ধূমপান যে ক্ষতিকর—তা সকলেই জানেন। তবু অল্প বয়সে কৌতূহল, বন্ধুদের চাপ কিংবা ‘কুল’ দেখানোর ইচ্ছা থেকেই অনেকেই প্রথম সিগারেট হাতে নেন। সময়ের সঙ্গে সেই কৌতূহলই নেশায় পরিণত হয়। পরে ক্ষতি সম্পর্কে শতবার জানলেও আসক্তির বন্ধন থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন—ধূমপান ত্যাগ করা যেমন মানসিক চ্যালেঞ্জ, তেমনই শারীরিকও। হঠাৎ করে সিগারেট ছেড়ে দিলে শরীরে নিকোটিনের ঘাটতি থেকে উদ্বেগ, অস্থিরতা বাড়ে। ফলে অধিকাংশ মানুষই দুর্বল মুহূর্তে আবার পুরনো অভ্যাসে ফিরে যান। তবে সঠিক পরিকল্পনা মেনে ধীরে ধীরে অভ্যাস ছাড়লে ফল পাওয়া সম্ভব।
ধূমপানের নেপথ্য কারণ বুঝুন আগে
মনোবিদরা জানান, ধূমপানের পেছনে বেশিরভাগ সময়ই থাকে মানসিক চাপ, উদ্বেগ বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিগত ট্রিগার। তাই প্রথম কাজ—কখন আপনার ধূমপানের ইচ্ছা প্রবল হয়, তা চিহ্নিত করা।
ধূমপান ছাড়ার ৩ ধাপের কার্যকর উপায়
১. একদিনে নয়, ধীরে ধীরে সিগারেট কমান
হঠাৎ সম্পূর্ণ বন্ধ করা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সফল হয় না।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ—
এভাবে শরীর ধীরে ধীরে নিকোটিন কমে যাওয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে।
২. সিগারেট-প্রবণ পরিবেশ থেকে দূরে থাকুন
যে পরিবেশ, গন্ধ বা পরিস্থিতি ধূমপানের ইচ্ছা বাড়িয়ে দেয়, তা এড়িয়ে চলুন।
প্রয়োজনে চুইংগাম, নিকোটিন গাম বা শরীরচর্চা ইত্যাদিতে মন দিন।
৩. অভ্যাস কমে গেলে নিজেকে ‘টেস্ট’ করুন
ধূমপান ছাড়ার পথ সহজ নয়। তবে ধৈর্য, সচেতনতা ও পরিকল্পিত প্রচেষ্টায় নিকোটিনের বন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া সম্ভব—বলছেন চিকিৎসকেরা।
সূত্র: জনকণ্ঠ