শিরোনাম
◈ ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহত ১৯২, ‘ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের’ শঙ্কা মানবাধিকার সংস্থার ◈ নির্বাচনের পর কী করবেন ড. ইউনূস, জানাল প্রেস উইং ◈ বন্দরকে না জানিয়েই উধাও মার্কিন নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত জাহাজ ‘ক্যাপ্টেন নিকোলাস’ ◈ সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে যাচাই-বাছাই ছাড়া বিবৃতি না দেওয়ার অনুরোধ ◈ আবারও মুখোমুখি অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, পাল্টাপাল্টি হামলার হুমকি ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচন: ইসিতে দ্বিতীয় দিনের আপিলে ৫৭ জন বৈধ ◈ লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে সমস্যা দেখছি না, ইইউ পর্যবেক্ষক দলকে প্রধান উপদেষ্টা ◈ ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভ, সহিংসতা - হাসপাতালে 'লাশের স্তুপ', চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকেরা  ◈ প‌্যারাগু‌য়ের কারাগারে আন‌ন্দেই কা‌টি‌য়ে‌ছেন, অভিজ্ঞতা বর্ণনা কর‌লেন ব্রা‌জি‌লিয়ান রোনালদিনহো ◈ গণভোটে সরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোট চাইতে আইনগত বাধা নেই: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ১০ মার্চ, ২০২৫, ১২:১১ দুপুর
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৫, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমি বাসায় এসেছি, ভালো আছি তবে বেশ কিছুদিন নিবিড় পরিচর্যায় থাকতে হবে: পিনাকী ভট্টাচার্য

ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশি লেখক, চিকিৎসক, এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য এখন নিবিড় পরিচর্যায় আছেন। শরীরে লাগানো হয়েছে ইনফিউশন পাম্প। গত শুক্রবার একটি সার্জারি হয়েছে তার।

গতকাল রোববার বাসায় ফিরেছেন পিনাকী ভট্টাচার্য। ফেসবুকে পেজে এক পোস্টে নিজেই জানিয়েছেন এ কথা।

পিনাকী ভট্টাচার্যের ফেসবুক পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো—

‘আমি বাসায় এসেছি। ভালো আছি তবে বেশ কিছুদিন নিবিড় পরিচর্যায় থাকতে হবে। নার্স বাসায় এসে নিয়মিত দুইবেলা ড্রেসিং করে দিয়ে যাবে। ব্যথার জন্য সর্বক্ষণ যেন শরীরে ওষুধ দেওয়া যায় তাই ইনফিউশন পাম্প লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। সারাক্ষণ একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় পেইন কিলার আর বমির ওষুধ ঢুকছে শরীরে। ডাক্তার বলেছে সারাক্ষণ এভাবে ব্যথার ওষুধ না দিলে যন্ত্রণায় পাগল হয়ে যেতাম। এন্টিবায়োটিক চলছে। মুখ বিস্বাদ হয়ে আছে এতোগুলো ওষুধে। এভাবেই এই সপ্তাহ চলবে।

আমার বিগ প্লেটলেট সিন্ড্রোম আছে। তাই রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা কম। রক্তপাত বন্ধ হতে চায় না। অনেকটা ডেঙ্গি রোগীর মতো, আমার প্লেটলেট কাউন্ট কম। গায়ে অল্পেই কালশিটে পড়ে। এটা একটা জিনেটিক সমস্যা। সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নাই। সার্জারির সময়ে ভয় থাকে যদি রক্তপাত বন্ধ না হয়। ছোটবেলায় নাক দিয়ে রক্ত পড়তো প্রচুর। এখনো সার্জারি হলে রক্তপাত বন্ধ করাটা চ্যালেঞ্জ। এইজন্যই নিবিড় পরিচর্যার দরকার হচ্ছে। সার্জারির ক্ষততে ড্রেইন লাগানো আছে যেন রক্ত ভিতরে না জমে।

এতে সুবিধাও আছে। আপনাদের অনেকের রক্ত পাতলা করার জন্য হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক প্রতিরোধ করার জন্য এন্টি প্লেটলেট খেতে হয়। আমার ওই ওষুধ খেতে হবে না হয়তো কখনো। কারণ আমার প্লেটলেটই পাতলা। খোদার দুনিয়ায় কেউ বঞ্চিত হয় না। আমাদের অঞ্চলে সিকেল সেল এনিমিয়া বেশি হয়। আফ্রিকাতে হয়, ব্রাজিলে হয়। সেইখানেই হয় যেইখানে ম্যালেরিয়া বেশি। যখন ম্যালেরিয়ার ওষুধ আবিষ্কার হয়নি তখন এই রোগটাই ছিলো ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষা। সিকেল সেল এনিমিয়ার রোগীদের শরীরে ম্যালেরিয়া পরজীবী বাঁচতে পারে না।

আমি ২৮ মার্চ পর্যন্ত বাসায় থাকবো। অফিসে যাচ্ছি না। ভিডিও হয়তো কাল থেকে দিতে পারবো। ২৮ তারিখে ডাক্তার সিদ্ধান্ত নেবেন আমার বাসায় থাকার সময়টা আরও দীর্ঘ করবেন কিনা। আমার ক্ষত শুকানোর উপরে সেটা নির্ভর করবে।

যার জন্য সার্জারি আমার সেই সর্বক্ষণের যন্ত্রণা থেকে যে মুক্তি পেতে যাচ্ছি তা বুঝতে পারছি। আলহামদুলিল্লাহ। তাই, সব মিলিয়ে আমি ভালো আছি। আপনারাও ভালো থাকুন।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়