শিরোনাম
◈ গাজায় যুদ্ধবিরতি হলেও হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে হামলা বন্ধ হবে না:ইসরায়েল ◈ চার মাসের মধ্যেই প্রাথমিকে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ ◈ পিলখানা হত্যাকাণ্ডের দিবসটির গুরুত্ব বাড়াতে সরকার কার্যকর উদ্যোগ নেবেন, আশা জি এম কাদেরের ◈ সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে না: আইনমন্ত্রী ◈ ফিলিস্তিনের বিপক্ষে অপতথ্য ছড়ানো প্রতিরোধে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে হবে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ◈ গাজায় যুদ্ধ নয়, গণহত্যা চলছে ইসরায়েল: লুলা দা সিলভা ◈ গ্রামীণ টেলিকমসহ তার প্রতিষ্ঠানগুলোর লভ্যাংশ কাউকে দেয়া যায় না: ড. ইউনূস   ◈ মুখ খুলে মানুষ গণতন্ত্রের কথা বলতে পারছে না: ড. ইউনূস  ◈ স্বাস্থ্যসেবা বিকেন্দ্রীকরণ শুরু হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৩ মার্চ, ২০২৩, ০২:২২ রাত
আপডেট : ২৩ মার্চ, ২০২৩, ০২:২২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সড়কে বিশৃঙ্খলা, সড়কে মৃত্যু এবং ‘চাঁদেরও কলঙ্ক আছে’!

সুমন্ত আসলাম

সুমন্ত আসলাম: কাদের ভাইয়ের দিকে তাকালে আমি তাঁর দুটো ব্যাপার খেয়াল করি

[১] তাঁর হাতের ঘড়ি,

[২] তাঁর কথা বলার ঢং। দুটোতেই অন্যরকম একটা স্বাদ পাই আমি। শুনেছি আমাদের দেশের কবিরা একে অন্যের দিকে নাকি তাকায় না, মনে মনে নিজেকে বড় দাবি করে, ভাবে প্রকাশ করে। কিন্তু উপন্যাসিকরা তাকায়। কাদের ভাই এখন উপন্যাসিক, আমিও। এই ব্যাপারটাতেও অন্যরকম একটা বোধ হয় আমার। 

মন্ত্রী হিসেবে কাদের ভাইয়ের মেয়াদ ১১ বছর পার হলেও সড়কে শৃঙ্খলা তো আসেইনি, মৃত্যু বেড়েছে বরং। পেপারে লিখেছে। এটা শুনে কাদের ভাই একটা বাণী দিয়েছেন। ‘চাঁদেরও কলঙ্ক আছে, এর জন্য চাঁদের উজ্জ্বলতা হারিয়ে গেছে? কাজ করতে গেলে তো ব্যর্থতা থাকবেই’। কী সুন্দর কথা। কিন্তু কাদের ভাই সঙ্গে আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছেন। চাঁদ তার কলঙ্কমাখা মুখের জন্য কয়দিনের জন্য আড়ালে চলে যায় আকাশ থেকে, সেটা লজ্জায় হতে পারে, কিংবা একই মুখ-চেহারা একনাগারে দেখিয়ে সবাইকে বিরক্ত না করার ভদ্রতায়ও হতে পারে। কিন্তু মুশকিল হচ্ছে ব্যর্থজনরা বারবার সাধারণ মানুষের সামনে আসেন, ভাষণ দেন, বড় বড় কথা বলেন, ছবিও তোলেন। 

খুব ইচ্ছে আছে কাদের ভাইকে একদিন বাসায় ডাকব। সিরাজগঞ্জ থেকে দুই দাঁতের গরুর মাংস, ধানসিঁড়ির দই, সুব্রতর সন্দেশ আর ভোলা খাঁর পানতোয়া এনে যত্ন করে খাওয়াবো। তারপর বাসার পাশে বিহারি ক্যাম্প থেকে সর্বোচ্চ দামের ৩০০ টাকা দিয়ে পান এনে হাতে দেব তাঁর আদব করে। উনি ওটা মুখে নিয়ে চাবাতে থাকবেন, সুবাস বের হবে বাহারি পানের, মুখটা উজ্জ্বল হয়ে উঠবে, ঠিক তখনই ভাইকে বলবো, ‘ভাই চলেন, কিছু জিনিস দেখাই আপনাকে’। 

ভাই রাজি হবেন নির্দ্বিধায়। সুযোগ বুঝে আমি তাঁকে নিয়ে যাবো শ্যাওড়াপাড়ার সেই বাসাটায়, অফিস থেকে ফেরার সময় এ বাসার উপার্জনক্ষম একমাত্র মানুষটি মারা গেছেন বাসের চাপায়, তিনি দেখবেন জীবন এখানে কেমন, ছোট বাচ্চা দুটোর কান্না, বৃদ্ধ মায়ের জলভেজা চোখের অপেক্ষা, পোয়াতি বউটার আঁকুতি আর অনিশ্চয়তার দহন। আমি নিশ্চিত কাদের ভাইয়ের সেই ‘কিছু ব্যর্থতা’ দুক্ষু আর লজ্জায় আত্মহত্যা করবে অবলীলায়, তখনই। ফেসবুক থেকে 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়