শিরোনাম
◈ ইসরায়েলি হত্যাযজ্ঞে চুপ থেকে বিএনপি-জামায়াত গাজায় গণহত্যার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘেরও ১৫ বছর আগে শিশু আইন প্রণয়ন করেন: আইনমন্ত্রী  ◈ বিপিএলের ফাইনাল ম্যাচের সময় চূড়ান্ত করলো বিসিবি ◈ সাবেক স্বামীর দেওয়া আগুনে দগ্ধ চিকিৎসক লতা মারা গেছেন ◈ সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ঔষধ-পত্র ও চিকিৎসা সামগ্রী প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ বিদ্যুতের দাম বাড়ছে ৮.৫০ শতাংশ, ফেব্রুয়ারিতেই কার্যকর ◈ ২ দিনের রিমান্ড শেষে ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ কারাগারে ◈ বর্তমানে মত প্রকাশের স্বাধীনতার ছিটেফোটাও নেই: রিজভী ◈ রমজানে আল-আকসা খোলা রাখতে ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান ◈ ৪২৪ কোটি টাকার তেল-ডাল-গম কিনছে সরকার

প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০১:১৬ রাত
আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ০১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বুলেট নয়, ব্যালটের জয় হোক সর্বত্র

মঞ্জুরে খোদা টরিক

মঞ্জুরে খোদা টরিক: ইমরানকে ঠেকাতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী তাদের হাতে থাকা সব অস্ত্রই ব্যবহার করেছে, কিন্তু তাদের সাজানো ছক জনতা তছনছ করে দিয়েছে। সেনাবাহিনী ও মার্কিনিদের ইন্ধনে ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে ইমরান খান তার দল, মার্কাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে ২৪ বছরের জেল দিয়ে কারাবন্দী করা হয়েছে। দলকে ভাঙার চেষ্টা করেছে। নেতা-কর্মীদের উপর সীমাহীন দমন-পীড়ন চলেছে। জেলে পোরা হয়েছে। কিন্তু তাদের মনোবল টলানো যায়নি। ইমরানের দল পিটিআইয়ের বিজয়কে ঠেকানো যায়নি। 

দল-মার্কা-মূল নেতাদের নিষিদ্ধ করলেও দলের অন্যরা স্বতন্ত্র নির্বাচন করেছে। নির্বাচনে তারা এআই (আর্টিফিসিয়াল ইন্ডিটিলিজেন্স) প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে জেলে থাকা ইমরান ও অন্যান্য নেতাদের বক্তব্য প্রচার করেছে। মানুষের সহানুভূতি ও সমর্থন আদায় করেছে।  নির্বাচনের ফল পাল্টে দেয়ার নানা চেষ্টা চলেছে। ১২ ঘন্টা কোন ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। এতে পাকিস্তানের কথিত মিত্ররাও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইমরানের জনপ্রিয়তায় তাদের সুর পাল্টে গেছে। অথচ তারাই তাকে ক্ষমতায় থেকে সরিয়েছে। যে অভিযোগ ইমরান নিজেই করেছে। 

এই মার্কিন ও পশ্চিমা শক্তির গাছকাটা ও পানিঢালার নীতি। ইমরানকে নির্বাচনে হারাতে ব্রিটেনে নির্বাসনে থাকা নেওয়াজকে দেশে আনা হয়েছে। ইমরানের দাবিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার করা হয়েছে, কিন্তু নির্বাচনে তাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ইমরান খানের লোকজন  ঠিকই সারাদেশে যে যার মতো নির্বাচনে দাঁড়িয়ে সে নকসা ভণ্ডুল করে দিয়েছে। তারা সরকার ও সেনাবাহিনীর ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও আত্মবিশ্বাসের দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। কোনো বিদেশি প্রভূর আশ্বাস ও ইন্ধনের তোয়াক্কা তারা করেনি।

জনগণের শক্তিতে ভরসা রেখেছে। সেনাবাহিনী নির্বাচন কমিশনকে ভোটের ফলাফল পরিবর্তন করতে নানাভাবে চাপ দিয়েছে, ভয় দেখিয়েছে, কিন্তু কাজ হয়নি। ইমরানের দলের স্বতন্ত্র সদস্যরা জেল গেটে ভিড় করছে নেতার নির্দেশনার জন্য। বিরোধীরাও সুর পাল্টে তার শরণাপন্ন হচ্ছে। দূতাবাসগুলোও শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেছে। জনপ্রিয়তা থাকলে, জনসমর্থন থাকলে, জনগণের শক্তিতে ভরসা থাকলে বুলেট কোনো কাজে লাগে না ব্যালটই সে প্রশ্নে উত্তর দেয়। বুলেট নয়, ব্যলোটের জয় হোক সর্বত্র। সাধুবাদ পাকিস্তানের জনগণকে। লেখক, গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়