শিরোনাম
◈ দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ৩২ হাজার ৭৮৯ কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৩২.৮৮ শতাংশ: ইসি সচিব ◈ দুপুরে এনসিপির জরুরি সংবাদ সম্মেলন ◈ ক্ষমতায় এলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ককে ‘অগ্রাধিকার’ দেবে জামায়াত: এনডিটিভিকে শফিকুর রহমান ◈ এবার সারা বাংলাদেশের ভোটের চিত্র একরকম, কিন্তু গোপালগঞ্জের পরিস্থিতি অন্যরকম ◈ ভোট দেওয়া শেষে সবাইকে 'ঈদ মোবারক' জানান প্রধান উপদেষ্টা ◈ রুমিন ফারহানার অ‌ভি‌যোগ, বিভিন্ন জায়গায় সিল মারার পায়তারা করছে ◈ তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী পুত্র থেকে যেভাবে বিএনপির একক নেতায় পরিণত হলেন  ◈ বিএনপির অস্তিত্বের লড়াই, জামায়াতের নতুন স্বপ্ন: সারাদেশে চলছে ভোট গ্রহণ ◈ ভোটের দিনে স্বাভাবিক রয়েছে মেট্রোরেল ও ট্রেন চলাচল ◈ রাজধানীতে ডিএমপির অশ্বারোহী দলের টহল, কেন্দ্রে কেন্দ্রে উৎসবের আমেজ

প্রকাশিত : ০৫ জুলাই, ২০২২, ১২:৫৭ দুপুর
আপডেট : ০৫ জুলাই, ২০২২, ০৮:৩০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় অংকের ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার, ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

মহসীন কবির: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে দেশবাসীকে সাশ্রয়ী হতে হবে। মঙ্গলবার (৫ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর ওসমানি স্মৃতি মিলনায়তনে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) নবনির্বাচিত মেয়র আরফানুল হক রিফাতের শপথ অনুষ্ঠানে তিনি কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন। সময় ও ডিবিসি টিভি

তিনি বলেন, যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেল-গ্যাসসহ সব পণ্যের দাম বেড়েছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় অংকের ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার। তাই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই।

মেয়র ও কাউন্সিলরদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সততা নিয়ে কাজ করলে, মানুষের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারলে, বারবার জনমর্থন পাওয়া যায়। ভোটারদের বিশ্বাস ও আস্থা ধরে রাখতে হবে জনপ্রতিনিধের। কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতেই কাজ করছে। মানুষ উন্নয়নের সুফল পাচ্ছে বলেই বার বার আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর বাংলাদেশে যারা স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী-যাদের বিচারকাজ শুরু হয়েছিল, তাদেরকেই রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসানো হয়। তাছাড়া যারা জাতির পিতার হত্যাকারী তাদেরকেও বিচারের হাত থেকে মুক্তি দিয়ে ইনডেমনিটি অর্ডিনেন্স জারি করে তাদেরকে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি ক্ষমতায় থাকার কারণেই এই সেনাবাহিনীতে ১৯ বারের মতো ক্যু হয় এবং বহু সেনা সদস্য, সৈনিক, অফিসার মৃত্যুবরণ করেন। এমন একটা সময় ছিল যে অফিসারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে হামলা করা হয়েছে। অনেকের স্ত্রীকে হত্যা করা হয়েছে, পরিবারকে হত্যা করা হয়েছে। এ রকম ঘটনা তখন ঘটতে থাকে একের পর এক। প্রতিরাতে বাংলাদেশে কারফিউ চলত। মানুষের কোনো অধিকারই ছিল না। মানুষ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারত না। এ রকম একটা পরিবেশ বাংলাদেশে ছিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়