শিরোনাম
◈ কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন ঘেরাও করার চেষ্টা ◈ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৯ ইউনিট ◈ সাড়ে ৬ লাখ জেলে পরিবারকে ‘বড় সুখবর’ দিলো সরকার ◈ আসছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টানা ছুটি, সর্বোচ্চ ১৬ দিন ◈ ফুটপাত উন্মুক্ত করা হবে, দখল হলে কঠোর ব্যবস্থা: ডিএনসিসি প্রশাসক ◈ হাম উপসর্গে আরও ৮ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৫২ ◈ শাহজালালে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান এক দিনের রিমান্ডে ◈ ‘ভারতের হাতে আর কোনো সুযোগ ছিল না’—শেখ হাসিনা প্রসঙ্গে ত্রিবেদী ◈ বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আসছে : আইনমন্ত্রী ◈ সম্পত্তি দান করেও আজীবন ভোগের অধিকার, কার্যকর নতুন আইন

প্রকাশিত : ০৪ আগস্ট, ২০২৪, ০৭:৪৯ সকাল
আপডেট : ১৬ মে, ২০২৫, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আজান দেওয়ার আগে নামাজ পড়া যাবে?

ইস্রাফিল ফকির: [২] নামাজের জন্য আজান দেওয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদা, যা ওয়াজিবের কাছাকাছি। এছাড়াও তা ইসলামের অন্যতম নিদর্শন বহন করে। জামাতে নামাজ আদায় করার জন্য একামত দেওয়া সুন্নত। একাকী ফরজ নামাজ আদায় করলে একামত দেওয়া মুস্তাহাব।  সূত্র: ঢাকাপোস্ট

[৩] দিনে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের জন্য পাঁচবার আজান দেওয়া হয়। নামাজের ওয়াক্ত হওয়ার পরই আজান দেওয়া হয়। তবে কোনো কারণে নামাজের ওয়াক্ত হওয়ার পরও আজান না হলে নামাজ আদায় শুদ্ধ হবে। কারণ, জামাতের জন্য আজান দেওয়া সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। তবে আজানের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ, তা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি নির্দশন। আজানের মাধ্যমেই মানুষ নামাজের সময়ের ব্যাপারে সচেতন হয়। আর মসজিদ ছাড়া অন্য জায়গায় জামাতের ক্ষেত্রে স্বীয় এলাকার মসজিদের আজান সেই জামাতের জন্য যথেষ্ট হবে। (রদ্দুল মুহতার : ১/৪০৯, কানজুদ্দাকায়েক, পৃ. ১৯)

[৪] প্রসঙ্গত, সময়মতো নামাজ আদায় করলে আল্লাহ বান্দাকে ক্ষমা করেন বলেন জানিয়েছেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 

[৫] বর্ণিত হয়েছে, মহান আল্লাহ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছেন। যে ব্যক্তি উত্তমরূপে অজু করে নির্ধারিত সময়ে পূর্ণরূপে রুকু ও পরিপূর্ণ মনোযোগ সহকারে নামাজ আদায় করবে, তাকে ক্ষমা করার জন্য আল্লাহ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর যে ব্যক্তি এরূপ করবে না, তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে কোনো প্রতিশ্রুতি নেই। তিনি ইচ্ছা করলে তাকে ক্ষমা করবেন, অন্যথায় শাস্তি দেবেন। (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪২৫)

[৬] এছাড়াও সময়মতো নামাজ আদায়কে সর্বোত্তম আমল বলে অভিহিত করা হয়েছে। হজরত উম্মু ফারওয়া (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সর্বোত্তম আমল সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, নামাজের সময় ওয়াক্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নামাজ আদায় করা। (সুনানে আবি দাউদ, হাদিস : ৪২৬)

[৭] নামাজ না পড়ার শাস্তি সম্পর্কে পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, কেয়ামতের দিন জাহান্নামীদের জিজ্ঞাসা করা হবে— কেন তোমরা সাকার নামক জাহান্নামে এলে? তারা বলবে, আমরা তো নামাজি ছিলাম না এবং আমরা মিসকিনদের খাবার দিতাম না; বরং আমরা সমালোচনাকারীদের সঙ্গে সমালোচনায় নিমগ্ন থাকতাম। এমনকি আমরা প্রতিদান দিবসকে (কেয়ামত) অস্বীকার করতাম। আর এভাবেই হঠাৎ আমাদের মৃত্যু এসে গেল। (সুরা মুদ্দাসসির, আয়াত : ৪২-৪৭)

আইএফ

  • সর্বশেষ