শিরোনাম
◈ এক মাসে সুশাসনের বার্তা: জনআস্থায় এগোচ্ছে সরকার ◈ ‘লঞ্চের নির্ধারিত ভাড়ার থেকেও ১০ শতাংশ কমিয়েছে সরকার’ ◈ ইরান থেকে ২৫০ বাংলাদেশিকে ফেরাতে সরকারের উদ্যোগ ◈ যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় শীর্ষ নেতাদের মৃত্যু, কড়া বার্তা ইরানের ◈ দুইটি আসনের প্রার্থীদের খরচের সীমা জানাল ইসি ◈ ‘দুই কেজি চাল দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে চেয়ারম্যান আমারে গলা ধরে ধাক্কা দেয়’ ◈ নরসিংদীর ডিকশনারি থেকে চাঁদাবাজি শব্দটি মুছে ফেলতে চাই বলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে বদলি ◈ ইরান এতগুলো দেশে প্রতিশোধমূলক হামলা চালাবে ভাবিনি, আমরা হতবাক: ট্রাম্প ◈ যেসব এলাকায় বুধ ও বৃহস্পতিবার খোলা থাকবে ব্যাংক ◈ ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর ইউএনও আলাউদ্দিন ওএসডি

প্রকাশিত : ২২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৬:৪৫ বিকাল
আপডেট : ১৭ মার্চ, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রজব মাস কেন গুরুত্বপূর্ণ? ফজিলত ও আমলের দিকনির্দেশনা

রজব মাস ইসলামি বছরের গুরুত্বপূর্ণ মাসগুলোর মধ্যে একটি। এটি হলো আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের মাস, যাকে আকাবা মাস বা বিশেষ মাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কিছু হাদিস ও ইসলামি গবেষণায় এই মাসকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

রজব মাসটি হলো হরামের মাসগুলোর একটি। ইসলামে চারটি হরম মাস আছে: মুহররম, জুলকাদা, জুলহিজ্জা এবং রজব। হরম মাসগুলোতে গুনাহ কমিয়ে রাখা এবং সৎ কাজের প্রতি মনোযোগ দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
 
إنَّ الزَّمانَ قَدِ اسْتدارَ كَهَيْئَتِهِ يَومَ خَلَقَ اللَّهُ السَّمَواتِ والأرْضَ، السَّنَةُ اثْنا عَشَرَ شَهْرًا، مِنْها أرْبَعَةٌ حُرُمٌ، ثَلاثٌ مُتَوالِياتٌ: ذُو القَعْدَةِ، وذُو الحِجَّةِ، والمُحَرَّمُ، ورَجَبُ، مُضَرَ الذي بيْنَ جُمادى، وشَعْبانَ
 
অর্থ: আল্লাহ তায়ালা যেদিন আসমান জমিন সৃষ্টি করেছেন, সে দিন থেকে সময় যেরূপে আবর্তিত হচ্ছিল আজও তা সেরূপে আবর্তিত হচ্ছে। বারো মাসে এক বছর। এর মধ্যে চারটি মাস সম্মানিত। জুল-কাদাহ, জুল-হিজ্জাহ ও মুহাররম তিনটি মাস পরপর রয়েছে। আর এক মাস হল রজব-ই-মুজর যা জুমাদা ও শাবান মাসের মধ্যে অবস্থিত। (সহিহ বুখারি : ৪৬৬২) এখান থেকে বোঝা যায় যে, রজব মাসের গুরুত্ব যাকে আমলের মাস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দেয়া হয়েছে।
 
রজব মাসে আমল করার উপায়
 নফল নামাজ ও ইবাদত
রজব মাসে বিশেষ করে রাতের নামাজ বা নফল নামাজ আদায় করা উত্তম। এটি মুসলিমকে আল্লাহর নৈকট্য এবং মনোযোগী জীবনধারার দিকে পরিচালিত করে।
 
তওবা ও দোয়া
রজব মাস হলো গুনাহ ত্যাগ এবং তওবার মাস। মুসলিমরা এই সময় নিজেদের গুনাহগুলো ক্ষমা চেয়ে দোয়া করতে পারে। আল্লাহ তায়ালা বলেন, وَتُوبُوا إِلَى اللَّهِ جَمِيعًا أَيُّهَا الْمُؤْمِنُونَ لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ অর্থ : হে বিশ্বাসীরা! সকলেই আল্লাহর দিকে তওবা করো, যেন তোমরা সফল হও।  (সুরা নুর : ৩১)
 
সদকা ও কোরবানি
 রজব মাসে দান, সদকা করা উত্তম। এটি মানুষের মধ্যে ন্যায়পরায়ণতা, দয়া ও সমাজসেবা বৃদ্ধিতে সহায়ক। রজব মাসে কোরআন পাঠের প্রতি মনোযোগী হওয়া উত্তম। বিশেষ করে নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুযায়ী প্রতিদিনের জীবনে কোরআন অনুশীলন করা উচিত।
 
রজব মাসের মানসিক ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব
 রজব মাস হলো আত্মশুদ্ধির মাস। এই মাসে আমাদের উচিত ১.মনকে নিয়ন্ত্রণ করা, ২.অহংকার ও মন্দ অভ্যাস পরিত্যাগ করা, ৩.অন্যদের সহায়তা ও সহমর্মিতা বৃদ্ধি করা। সর্বোত্তম মাসগুলোর মধ্যে রজব আল্লাহর মাস। তাই এই মাসে এ আমলগুলো বেশি বেশি করা উচিত।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়