শিরোনাম
◈ তৃতীয় দফায় মিসাইল ছুড়ল ইরান, ইসরায়েলজুড়ে বাজলো সাইরেন ◈ জ্বালানি সংকট সামাল দিতে দ্বিগুণ দামে এলএনজি কিনল সরকার ◈ উপসাগরে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে রাশিয়া  ◈ জ্বালানি, রপ্তানি ও রেমিট্যান্স—যুদ্ধের প্রভাবে বাড়ছে অর্থনৈতিক ঝুঁকি ◈ ‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া ◈ জ্বালানি তেল পাচার রোধে বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির নিরাপত্তা জোরদার ◈ আমার ফ্ল্যাট থেকে কয়েক কদম দূরেই ‘যমুনা’, যেখানে ঘটেছে অসংখ্য নাটকীয় ঘটনা: শফিকুল আলম ◈ ঈদকে সামনে রেখে এলিফ্যান্ট রোড ও নিউমার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় ◈ ইরান–সংঘাত থামাতে কিছু দেশের মধ্যস্থতার চেষ্টা: পেজেশকিয়ান ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে আতঙ্ক, যে বার্তা দিলেন জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ মার্চ, ২০২৫, ১২:১১ দুপুর
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৫, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আমি বাসায় এসেছি, ভালো আছি তবে বেশ কিছুদিন নিবিড় পরিচর্যায় থাকতে হবে: পিনাকী ভট্টাচার্য

ফ্রান্সপ্রবাসী বাংলাদেশি লেখক, চিকিৎসক, এবং অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য এখন নিবিড় পরিচর্যায় আছেন। শরীরে লাগানো হয়েছে ইনফিউশন পাম্প। গত শুক্রবার একটি সার্জারি হয়েছে তার।

গতকাল রোববার বাসায় ফিরেছেন পিনাকী ভট্টাচার্য। ফেসবুকে পেজে এক পোস্টে নিজেই জানিয়েছেন এ কথা।

পিনাকী ভট্টাচার্যের ফেসবুক পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো—

‘আমি বাসায় এসেছি। ভালো আছি তবে বেশ কিছুদিন নিবিড় পরিচর্যায় থাকতে হবে। নার্স বাসায় এসে নিয়মিত দুইবেলা ড্রেসিং করে দিয়ে যাবে। ব্যথার জন্য সর্বক্ষণ যেন শরীরে ওষুধ দেওয়া যায় তাই ইনফিউশন পাম্প লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। সারাক্ষণ একটা নির্দিষ্ট মাত্রায় পেইন কিলার আর বমির ওষুধ ঢুকছে শরীরে। ডাক্তার বলেছে সারাক্ষণ এভাবে ব্যথার ওষুধ না দিলে যন্ত্রণায় পাগল হয়ে যেতাম। এন্টিবায়োটিক চলছে। মুখ বিস্বাদ হয়ে আছে এতোগুলো ওষুধে। এভাবেই এই সপ্তাহ চলবে।

আমার বিগ প্লেটলেট সিন্ড্রোম আছে। তাই রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা কম। রক্তপাত বন্ধ হতে চায় না। অনেকটা ডেঙ্গি রোগীর মতো, আমার প্লেটলেট কাউন্ট কম। গায়ে অল্পেই কালশিটে পড়ে। এটা একটা জিনেটিক সমস্যা। সুনির্দিষ্ট কোনো চিকিৎসা নাই। সার্জারির সময়ে ভয় থাকে যদি রক্তপাত বন্ধ না হয়। ছোটবেলায় নাক দিয়ে রক্ত পড়তো প্রচুর। এখনো সার্জারি হলে রক্তপাত বন্ধ করাটা চ্যালেঞ্জ। এইজন্যই নিবিড় পরিচর্যার দরকার হচ্ছে। সার্জারির ক্ষততে ড্রেইন লাগানো আছে যেন রক্ত ভিতরে না জমে।

এতে সুবিধাও আছে। আপনাদের অনেকের রক্ত পাতলা করার জন্য হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক প্রতিরোধ করার জন্য এন্টি প্লেটলেট খেতে হয়। আমার ওই ওষুধ খেতে হবে না হয়তো কখনো। কারণ আমার প্লেটলেটই পাতলা। খোদার দুনিয়ায় কেউ বঞ্চিত হয় না। আমাদের অঞ্চলে সিকেল সেল এনিমিয়া বেশি হয়। আফ্রিকাতে হয়, ব্রাজিলে হয়। সেইখানেই হয় যেইখানে ম্যালেরিয়া বেশি। যখন ম্যালেরিয়ার ওষুধ আবিষ্কার হয়নি তখন এই রোগটাই ছিলো ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে সুরক্ষা। সিকেল সেল এনিমিয়ার রোগীদের শরীরে ম্যালেরিয়া পরজীবী বাঁচতে পারে না।

আমি ২৮ মার্চ পর্যন্ত বাসায় থাকবো। অফিসে যাচ্ছি না। ভিডিও হয়তো কাল থেকে দিতে পারবো। ২৮ তারিখে ডাক্তার সিদ্ধান্ত নেবেন আমার বাসায় থাকার সময়টা আরও দীর্ঘ করবেন কিনা। আমার ক্ষত শুকানোর উপরে সেটা নির্ভর করবে।

যার জন্য সার্জারি আমার সেই সর্বক্ষণের যন্ত্রণা থেকে যে মুক্তি পেতে যাচ্ছি তা বুঝতে পারছি। আলহামদুলিল্লাহ। তাই, সব মিলিয়ে আমি ভালো আছি। আপনারাও ভালো থাকুন।’

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়