শিরোনাম

প্রকাশিত : ১০ জুন, ২০২৪, ০৩:০৭ দুপুর
আপডেট : ১০ জুন, ২০২৪, ০৪:৫১ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজায় অতিসত্ত্বর হত্যাযজ্ঞ বন্ধ হওয়া উচিত: ঢাকাস্থ ইইউ রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি

খুররম জামান: [২] সোমবার (১০ জুন) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক কারেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ অনুষ্ঠানে ঢাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এর সঙ্গে যাদের জিম্মি করা হয়েছে তাদেরও মুক্তি দেওয়া দরকার।

[৩]  রাষ্ট্রদূত চার্লস হোয়াইটলি বলেন, ফিলিস্তিন সরকার ও জনগণের সঙ্গে ইইউ সম্পর্ক খুবই ভালো। ফিলিস্তিনে ইইউ অনেক অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকে। তবে ইইউ হামাসকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন মনে করে।

[৪.১] হোয়াইটলি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ জলবায়ু সংকট মোকাবিলা করা। আমরা সকলেই এই সংকট মোকাবিলায় সঙ্গি। বাংলাদেশ নিয়ে আমি খুবই আশাবাদী।  

[৪.২] বাংলাদেশকে উন্নত করার বিষয়ে সরকারের কাজ চোখে পড়ে। ১০ বছর আগের থেকে বর্তমানে বাংলাদেশ আইটি, মেডিকেল বিভিন্নখাতে উন্নতি করছে। এলডিসি পরবর্তী যে সব ক্ষেত্রে উন্নতি করার আন্তর্জাতিক দাবি ছিলো তা ভালোভাবেই বাংলাদেশ মানিয়ে নিয়েছে। 

[৫] তিনি বলেন, দেশের  বিভিন্ন বিষয়ে সোচ্চার হতে সুশীল সমাজের বিশাল ভূমিকা রয়েছে।

[৬] ডিক্যাবের সভাপতি নুরুল ইসলাম হাসিবের সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান অপু। 

[৭] চার্লস হোয়াইটলি বলেন, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা খাতে বাংলাদেশে সঙ্গে আমরা কাজ করতে চাই। এই বিষয়ে সহযোগিতা দিতে আগ্রহী ইইউ।

[৮] বাংলাদেশ কখনও তার ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি অভিমত ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশের মোট দেশীয় উৎপাদনের তুলনায় মোট ঋণ ৩৭ শতাংশের বেশি নয়। বাংলাদেশের যে অবস্থা সেটিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল সন্তুষ্ট এবং তারা বাংলাদেশকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ কখনোই তার ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি। আর এটি খুবই চৎকপ্রদ বিষয়।এ জন্য ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী।

[৯] চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের (বিআরআই) এবং ইইউর গ্লোবাল গেটওয়ে নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বলেন, বিআরআই থেকে ইইউর গ্লোবাল গেটওয়ের অপার ভিন্ন। কারণ ইইউ শুধু টাকা দিচ্ছে না, প্রযুক্তি হস্তান্তর করছে। কারণ, আমাদের লক্ষ্য কানেক্টিভিটি এবং গুনগত মানের প্রযুক্তি হস্তান্তর।

[১০] বাংলাদেশ নিয়ে লেকচার দিয়ে আসেননি উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, দেশের বিভিন্ন বিষয়ে সোচ্চার হতে সুশীল সমাজের বিশাল ভূমিকা রয়েছে।

[১১] জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশের প্রশংসা করেন ইইউর রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ৮ থেকে ৯ বছর আগে  হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি আক্রমণ হয়েছিল। তারপর থেকে বাংলাদেশ জঙ্গি ও উগ্রবাদ প্রতিরোধে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছে।

[১২] রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে ইইউর রাষ্ট্রদূত বলেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান প্রশংসনীয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সবসময় পাশে থাকবে। এ সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার দেবে। সম্পাদনা: সমর চক্রবর্তী

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়