শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন‌্য  বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা, অধিনায়ক জ্যোতি ◈ দেশের যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ◈ অনুমতি ছাড়া নাম-ছবি ব্যবহারের অভিযোগ, এআই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উর্বশীর ৭ হাজার কোটি টাকার মামলা ◈ ইসিবি চত্বরে হামলার আগের দিন রেস্তোরাঁয় বৈঠকে অংশ নেন অন্তত ১৫ জন ◈ অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার ◈ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরের পর বিএনপির ঢাকা উত্তর, যুবদল ও ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত, ১০ নেতা বহিষ্কার ◈ ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, যাত্রীসহ বিমান বিধ্বস্তের চেষ্টা: নেতানিয়াহু ◈ প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি, স্কুলশিক্ষক আটক ◈ নূহ (আ.)-এর নৌকার সন্ধানে তুরস্কে খনন, মাটির নিচে মিলল অস্বাভাবিক কাঠামো ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে অনলাইন ব্যাংকিংয়ে বিল পরিশোধ ১ নভেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০১:৪৩ রাত
আপডেট : ২৪ মার্চ, ২০২৩, ০১:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রমজানে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে ইসলাম কী বলে?

ছবি: সংগৃহীত

ইসলাম ডেস্ক: প্রতি বছরই পবিত্র রমজান ঘনিয়ে এলে বাজারে দ্রব্যসামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পেঁয়াজ, মরিচ, ডাল, গরম মসলা, চিনি, শাকসবজিসহ নিত্য দ্রব্যগুলোর আকাশচুম্বী দাম বেড়ে যায়। এতে সেহরি ও ইফতারে বিশেষ বিড়ম্বনায় পড়তে হয় রোজাদারদের। কষ্ট ও দুর্ভোগ চরমভাবে বেড়ে যায় সাধারণ মানুষের।

অথচ পবিত্র রমজান মাসে সবকিছু স্বাভাবিক থাকা উচিত। যেন মানুষ সহজে ইবাদত পালন করতে পারে। এ মাসে ইবাদতের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। রাসুল সা. বলেছেন, ‘রমজান মাসে যে ব্যক্তি একটি নফল আদায় করলো সে যেন অন্য মাসে একটি ফরজ আদায় করলো। আর যে এ মাসে একটি ফরজ আদায় করলো সে যেন অন্য মাসের ৭০টি ফরজ আদায় করলো। (শুআবুল ঈমান : ৩/৩০৫-৩০৬)

এ মাসে তাই এমন পরিবেশ তৈরি করা উচিত যেন মানুষ সব ঝামেলা থেকে মুক্ত থেকে বেশি বেশি ইবাদত করতে পারে। কিন্তু বর্তমানে রোজা এলেই মানুষকে ভাবনায় পড়তে হয় দ্রব্যমূল্যের বাড়তি দাম নিয়ে।

পবিত্র এ মাসে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে রাখে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবন নাকাল করে তোলে। এদিকে ইসলামে খাদ্য মজুদ করার ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

হজরত মামার ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ফাজালা রা. বলেন, আমি রাসুল সা.-কে বলতে শুনেছি, ‘পাপাচারী ছাড়া অন্য কেউ মজুদদারি করে না’ (তিরমিজি)। অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি ৪০ রাত পর্যন্ত খাদ্যদ্রব্য মজুদ রাখে, আল্লাহর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক থাকে না।’ মজুদদার ও অধিক মুনাফাখোর ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে হাদিসে সতর্কবাণী উচ্চারণ করে এদের পাপী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘পণ্যদ্রব্য মজুদ করে অধিক মূল্যে বিক্রয়কারী অবশ্যই পাপী।’ (মিশকাত)

অত্যধিক মুনাফা লাভের আশায় পণ্যদ্রব্য মজুদ করা, সরিয়ে রাখা, অতিরিক্ত পণ্য ধ্বংস করা শরিয়ত গর্হিত কাজ। এই মর্মে রাসুল সা. ভীতি প্রদর্শন করে বলেছেন, ‘কেউ যদি মুসলমানদের থেকে নিজেদের খাদ্যশস্য আটকে রাখে, তবে আল্লাহ তায়ালা তার ওপর মহামারি ও দারিদ্র্য চাপিয়ে দেবেন’ (ইবনে মাজা, বায়হাকি)।

রাসুল সা. আরও বলেছেন, ‘মজুদদার খুবই নিকৃষ্টতম ব্যক্তি, যদি জিনিসপত্রের দাম হ্রাস পায় তা হলে সে চিন্তিত হয়ে পড়ে আর যদি দাম বেড়ে যায় তা হলে আনন্দিত হয়।’ (মিশকাত)

এমনিভাবে দালালি বা মধ্যস্বত্বভোগী হয়ে দ্রব্যের দাম বাড়ানোর জন্য হাদিসে কঠোর শাস্তির কথা বলা হয়েছে। রাসুল সা. ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি মূল্যবৃদ্ধির অসদুদ্দেশ্যে মুসলমানদের লেনদেনে হস্তক্ষেপ করে, কেয়ামতের দিন আল্লাহ তায়ালা তাকে আগুনের হাঁড়িতে বসিয়ে শাস্তি দেবেন’ (তাবরানি : ৮/২১০)।

রাসুল সা. বলেন, ‘কেয়ামতের দিন ব্যবসায়ীরা মহা অপরাধী হিসেবে উত্থিত হবে। তবে যারা আল্লাহকে ভয় করবে, নেকভাবে সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে ব্যবসা করবে তারা ব্যতীত’ (তিরমিজি: ১২১০)

এমএএস

  • সর্বশেষ