্ষ নিয়েও মন্তব্য করেন রাকসু জিএস। তিনি জানান, যখন ঢাবি শাখার সভাপতি ২০১০-১১ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন, তখন তিনি মাত্র তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তেন। আর ২০১১-১২ সেশনের সাধারণ সম্পাদকের সময় তিনি কেবল প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।

নিজের শিক্ষা জীবনের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, এরপর তিনি একে একে অষ্টম শ্রেণি ও দশম শ্রেণির গণ্ডি পার হয়েছেন। মাঝে করোনার কারণে জীবন কিছুটা থমকে গেলেও আলিম পরীক্ষা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তার শিক্ষা জীবন প্রায় শেষের দিকে। নিজের এই পরিক্রমাকে তিনি জীবনের একটি ‘ফুল ভার্সন আপডেট’ হিসেবে অভিহিত করেন।

ছাত্রদল নেতাদের বর্তমান অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘আমি শৈশব থেকে কৈশোর, কৈশোর থেকে তারুণ্য, তারুণ্য থেকে প্রায় ক্যারিয়ারের দরজায়। পুরা লাইফের একটা ফুল ভার্সন আপডেট দিয়ে ফেললাম। আর ওনারা? স্টিল রানিং অন দ্য সেম ওল্ড বেটা ভার্সন ইন ক্যাম্পাস!’

আগামী দেড় বছরের মধ্যে নিজের ক্যাম্পাস জীবন শেষ হবে জানিয়ে রাকসু জিএস আরও বলেন, ‘আমি ইনশাআল্লাহ এক-দেড় বছরের মধ্যে ক্যাম্পাস ছাড়বো আর ওনারা তখনো নতুন ব্যাচকে বলবেন, “আমরা তোদের সিনিয়র… আমাদের সময়…”।’

ছাত্রদলের নেতাদের ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত দীর্ঘ সময় অবস্থানকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ভাই! আপনারা সিনিয়র না, আপনারা তো ক্যাম্পাসের “ঐতিহ্য” হয়ে গেছেন! মিউজিয়ামে রাখলে টিকিট কেটে মানুষ দেখতে আসতো!’

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়