শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জামায়াত আমিরের সাক্ষাৎ ◈ বিমানের রেকর্ড মুনাফা: আয় ১১ হাজার কোটি ছাড়াল, লাভ বেড়েছে ১৭৮ শতাংশ ◈ বিটিআরসি ভবনে হামলা, আটক ৩০ ◈ মোবাইল ফোন আমদানিতে ট্যাক্স কমল, দেশীয় উৎপাদনেও বড় ছাড়: প্রেসসচিব ◈ মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া বিএনপির দুই নেতার আবেদন বাতিল ◈ কমালো সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার, আজ থেকেই কার্যকর ◈ বাংলাদেশ–নেপালের নির্বাচন থেকে মোদির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ: নতুন বছরে দক্ষিণ এশিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রে যে ৫ বিষয় ◈ এনইআইআর চালুর প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলা-ভাঙচুর (ভিডিও) ◈ টেক্সাসে ৮ দিন পর নিখোঁজ কিশোরী ক্যামিলার মরদেহ উদ্ধার ◈ নির্বাচনী রাজনীতিতে চাঙ্গা বিএনপি, জামায়াতও দিলো চমক

প্রকাশিত : ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫, ০৭:০০ বিকাল
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৫, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লাখ টাকা দাম, কেন এত দামি এই তরমুজের?

কম খরচে ভালো পুষ্টি মেলে বলে সারা পৃথিবীতেই নানা জাতের ফল বেশ জনপ্রিয়। তবে কিছু কিছু ফল আছে, যেগুলো কিনতে গেলে আপনাকে মোটা অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হবে।

যেমন জাপানের মিয়াজাকি বা ‘সূর্যডিম’ আম। বলা হয়, এই আম পৃথিবীর সবচেয়ে দামি। প্রতি কেজি ২ লাখ টাকায় বিক্রি হয়! অতএব বুঝতেই পারছেন, এই আম আমজনতার নয়।

শুধু আম নয়, জাপানে লাখ টাকার তরমুজও পাওয়া যায়। নাম ডেনসুকে তরমুজ। ২০১৮ সালের এক নিলামে ডেনসুকে তরমুজ প্রতি কেজি ৪ লাখ টাকার বেশি দামে বিক্রি হয়েছিল। আকারভেদে এই তরমুজের দাম এমনই। ৩-৪ লাখ টাকা। ফলটি মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চীন ও জাপানে বেশ পরিচিত। এই তরমুজ প্রধানত জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় হোক্কাইডো দ্বীপে চাষ করা হয়। ডেনসুকে তরমুজের ওজন সাধারণত ৫ থেকে ১০ কেজি হয়। চলুন জেনে নিই, কেন এটা এত দামি ফল।

ডেনসুকে তরমুজ কী : ডেনসুকে তরমুজ জাপানে উৎপাদিত একটি সুস্বাদু ও বিরল জাতের তরমুজ। ডেনসুকে তরমুজকে জাপানে কালো তরমুজও বলা হয়। কারণ, এর খোসার রং প্রায় কালচে। বীজও থাকে খুব কম। এই তরমুজ বিশেষ কায়দায় চাষ করা হয়। নিরাপত্তার জন্য ডেনসুকে তরমুজ সাধারণত চৌকোনা কার্ডবোর্ড বাক্সে মোড়কজাত করা হয়। তরমুজটি আসল কি না, তা প্রমাণ করার জন্য সঙ্গে সনদও জুড়ে দিতে হয়! তবে এই তরমুজ সাধারণত বিক্রি করা হয় না, নিলামে তোলা হয়। নিলামে যাঁরা বেশি দাম হাঁকেন, তাঁরাই এগুলো কিনতে পারেন।

ডেনসুকে তরমুজ কেন এত দামি? : এই তরমুজের এত দাম হওয়ার একটি কারণ হলো—এটা দুষ্প্রাপ্য। ফলন হয় খুব কম। শুধু হোক্কাইডো দ্বীপেই এই তরমুজ চাষ করা হয়। দ্বীপের অনন্য পরিবেশ এবং খনিজসমৃদ্ধ আগ্নেয়গিরির মাটির কারণে এটা শুধু তোহমা শহরেই ভালো ফলে।

হোক্কাইডোর দ্বীপের কৃষকেরা ভেবেছিলেন, ধান চাষ বাদ দিয়ে নতুন কোন ফসল চাষ করা যায়। সেই চিন্তা থেকে ১৯৮১ সালে তাঁরা এই বিশেষ তরমুজ চাষ করা শুরু করেন। ১৯৮৯ সালে তরমুজটির পেটেন্ট করা হয়। মূলত চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকা, মিষ্টি স্বাদ, ভিন্ন রং এবং বেশ শ্রমসাধ্য চাষপদ্ধতির কারণে এই তরমুজের দাম এত বেশি।

‘রাজকীয়’ ডেনসুকে : ডেনসুকে তরমুজ লাল ও বেশ রসালো। এবং এর স্বাদ অন্য তরমুজের তুলনায় খুব মিষ্টি। কারণ, এতে বেশি পরিমাণে চিনি থাকে। জাপানে তরমুজকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয় এবং ডেনসুকে তরমুজকে তাদের রাজা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। চাষ থেকে শুরু করে মোড়কজাত পর্যন্ত রাজকীয় যত্ন পায় এই তরমুজ। যখন এই তরমুজগুলো গাছে থাকে, তখন অনেকবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেওয়া হয়, যাতে এতে কোনো দাগ, বিবর্ণতা, আঘাতের চিহ্ন না থাকে। পাকলে প্রতিটি তরমুজকে চকচকে কালো রঙে পলিশ করা হয় এবং কঠোর গুণগত মান পরীক্ষা করে স্টিকার দেওয়া হয়। সর্বশেষ প্রতিটি তরমুজ আকর্ষণীয় বাক্সে নিলামের জন্য তোলা হয়। উৎস: প্রথম আলো।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়