শিরোনাম
◈ সনের নেতৃত্বে চেক প্রজাতন্ত্রের বিপক্ষে মাঠে নামছে এশিয়ার দল দক্ষিণ কোরিয়া ◈ কক্সবাজার, যশোর, রাজশাহী ও সৈয়দপুর হবে নতুন আন্তর্জাতিক গেটওয়ে ◈ অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক, স্থগিত ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ’ রামমূর্তি নির্মাণ ◈ তৃতীয় ভাষা শিখলে মিলবে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত শিক্ষা ঋণ ◈ নতুন বাজেটে কোন ব্র্যান্ডের সিগারেটের দাম কত? ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা ◈ দিল্লির শীর্ষ বৈঠকেও ‘পুশ-ইন’ সংকটের সমাধান মিলল না ◈ ভাইকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন সেই বৃদ্ধ ষষ্ঠী বর্মন, ভারতে গেলেন যেভাবে ◈ মাথায় ব‌লের আঘাত, হাসপাতালে মে‌হে‌দি মিরাজ ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে ওয়ানডে সিরিজ জয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর অভিনন্দন

প্রকাশিত : ১১ মার্চ, ২০২৬, ০২:২৯ দুপুর
আপডেট : ০৮ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সংসদ অধিবেশন শুরু বৃহস্পতিবার

এবার নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি। জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সংস্কারে দাবি-দাওয়া ছিল অনেক। স্বৈরতন্ত্র ঠেকানো, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন দাবিতে গঠিত হয় সংস্কার কমিশন। খাতওয়ারী আমূল পরিবর্তনের সুপারিশ করেন অভিজ্ঞরা। সেসব সুপরিশ তথা সংস্কার প্রস্তাবের ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে বর্তমান সংসদের হাত ধরে। ফলে নতুন সংসদের গুরুত্ব অনেক বেশি। 

সাবেক সচিব একেএম আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেন, গত ১৫-১৬ বছরে নির্বাচন ঠিকভাবে হয় নাই। কোনো শক্তিশালী বিরোধী দল ছিল না। এখন মানুষের প্রত্যাশার পরিবর্তন হয়েছে। আমরাই সব, আমরাই তো সংখ্যাগরিষ্ঠ— এ রকম মনোভাব না রেখে যদি সুন্দরভাবে চলে, তাহলে আমাদের ভবিষ্যতে গণতন্ত্রের একটা শুভ যাত্রা এখান থেকে শুরু হতে পারে।

জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শাহদীন মালিক বলেছেন, শতকরা ৭০ শতাংশ সংসদ সদস্য নতুন। আগে তাদের অভিজ্ঞতা ছিল না। তার ওপরে প্রায় ৭০ শতাংশ হলো ব্যবসায়ী। সরকার যা কিছু করে সবকিছু অতি ভালো, অতি ভালো; আর বিরোধীরা অতি খারাপ, অতি খারাপ। এর বাইরে কিন্তু কোনো বিশ্লেষণ কেন ভালো-কেন খারাপ ওই আলাচনাগুলো হতো না। আশা করছি, ওই দিক দিয়ে এই সংসদ ভিন্নতর হবে।

প্রায় ৯ মাস আলোচনা করে জুলাই সনদ প্রণয়ন করেছেন রাজনৈতিক দলের নেতারা। 'হ্যাঁ' ভোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতায় যেখানে সমর্থন আছে জনগণের। ফলে জুলাই সনদের চুড়ান্ত কাঠামো পেতে সংসদ সদস্যদের অনুমোদন লাগবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, অভ্যুত্থানের পর সাংবিধানিক নিয়ম মেনে সরকার পরিবর্তন ও পরিচালিত হয়েছে। তাই সংস্কারের স্থায়ী রূপ দিতে হলে সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।

শাহদীন মালিক বলেন, সুপারিশগুলো অন্তর্বর্তীকালীন বাস্তবায়ন করে নাই বললেই চলে। তাই তো? তখন এই সরকার কতটা বাস্তবায়ন করবে, সে ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। তার থেকেও বড় কথা হলো জুলাই সনদে অনেকগুলো ধারা বা বিধান করা হয়েছে, যেটা আমাদের সংবিধানের সম্পূর্ণ পরিপন্থী। এখন সংবিধান পরিপন্থী কোনো সংশোধন তো সংসদ পাশ করতে পারে না। পাশ করলে এটা কোর্টে চ্যালেঞ্জ হবে, বাতিল হয়ে যাবে।

একেএম আব্দুল আউয়াল মজুমদার বলেন, জুলাই সনদ যেটা তারা শপথ না নিলেও সেটা বাস্তবায়নের সুযোগ কিন্তু নষ্ট হয় নাই। যে অধ্যাদেশগুলো জারিয় হয়েছে, সেগুলো সংসদে উঠবে। এখন সেগুলো ওঠার পরে কতটুকু গ্রহণ হয়, কতটুকু বর্জন হয়, সেটার ওপর নির্ভর করবে। আমি মনে করি, এটা নিয়ে একেবারে হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই।

এদিকে, অন্তবর্তী সরকার মোট অধ্যাদেশ দিয়েছিল ১৩৩টি। সবগুলোই সংসদে উত্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।  সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়