শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা ◈ ‘পছন্দ না হলে মাজারে নাও আসতে পারেন, আঘাত-ভাঙচুর গ্রহণযোগ্য নয়’ ◈ জনসভা ছাড়িয়ে নিউজফিড: কেন সামাজিক মাধ্যমই এবারের নির্বাচনের মূল ময়দান ◈ উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী বানাতে চাই, বেকারত্ব দূর করবো: ডা. শফিকুর রহমান ◈ বিএনপি চাইলে ঢাকা শহরে জামায়াতের কোনো প্রার্থীই রাস্তায় নামতে পারবে না: ইশরাক হোসেন ◈ সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ইসির ◈ এক সপ্তাহে যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেফতার ২৭৮, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার ◈ নতুন পে-স্কেল, রাজস্ব ঘাটতি ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি: পরবর্তী সরকার আর্থিক চাপে পড়বে ◈ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ আইসিসিকে ফের চিঠি বিসিবির, নিরপেক্ষ কমিটিতে দাবি পাঠানোর অনু‌রোধ

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ১১:২৭ দুপুর
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : মহসিন কবির

বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে দুশ্চিন্তায় জোট শরিকরা

মহসিন কবির: বিএনপির সিদ্ধান্তের বাইরে গিলে নির্বাচন করছেন অনেকে। এজন্য দলের অনেক নেতাকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায়নি। ফলে এসব প্রার্থীরা দুশ্চিন্তায় ফেলেছে জোট শরিক প্রার্থীদের।

ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে প্রার্থী করেছে বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট। অন্যদিকে, এ আসনে বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রমের অভিযোগে গত ৩০ ডিসেম্বর তাঁকে বিএনপির সব ধরনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে বিএনপির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহসম্পাদক রুমিন ফারহানাও প্রার্থী হয়েছেন। এ আসনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবীবকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। সেখানে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দাঁড়িয়েছেন রুমিন ফারহানা। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রার্থী হওয়ায় তাঁকেও বহিষ্কার করা হয়েছে।

পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য এবং ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি। এ আসনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে সমর্থন দিয়ে বিএনপি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দলের নির্দেশনা অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় হাসান মামুনকে বহিষ্কার করা হয়।

ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। তিনি ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করার জন্য গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বিএনপিতে যোগ দেন। সাইফুল ইসলাম ফিরোজ দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় তাঁকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

সিলেট-৫ আসনে জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদও প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। এ আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুককে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। মামুনুর রশিদকে ইতিমধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনও বিএনপি মিত্র দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসেন কাসেমীকে ছেড়ে দিয়েছে। এখানে বিএনপির দুজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী। তাঁরা হলেন বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে প্রার্থী হওয়ায় এই দুজনকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।

যশোর-৫ আসনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ মো. ইকবাল হোসেন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। এ আসনও বাংলাদেশ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের নেতা মুফতি রশীদ বিন ওয়াক্কাছকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি।

বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন সৈয়দ এহসানুল হুদা। তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে। এখানে কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলার সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল প্রার্থী হয়েছেন। তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম শরিক দল নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাকে একটি আসন ছাড়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় বিএনপি। তবে রাজধানী ঢাকায় নাকি বগুড়ায়-সেটি এখনো অমীমাংসিত রয়ে গেছে। ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২ আসনে তাঁর প্রার্থিতা রয়েছে। দুটিতেই বিএনপির প্রার্থীও রয়েছে। ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে ও বগুড়া-২ আসনে বিএনপির নেতা মীর শাহে আলমকে মনোনয়ন দিয়েছে। তারা দুজনেই নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়