শিরোনাম
◈ সংঘাতের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে ◈ দেশজুড়ে সহিংসতার ঘটনায় অভিযান, গ্রেপ্তার ২৭৪৭ ◈ আজ বিদেশি কূটনীতিকরা ধ্বংসযজ্ঞ পরিদর্শনে যাবেন ◈ চলমান সংকটে রাজশাহীতে কৃষিখাতে দিনে ২০ কোটি টাকার ক্ষতি ◈ কারফিউ শিথিল সময়ে চলবে দূরপাল্লার বাস ◈ প্রাণহানি ও ধ্বংসাত্মক ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে সম্পাদক পরিষদ ও নোয়াব ◈ ড. ইউনূস রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ করেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশের সহিংসতা বন্ধে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি জরুরি আহ্বান জানিয়েছেন ড. ইউনূস ◈ নরসিংদী কারাগার থেকে পালানো ১৩৬ কয়েদির আত্মসমর্পণ ◈ কতজন শিক্ষার্থী মারা গেছেন, জানতে সময় লাগবে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ১০:০৮ দুপুর
আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ০৪:৪৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডেঙ্গু সংকটে নতুন শঙ্কা জলাবদ্ধতা, নিয়ন্ত্রণে সজাগ ডিএনসিসি: সেলিম রেজা

ডিএনসিসি উত্তরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা

মুসবা আলিম তিন্নি: [২] ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশনের কুইক রেসপন্স টিমের কাছে এখন নতুন চ্যালেঞ্জ জলাবদ্ধতা দূর করা। সার্বক্ষণিক সচেতনতায় থেকে তারা মাঠে কাজ করছে। জলাবদ্ধতায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মরার ওপর খাড়ার ঘাঁ পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা অতি সাবধানতা অবলম্বন করছেন। এসব তথ্য দিয়ে ডিএনসিসি উত্তরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা বলেন, আমাদের চেষ্টা ও পরিশ্রমে শহরের ৯৯ ভাগ পানিই নিষ্কাশন করতে পারছি। কোথাও কোথাও জলাধার ভরাট হয়ে উপচে পড়া পানিতে আশে পাশের এলাকা তলিয়ে গেছে, তা নিয়েও গুরুত্বসহকারে কাজ করছি।

[৩] তবে এধরনের সমস্যা মোকাবেলায় কেবল মাত্র সরকার এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভর থাকলে হবে না, সাধারণ মানুষকেউ সচেতন হতে হবে। এ পরামর্শ দিয়ে সেলিম রেজা বলেন, যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলে ড্রেন, খাল ভরাট করে ফেললে পরবর্তীতে ভারি কিংবা মাঝারি বৃষ্টিতেই এই ভোগান্তিতে পরতে হবে।

[৪] সেলিম রেজা বলেন, ঢাকা শহরের হাজার হাজার অলিগলিতে যদি যত্রতত্র ময়লা ফেলা হয় এবং পলিথিন, প্লাস্টিকের বোতল এসব ড্রেনের মুখে যদি ময়লা ফেলে অসচেতনভাবে চলাফেরা করে তাহলে জলাবদ্ধতা আটকানো কিভাবে সম্ভব এ প্রশ্ন করেন তিনি।

[৫] ডেঙ্গুর পাশাপাশি জলাবদ্ধতার দিকেও বাড়তি নজর রাখতে হচ্ছে বলে জানান, জনাব রেজা। 

[৬] তিনি আরও বলেন, যেভাবে ভারি বৃষ্টি হচ্ছে এবং এর পরেই কড়া রোদ উঠলে যেখানে সেখানে জমা পানিতে ডেঙ্গুর লার্ভা হওয়ার শতভাগ শঙ্কা রয়েছে এসব বিষয়কে মাথায় রেখে আমরা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন সব সময় প্রস্তুত আছি। আমরা চেষ্টা তো করবোই যাতে নতুন করে ডেঙ্গুর প্রদূর্ভাব না বেড়ে যায় তবে এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা বেশি প্রয়োজন। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি শহরের কোথাও যেনো জলাবদ্ধতা না থাকে। জলাবদ্ধতার মূল কারণ হিসেবে অনেকাংশে জনসাধারণের দায় রয়েছে। এছাড়া সারা বিশ্বে জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন ডেঙ্গুসহ জীবনযাপনের সবক্ষেত্রে অধিক ভূমিকা রাখছে। 

[৭] তিনি বলেন, নানা কারণে পানি জমে গেলেও একা সিটি করপোরেশনকে দায় দিয়ে লাভ নেই। এখন আবহাওয়ার যে অবস্থা সামনে আরও ভারি বৃষ্টি হবে, তবে আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশনের আওতায় যে অঞ্চলগুলি রয়েছে সকল অঞ্চলের পানি নামিয়ে ফেলেছি। আমরা পদক্ষেপ যা-ই নেই না কেনো এতো অল্প সময়ে এতো ভারি বর্ষণের কারণে পানি নামিয়ে ফেলা একটু কষ্টকর হয়ে যায়। তারপরও পানি নেমে যেতো যদি অসচেতন মানুষ ময়লা আবর্জনা ফেলে ড্রেন কালভার্টগুলোর মুখ ভরাট করে না দিতো। আমাদের কুইক রেসপন্স টিম আমাদের সার্বক্ষণিক ছবি পাঠিয়ে দিচ্ছে এবং পরামর্শ মতো প্রতিটি জায়গায় ৫/৭ জনের টিম কাজ করছে। তবে ঢাকা শহরের জলাবদ্ধা দূর করতে আমাদের এই টিমে আরও জনবল প্রয়োজন জানান তিনি । যেগুলো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা সেসব জায়গায় ভারি বর্ষণ হলে পানি অপসারণ কষ্টকর। 

[৮] সেলিম রেজা বলেন, সারা ঢাকা শহর পাকা করা হচ্ছে যেকারণে পানি কোথাও যেতে পারছে না ,আগে বৃষ্টি হলে পানি মাটিতে মিশে যেত কিন্তু এখন একটু বৃষ্টি হলেই ঢাকা শহর তলিয়ে যায়। এছাড়া সব জলাধার ভরাট হয়ে গেছে। মাঠে গিয়ে দেখা যায় ৬০ ফিট খাল হয়ে গেছে ১৫ ফিট। মানুষ তো এখন খাল ভরাট করেও পাঁচ তলা বাড়ি বানিয়ে ফেলে এইসব বাড়ি তো সিটি করর্পোরেশন ভেঙে খাল উদ্ধার করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

[৭] তিনি আরো বলেন, আসলে সবার সহযোগিতা ছাড়া এই বিপত্তিগুলো থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া সম্ভব না। আমরা ঢাকা উত্তর সিটি করর্পোরেশন সকল সংস্থার সাথে মিলেমিশে কাজ করছি। ওয়াসা, রাজউক , ডিপিডিসি, বিআরটিএফ সব সংস্থার সাথে মিলেই কাজ করছি। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ পুরোপুরি সচেতন না হবে ততখন পর্যন্ত সরকারি একক প্রচেষ্টায় এসব দুর্ভোগ কমানো পুরোপুরিভাবে সম্ভব নয়। সম্পাদনা: রাশিদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়