শিরোনাম
◈ শুধু গাছ লাগালেই হবে না, তা বাঁচিয়ে রাখাও জরুরি: প্রধানমন্ত্রী ◈ মিশরের সঙ্গে ডাকাতি হয়েছে: জোহরান মামদানি ◈ জাতীয় নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনেই হবে: আইনমন্ত্রী ◈ যে ৪ দেশ সেমিফাইনাল খেলবে, জানাল সুপার কম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণী ◈ আজ প্রকাশ হচ্ছে না প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল, আগামী সপ্তাহে ঘোষণার সম্ভাবনা ◈ নদী বাঁচাতে না পারলে খাদ্য নিরাপত্তা রক্ষা সম্ভব নয়, সবুজ বাংলাদেশ গড়তে মেগা পরিকল্পনার কথা জানালেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ৩ নতুন উপজেলা গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি ◈ এমপি হিসেবে শপথ নিতে পারবেন বিএনপির সরোয়ার আলমগীর, প্রার্থিতা বৈধ ◈ ওভারটাইমে এসে ঘুম, হাজিরা দিয়ে চলে যান কর্মীরা, অনিয়মে তোলপাড় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে! ◈ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন সামরিক হামলার পর আবারও তেলের বাজারে অস্বস্তি!

প্রকাশিত : ০৯ জুলাই, ২০২৬, ০২:৫৬ দুপুর
আপডেট : ০৯ জুলাই, ২০২৬, ০৩:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণই একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গঠনের ভিত্তি

শুধু গাছ লাগালেই হবে না, তা বাঁচিয়ে রাখাও জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম :প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি সন্তান পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করলে আসুন, আমরা একটি করে গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে প্রতিটি প্রাণের জন্মকে উদযাপন করি, স্মরণীয় করে রাখি। একজন নবজাতকের পাশাপাশি একটি গাছও বেড়ে উঠুক। এভাবেই এগিয়ে যাক সবুজায়নের সামাজিক আন্দোলন।

'বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজিত বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০২৬ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন কালে  প্রধানমন্ত্রী  এসব কথা বলেন।

আজ বৃহস্পতিবার  সকালে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, নতুন বৃক্ষরোপণ অবশ্যই জরুরি, তবে রোপিত গাছ নিরাপদে বেড়ে উঠছে কি না, তা নিশ্চিত করা তার চেয়েও বেশি জরুরি। একই সঙ্গে যুগ যুগ ধরে স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের অংশ হয়ে থাকা বিদ্যমান গাছ সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এখন আর ভবিষ্যতের কোনো আশঙ্কার বিষয় নয়; বরং এটিই আমাদের প্রতিদিনের বাস্তবতা। উন্নয়ন ও পরিবেশকে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নয়, বরং প্রকৃতির সঙ্গে সম্প্রীতি বজায় রেখেই উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে।”

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণই একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গঠনের ভিত্তি। আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ, নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা সবাই বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখি।

অনুষ্ঠান শেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে স্মারক হিসেবে একটি করে জলপাই, জারুল ও নিমগাছের চারা রোপণ করেন। এরপর তিনি পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে আয়োজিত বৃক্ষমেলা ও পরিবেশ মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

প্রসঙ্গত, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এ দেশে বৃক্ষরোপণকে সর্বপ্রথম একটি রাষ্ট্রীয় আন্দোলনে রূপ দেন এবং ১৯৭৯ সালে প্রথম জাতীয় বননীতি প্রণয়ন করেন। পরবর্তীকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ সালে জাতীয় বৃক্ষমেলার ঐতিহাসিক যাত্রার সূচনা করেন এবং অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার প্রযুক্তি ও প্রকৃতির সমন্বয়ে একটি টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়