শিরোনাম
◈ প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করার পরামর্শ কর্নেল অলির (ভিডিও) ◈ সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের আমানতকারীরা সুদসহ টাকা ফেরত পাবেন: অর্থমন্ত্রী ◈ শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নিল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নতুন কমিটি, আরও গতিশীল হওয়ার প্রত্যাশা ◈ সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিতদের ফের আবেদন, পর্যালোচনায় ৭ সদস্যের কমিটি ◈ ট্রাম্পের হুমকির পরই ইরানে মার্কিন হামলা, নিহত ৮ ◈ শাপলা চত্বর মামলা: তদন্ত শেষ, আসামির তালিকায় যারা ◈ ‘আজ রাতেই ইরানে কঠোর হামলা’, নতুন হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ◈ উগ্রবাদী সংগঠনের প্রশিক্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার এনসিপি নেতা আতাউল্লাহ স্থায়ী বহিষ্কার ◈ সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নে নতুন রোডম্যাপ, কী থাকছে পরিকল্পনায় ◈ ব্যয় সংকোচনে কঠোর সরকার : গাড়ি কেনা-ভবন নির্মাণ বন্ধ, সীমিত হচ্ছে বিদেশ সফর

প্রকাশিত : ০৮ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ রাত
আপডেট : ০৯ জুলাই, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সশস্ত্র বাহিনীর বঞ্চিতদের ফের আবেদন, পর্যালোচনায় ৭ সদস্যের কমিটি

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীতে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে চাকরিচ্যুত, বরখাস্ত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত, বাধ্যতামূলক অবসরপ্রাপ্ত বা অন্য কোনোভাবে বঞ্চনার শিকার কর্মকর্তাদের ফের আবেদন করার সুযোগ দিয়েছে সরকার। এ জন্য আবেদনগুলো পর্যালোচনায় সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি করা হয়েছে সেনাবাহিনীর একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেলকে।

গতকাল মঙ্গলবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই শেষে আগামী ১ ডিসেম্বরের মধ্যে সরকারের কাছে সুপারিশ দেবে কমিটি।

এর আগে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে সশস্ত্র বাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন—এমন অভিযোগে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের কাছ থেকে আবেদন নিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। পরে বিএনপি সরকার চলতি মাসে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত, অপসারিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্ত হওয়া ১৫০ জন কর্মকর্তাকে স্বাভাবিক অবসর অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে আবেদন চেয়ে জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীতে চাকরিরত অবস্থায় বঞ্চনা, অবিচার ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অপসারিত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত কিংবা বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া কর্মকর্তারা আবেদন করতে পারবেন। তবে আগে বাহিনীর সদর দপ্তরের গঠিত পর্ষদ বা অন্তর্বর্তী সরকারের গঠিত কমিটির কাছে যাঁরা আবেদন করেননি অথবা যাঁদের আবেদন আগে বিবেচনা করা সম্ভব হয়নি, কেবল তাঁরাই আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে আবেদন করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, নতুন করে জমা পড়া আবেদন ও আগে জমা পড়লেও বিবেচিত না হওয়া আবেদনগুলো বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা-পর্যালোচনা করা হবে। সেগুলো পর্যালোচনা করে সরকারের কাছে সুপারিশ দেবে কমিটি।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন সেনাবাহিনীর একজন মেজর জেনারেল, নৌবাহিনীর একজন রিয়ার অ্যাডমিরাল, বিমানবাহিনীর একজন এয়ার ভাইস মার্শাল, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিব ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং সেনাবাহিনীর একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

কমিটির কার্যপরিধিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের দাখিল করা নথি ও তথ্য যাচাই করা হবে। প্রয়োজন হলে তাঁদের সাক্ষাৎকারও নেওয়া হবে। মানবিক বিষয় বিবেচনায় গ্রহণযোগ্য সুপারিশ প্রণয়ন করবে কমিটি। তবে কমিটি শুধু ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের আবেদনই বিবেচনা করবে। প্রয়োজন মনে করলে কমিটির সভাপতি অতিরিক্ত সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবেন। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়