এক দল ছেড়ে আরেক দলে যোগ দেওয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু রাজনীতিবিদ না হলেও এক ক্রিকেটার বিএনপির হয়ে নির্বাচন করতে চেয়ে পরে অন্য রাজনৈতিক দলের হয়ে নির্বাচন করেছেন। আবার সেটিও তিনি করেছেন খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি না টেনেই। সেই ক্রিকেটারটি কে? তাঁর নাম মুখে নেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী। তবে তিনি সেই ক্রিকেটার সম্পর্কে আজ এমন কিছু বলেছেন যা অনেকের কাছেই নতুন মনে হতে পারে।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সঙ্গে নিয়ে মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব পরিদর্শনে গিয়েছিলেন রিজভী। সেখানেই কথা বলতে গিয়ে বিএনপির এমপি হতে চাওয়া ক্রিকেটারের প্রসঙ্গটি টেনে আনেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের দেশেরই প্রখ্যাত এক ক্রিকেটার আমাকে টেলিফোন করে বলেছিল, ‘আমি তো ক্রিকেটার। আমি নির্বাচন করতে চাই বিএনপি থেকে।’ ২০১৮ সালের আগের কথা বলছি। কিন্তু পরে দেখলাম সে আরেকটি রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচন করে এমপি হয়েছে।’’
তবে সেই ক্রিকেটারটি ইচ্ছে করেই বিএনপির প্রতিপক্ষ দলের হয়ে এমপি হয়েছে বলে মনে করেন না রিজভী। তাঁর মতে, তাঁকে চাপ প্রয়োগ করে দল পরিবর্তনে বাধ্য করা হয়েছে। মোহামেডানের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা বললেন,‘আমার মনে হয়েছে তার ওপর চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। তাকে নানাভাবে উৎপীড়ন করা হয়েছে এবং তার যে খেলার যে প্রতিভা এবং তার জাতীয় আন্তর্জাতিক যে পরিচয় খেলার মাধ্যমে সেটাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তার দিকে। এটা কেন? এটা তো হতে পারে না।’
খেলোয়াড়ি জীবনে খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে জড়াতে নিরুৎসাহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিজ কার্যালয়ের শাপলা হলে গতকাল খেলোয়াড়দের মাসিক ভাতার ঘোষণা দেওয়ার সময় এমনটা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর কথার সঙ্গে পুরোপুরি একমত বিসিবি সহসভাপতি ফারুক আহমেদ। গতকাল ফারুক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অবশ্যই মনে করি একমত। দুইটা ব্যাপার। আমার ব্যক্তিগত অভিমত দিচ্ছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তিনি তাঁরটা বলেছেন। আমি মনে করি তারকাখ্যাতিকে কাজে লাগিয়ে রাজনীতি করা উচিত না।’ বিসিবি সহসভাপতির মতে আইন করে খেলোয়াড়দের রাজনীতিতে আসা বন্ধ করে দেওয়া উচিত। উৎস: আজকের পত্রিকা।