শিরোনাম
◈ টেকসই কৃষি-সবুজ শিল্পে ঋণ কমেছে, বেড়েছে টেকসই অর্থায়ন ◈ বিদেশে থাকা বাংলাদেশিদের জন্য নতুন নির্দেশনা সরকারের ◈ বন্ধ কারখানার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী যে সুখবর দিলে ◈ সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও বিক্রিতে লাগবে বাবা-মায়ের সম্মতি: আইনমন্ত্রী ◈ শুধুমাত্র তারেক রহমানের মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি, আর কারও মধ্যে পরিবর্তন ঘটেনি: মির্জা ফখরুল(ভিডিও) ◈ অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি, দ্বিতীয়ার্ধে ইউরোপে বাড়ছে ঝুঁকি ◈ জ্বালানি তেলের নতুন দাম নির্ধারণ ◈ শ্রমবাজার খুলতে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার ঐকমত্য, বাদ বিতর্কিত এজেন্সি ◈ ৮৬ ডেপুটি অ্যাটর্নি ও ১৭৯ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ ◈ পিপিপি মডেলে দুই মেগা সেতু নির্মাণে জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব, ব্যয় ৩৩ হাজার কোটি টাকা

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:২১ রাত
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০২:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিজ্ঞানচেতনা ও মুক্তচিন্তার সঙ্গে ‘আস্তিকতা’, ‘নাস্তিকতা’ ও ‘অজ্ঞেয়বাদের’ পার্থক্য আছে

আজিজুর রহমান আসাদ

আজিজুর রহমান আসাদ: বিজ্ঞানচেতনা ও মুক্তচিন্তার সঙ্গে ‘আস্তিকতা’, ‘নাস্তিকতা’ ও ‘অজ্ঞেয়বাদের’ পার্থক্য আছে। আস্তিকতা প্রধানত পারিবারিক বা সামাজিক ‘ধর্ম’ বিশ্বাস। যে পরিবারে বা সমাজে জন্মায়, সেই পরিবার বা সমাজের কাছ থেকে শৈশব থেকেই শেখে যে অতীন্দ্রিয় অলৌকিক পরমসত্তা আছে। সৃষ্টিকর্তা কোন শক্তি বা সত্তা আছে। এই অলৌকিক সত্ত্বায় বিশ্বাস, আস্তিকতা।  নাস্তিকতা ঠিক আস্তিকতার বিপরীত। বিশ্বাস বা ধারণা যে, কোনো অলৌকিক, অতীন্দ্রিয়, শক্তি বা সত্তা বলে কিছু নেই, এই ধারণা মানুষ নিজে তৈরি করেছে, যুগ যুগ ধরে তা বিবর্তিত হয়েছে এবং সুদূর অতীতের সর্বপ্রাণবাদ বা প্রকৃতিপূজা থেকে, বহুদেবতা এবং আধুনিককালে একেশ্বরবাদ এসেছে। সবটাই মানুষের কল্পনা। নাস্তিকতাও একটি ধারণা, যা আস্তিকতাকে ভুল বা অসত্য মনে করে। 

অজ্ঞেয়বাদ ধারণাটি মনে করে, মানুষ সবকিছু জানতে পারে না, জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা আছে। ঈশ্বর, আদিশক্তি, পরমসত্তা ইত্যাদি বিশ্বাস ও অবিশ্বাসের ব্যাপার, প্রমাণ যোগ্য জ্ঞানের নয়। ফলে এরা আস্তিক ও নাস্তিক দুই ধরনের অবস্থানের বিপক্ষে। বিজ্ঞানচেতনা বা বিজ্ঞানচিন্তা আগাম কোনো কিছু বলে দিতে নারাজ যে, কী আছে (আস্তিকতা), কী নেই (নাস্তিকতা), আর কী জানা সম্ভব নয় (অজ্ঞেয়বাদ)। বিজ্ঞানচিন্তা হয়তো অনুমান করে (হাইপোথেসিস), কিন্তু কোনো কিছু আছে বা নেইÑ এই ‘সত্য’ নির্ভর করে কেবল ‘যুক্তির’ উপর নয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষা লব্ধ প্রমাণের উপর, যে প্রমাণ আবার সর্বজনীন (বিজ্ঞানের জ্ঞান নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ আছে, অজ্ঞ, মূর্খ ও ধান্দাবাজদের। যেমন পরিবেশ বিপর্যয় নিয়ে পুঁজিবাদী ধান্দাবাজ বুদ্ধিজীবীদের প্রচুর ত্যানাপ্যাঁচানো কথাবার্তা আছে)। 

আপনি আস্তিক, নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী হোন, আমার সমস্যা নেই। সমস্যা আপনার বিশ্বাসের কারণে সহিংস আচরণ, যা মূলত রাজনীতি। ধর্মের নামে সহিংসতা একটি রাজনীতি। যেমন, সাম্প্রদায়িক আত্মপরিচয়ের রাজনীতি, মৌলবাদী জঙ্গিবাদের রাজনীতি। ধর্ম দিয়ে এই রাজনীতি আড়াল করা একটি ফাঁদ। ধর্ম, সংস্কৃতি ও রাজনীতিকে আলাদা করে বুঝতে না শিখলে আপনিও এই ফাঁদে আটকে যাবেন। লেখক: গবেষক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়