এ্যানি আক্তার: লিপস্টিক যেন মেয়েদের নিত্য প্রয়োজনীয় একটি সামগ্রী। ঠোঁটে লিপস্টিক না দিয়ে অনেকে বাইরে বেরোতেই পারেন না। এমন অনেকেই রয়েছেন, যারা বাড়িতে থাকলেও হালকা রঙের লিপস্টিক দিতে পছন্দ করেন। আবার অনেকেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পান এই প্রসাধনীর রঙে। তবে লিপস্টিক তৈরিতে যে ধরনের রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়, তা ত্বকের জন্য মোটেও ভালো নয়। যদিও এ বিষয়ে অনেকের দ্বিমত রয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার
এ নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমে এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ নিয়ে চর্চা করেন যারা, তারা অনেকেই মনে করেন, লিপস্টিকে থাকা মোম ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। কিন্তু এই প্রসাধনীর গাঢ় রঙে যে ঠোঁট ক্ষতিগ্রস্ত হয় সে কথাও জানেন অনেকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সব লিপস্টিকের ক্ষেত্রে এই যুক্তি খাটে না। যদি আগে থেকেই কারো ঠোঁটের সমস্যা থাকে, সে ক্ষেত্রে পুরোপুরি লিপস্টিককে দায়ী করা যায় না।
কী ধরনের সমস্যা থাকলে গাঢ় রঙের লিপস্টিক মাখবেন না?
শুষ্ক ঠোঁটের সমস্যা: এমন কিছু লিপস্টিক রয়েছে, যা ঠোঁটকে শুষ্ক করে তুলতে পারে। আবার যাদের শুষ্ক ত্বকের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা গুরুতর হয়ে যেতে পারে। তবে যে সমস্ত লিপস্টিক তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের তেল, মাখন ব্যবহার করা হয়, সেগুলি ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
অ্যালার্জি: যাদের বিভিন্ন রকম রাসায়নিকে অ্যালার্জি রয়েছে তাদেরও লিপস্টিক ব্যবহার নিয়ে সতর্ক হতে হবে। কোনো নতুন সংস্থার প্রসাধনী ব্যবহার করার আগে ‘প্যাচ টেস্ট’ করে নেয়া জরুরি।
কালচে ছোপ: ঠোঁটে কালচে ছোপ পড়ার জিনগত বা শারীরিক, নানা কারণ থাকতে পারে। রোদের অতিবেগনি রশ্মি থেকেও এমন সমস্যা হতে পারে। শুধু লিপস্টিক মাখলেই যে ঠোঁটে কালচে ছোপ পড়বে, এমনটা কিন্তু নয়।
কী করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে?
হাইড্রেশন: ঠোঁটের আর্দ্রতা বজায় রাখতে পর্যাপ্ত জল খেতে হবে। ত্বকের জন্য নিরাপদ, অতিবেগনি রশ্মি থেকে সুরক্ষা দিতে পারে এমন ‘লিপবাম’ ব্যবহার করতে হবে।
এক্সফোলিয়েশন: ঠোঁটের মৃত কোষ থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত এক্সফোলিয়েট করতে হবে। তবে স্ক্রাবের দানা যেন খুব শক্ত না হয়।
প্রাইমার: লিপস্টিক মাখার আগে ঠোঁটে প্রাইমার ব্যবহার করতে হবে। এই প্রাইমার-ই লিপস্টিকের ক্ষতিকর রাসায়নিকের প্রভাবে ঠোঁটে কালচে ছোপ পড়তে দেবে না।
এএ/এএ