শিরোনাম
◈ নির্বাচনী হলফনামায় এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা আলমের ৩১ লাখ টাকার সম্পদ ও ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার আছে ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই ইরানের : ইসমাইল বাঘাই ◈ নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে এক জনের মরদেহ উদ্ধার করল যুক্তরাষ্ট্র পুলিশ ◈ আকাশপথে শক্ত অবস্থান গড়তে বিমানের মহাপরিকল্পনা: বহরে ৪৭ উড়োজাহাজ, যুক্ত হচ্ছে নতুন গন্তব্য ◈ বিদ্যুৎ-গ্যাস ঘাটতিতে থমকে যাচ্ছে শিল্প উৎপাদন, চাপ বাড়ছে অর্থনীতিতে ◈ রামেক হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর রেকর্ড: তিন মাসে ৮৭১ জনের প্রাণহানি ◈ আমি আগে কইছিলাম, গরিবের কেউ নেই, অহন দেখি বিচার অইবো, দেখার অপেক্ষায় আছি: তনুর বাবা ◈ যুক্তরাষ্ট্রে দুই শিক্ষার্থী নিখোঁজের ঘটনায় সন্দেহভাজন একজন গ্রেপ্তার: ওয়াশিংটন ডিসি দূতাবাসের বিবৃতি ◈ যুক্তরা‌স্ট্রে বিশ্বকাপ ভ্রমণ সতর্কতা জা‌রি ক‌রে‌ছে অ্যামনেস্টি ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো ◈ রাজশাহীতে শিক্ষিকা বনাম বিএনপি নেতার কাণ্ড নেপথ্যের ঘটনা নিয়ে যা জানাগেল

প্রকাশিত : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০২:১৯ রাত
আপডেট : ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নির্বাচনী হলফনামায় চমক: বিপুল সম্পদের মালিক নিপুণ রায়

১৩তম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া নিপুণ রায় চৌধুরীর দাখিল করা হলফনামা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে আলোচনা। হলফনামায় তাঁর নিজের এবং স্বামীর নামে বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের তথ্য উঠে এসেছে। বিশেষ করে তার স্বর্ণালঙ্কারের পরিমাণ ও ব্যাংকিং সম্পদের বিবরণ নজর কেড়েছে।

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, নিপুণ রায় চৌধুরীর ব্যক্তিগত মালিকানায় রয়েছে ৫০২ ভরি সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর গয়না। এর পাশাপাশি তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে রয়েছে আরও ১০০ ভরি গয়না। অর্থাৎ, এই দম্পতির কাছে মোট ৬০২ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে।

হলফনামায় এসব গয়নার অর্জনকালীন মূল্য অজানা উল্লেখ করা হয়েছে এবং এগুলো উপহার হিসেবে প্রাপ্ত বলে জানানো হয়েছে।

পেশায় আইনজীবী নিপুণ রায় চৌধুরীর বার্ষিক আয়ের প্রধান উৎস হলো তার পেশাগত কাজ এবং বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ। হলফনামা অনুযায়ী, তিনি পেশাগত কাজ থেকে বছরে ২৬ লাখ টাকা আয় করেন এবং শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে তার আরও প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা আয় হয়। ব্যাংকিং সম্পদের হিসেবে তার নামে ১ কোটি ১৩ লাখ ২১ হাজার টাকার স্থায়ী আমানত রয়েছে। এছাড়া তার নিজের নামে থাকা দুটি গাড়ির ক্রয়মূল্য ১ কোটি ১১ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে তার নিজের অস্থাবর সম্পদের বর্তমান মূল্য প্রায় ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা দেখানো হয়েছে। অন্যদিকে, তার স্বামী অমিতাভ রায়ের নামে থাকা অস্থাবর সম্পদের মূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকারও বেশি।

স্থাবর সম্পদের হিসেবে নিপুণ রায় ৮৫ লাখ ২০ হাজার টাকা দিয়ে কেনা একটি ফ্ল্যাটের কথা উল্লেখ করেছেন, যদিও হলফনামায় ফ্ল্যাটটির সঠিক অবস্থান স্পষ্ট করা হয়নি। সম্পদের পাশাপাশি ঋণের তথ্যও উঠে এসেছে। নিপুণ রায়ের নামে ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার ব্যাংকঋণ ও ব্যক্তিগত দায় রয়েছে। নগদ অর্থের হিসেবে স্বামী ও স্ত্রী মিলিয়ে তাদের কাছে মোট ৭৬ লাখ টাকা রয়েছে, যার মধ্যে ১৩ লাখ ২৯ হাজার টাকা নিপুণ রায়ের নিজের নামে আছে।

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করা নিপুণ রায় চৌধুরী রাজনৈতিক পরিবার থেকেই উঠে এসেছেন। তিনি সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর মেয়ে এবং বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ। একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিপুণ রায় চৌধুরীর এই সম্পদের বিবরণ এখন নির্বাচনী মাঠের অন্যতম আলোচনার বিষয়। উৎস: ইত্তেফাক।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়