শিরোনাম
◈ সীমান্তে ভারতীয় ড্রোন পড়ে আতঙ্ক, বিজিবির হেফাজতে উদ্ধার করা হয়েছে ◈ টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে আটে বাংলাদেশ ◈ চীনের নেতৃত্বাধীন বাণিজ্যিক জোট আরসেপে যোগ দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ ◈ সরকারি ব্যয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ৩৮ অডিট রিপোর্ট প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর ◈ দেশের ইতিহাসে এত চমৎকার নির্বাচন আগে কখনো হয়নি: সেনাপ্রধান ◈ এক বছরের মধ্যেই সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: মির্জা ফখরুল ◈ শাপলা চত্বর মামলা: ৫৮ জন নিহত, প্রধান আসামি শেখ হাসিনা ◈ হরমুজে আটকে থাকা জাহাজের সংখ্যা প্রায় ২০০০! ◈ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: বাণিজ্যমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ ‘দেশের স্বার্থে সিভিল প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে সেনাবাহিনী’

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০৭:২৮ সকাল
আপডেট : ০৫ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিদেশযাত্রায় বাধার মুখে সাংবাদিক নজরুল ইসলাম মিঠু

চীন যেতে বাধা দেয়া হলো ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ’র) সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠুকে। রবিবার (৩ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গেলে ইমিগ্রেশন থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি ওভারসিজ করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ওকাব) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে তিনি জার্মান নিউজ এজেন্সি ডিপিএ’র বাংলাদেশ করেসপনডেন্ট। 

নজরুল ইসলাম মিঠু নিজেই বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন। 

বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেন, “আজ চীনে ভ্রমণের উদ্দেশে বোর্ডিং পাস সংগ্রহের পর ইমিগ্রেশন কাউন্টারে তাকে থামানো হয় এবং পরে ইমিগ্রেশন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা তার বিষয়ে যাচাই শুরু করেন।” 

তিনি আরও বলেন, “তার পাসপোর্ট ও কাগজপত্র যাচাইয়ের পর তাকে ইমিগ্রেশন পুলিশের একজন এসপির অফিসে নেওয়া হয়। সেখানে তার পেশা, কর্মস্থল এবং কোনও মামলায় জড়িত আছেন কিনা— এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও সশস্ত্র বাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই’র সদস্যরাও তার সঙ্গে কথা বলেন বলে তিনি জানান।  

নজরুল ইসলাম মিঠু বলেন, “দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর তাকে জানানো হয় যে— পুলিশের দিক থেকে তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ নেই। তবে ডিজিএফআই’র ‘ক্লিয়ারেন্স’ না আসায় ভ্রমণে সাময়িক বাধা দেওয়া হতে পারে।” 

তিনি অভিযোগ করেন, তাকে বিদেশে যেতে বাধা দেওয়ার নির্দিষ্ট কোনও কারণ জানানো হয়নি এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও এই বিষয়ে কোনও তথ্য পাননি বলে জানিয়েছেন। প্রায় এক ঘণ্টার বেশি সময় বিমানবন্দরের যাত্রী লাউঞ্জে অপেক্ষার পর শেষ পর্যন্ত তাকে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হয় এবং তিনি যাত্রা বাতিল করে ফিরে যান বলে জানান। তিনি দাবি করেন, এই ঘটনা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ঘোষণার চলাচলের স্বাধীনতা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদের পরিপন্থি। 

এই বিষয়ে বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পাওয়া যায়নি। 

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়