শিরোনাম
◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা ◈ বিদেশি ফ্রাঞ্চাইজি লি‌গে খেলার জন‌্য অবসর নেয়া বন্ধ কর‌তে কড়া নিয়ম আনার পথে বিসিসিআই ◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ

প্রকাশিত : ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৮:৩৭ রাত
আপডেট : ০৮ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গরম খাবার খাওয়ার সময় জিভ পুড়ে গেলে করণীয় কি

গরম চা, কফি কিংবা খাবার খেতে গিয়ে হঠাৎ জিভ পুড়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা প্রায় সবারই আছে। সামান্য অসাবধানতায় এমন তীব্র জ্বালা লাগে যে, মুহূর্তেই খাওয়ার আনন্দ মাটি হয়ে যায়। জিভ পুড়ে গেলে জ্বালা, ব্যথা, লালচে ভাব এমনকি কয়েক ঘণ্টা বা এক-দুই দিন পর্যন্ত স্বাদ ঠিকভাবে না পাওয়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তবে চিন্তার কিছু নেই।

ঘরে থাকা কিছু সাধারণ জিনিসেই এই অস্বস্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব। জিভ পুড়ে গেলে প্রথমেই ঠাণ্ডা কিছু ব্যবহার করা জরুরি। সঙ্গে সঙ্গে ঠাণ্ডা পানি মুখে নিয়ে কিছুক্ষণ কুলকুচি করুন বা পানি মুখে ধরে রাখুন। এতে জিভের তাপমাত্রা কমে গিয়ে জ্বালাভাব অনেকটাই কমে।

চাইলে ছোট একটি বরফের টুকরো মুখে রাখতে পারেন, তবে খুব বেশি সময় ধরে জিভের ওপর রাখবেন না।

এরপর ঠাণ্ডা দুধ বা দই খেতে পারেন। দুধ ও দই পোড়া জায়গায় শীতলতা এনে আরাম দেয়। বিশেষ করে ঠাণ্ডা দই জিভের জ্বালা কমাতে খুব কার্যকর। কয়েক চামচ দই ধীরে ধীরে খেলে দ্রুত স্বস্তি মিলতে পারে।

জিভ পুড়ে গেলে মধুও বেশ উপকারী। পোড়া জায়গায় সামান্য মধু লাগিয়ে রাখলে জ্বালা কমে এবং ক্ষত দ্রুত সারাতে সাহায্য করে। মধু না থাকলে অল্প চিনি জিভে রেখে গলতে দিলেও কিছুটা আরাম পাওয়া যায়।

অনেকে লবণ পানি দিয়ে কুলকুচির পরামর্শ দেন।

এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে অল্প লবণ মিশিয়ে দিনে এক-দুই বার কুলকুচি করলে মুখ পরিষ্কার থাকে এবং সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে। তবে পানি যেন একেবারেই গরম না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

জিভ পুড়ে গেলে কিছু বিষয়ে সতর্ক থাকা খুব দরকার। এ সময় ঝাল, টক বা খুব গরম খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ, এগুলো জ্বালা আরো বাড়াতে পারে। ধূমপান বা অ্যালকোহলও এই সময় না করাই ভালো।

সাধারণত জিভ পুড়ে যাওয়ার সমস্যা দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই সেরে যায়। তবে যদি জ্বালা খুব বেশি হয়, ফোসকা পড়ে বা কয়েক দিন পরেও ব্যথা না কমে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সব মিলিয়ে, গরম চা বা খাবারে জিভ পুড়ে গেলে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ঘরে থাকা এই সহজ উপায়গুলো মেনে চললেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দ্রুত আরাম পাওয়া সম্ভব।

সূত্র : আজকাল

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়