ইসলামী আন্দোলনকে বাদ রেখেই ১১ দলীয় জোটের আসন চূড়ান্ত করা হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের ১০ দলের আসন ঘোষণা করা হয়েছে। দুটি দল উপস্থিত থাকলেও তাদের আসন ঘোষণা করা হয়নি।
আটটি দলের ২৫৩টি আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি আসনে নির্বাচন করছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে শরিক দলগুলোর আসন সংখ্যা ঘোষণা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের।
এনসিপির চূড়ান্ত ৩০টি আসনের মধ্যে যে আসনগুলো রয়েছে। সেগুলো হলো- পঞ্চগড়-১ (পঞ্চগড় সদর, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী), দিনাজপুর-৫ (পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী), রংপুর-৪ (পীরগাছা ও কাউনিয়া), কুড়িগ্রাম-২ (কুড়িগ্রাম সদর, ফুলবাড়ী ও রাজারহাট), নাটোর-৩ (সিংড়া), সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর), পিরোজপুর-৩ (মঠবাড়িয়া), টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল), ময়মনসিংহ-১১ (ভালুকা), মুন্সিগঞ্জ-২ (লৌহজং ও টঙ্গিবাড়ী), ঢাকা-৮ (মতিঝিল, রমনা, শাহবাগ, পল্টন ও শাহজাহানপুর), ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা), ঢাকা-১১ (বাড্ডা,
ভাটারা ও রামপুরা), ঢাকা-১৮ (উত্তরা, উত্তরখান, দক্ষিণখান, তুরাগ ও খিলক্ষেত), ঢাকা-১৯ (সাভার), ঢাকা-২০ (ধামরাই), গাজীপুর-২ (সিটি কর্পোরেশনের একাংশ ও সেনানিবাস), নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদর উপজেলার আংশিক), ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ), কুমিল্লা-৪ (দাউদকান্দি), নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক), নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া), লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ), চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও চান্দগাঁও-পাঁচলাইশ এলাকা), বান্দরবান (বান্দরবান পার্বত্য জেলা), নারায়ণগঞ্জ-৪ (সদর উপজেলার আংশিক) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ও বিজয়নগর)।