শিরোনাম
◈ মেলিওডোসিসে মৃত্যুঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত ২ জিনগত পরিবর্তন শনাক্ত করলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ◈ বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপানের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ 'আরব আমিরাত ও সৌদি আরবসহ কয়েকটি দেশের অস্তিত্ব বিপন্ন হতে পারে'  ◈ ক্রিকেট বো‌র্ডে নির্বাচনের লক্ষ্যে সংবিধান প্রণয়নের পথে শ্রীলঙ্কা ◈ ভারতের কাছে ১৩ গোলের লজ্জায় বাংলাদেশ ◈ ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ছাড়াল ৪৭ বিলিয়ন ডলার ◈ ঢাকার পাতাল মেট্রোরেল নির্মাণে ১০০ কোটি ডলারের কাজ পেল ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ◈ নভেম্বরের মধ্যে বন্ধ তিন সার কারখানা চালুর উদ্যোগ সরকারের ◈ গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতীয় গোয়েন্দার বৈঠকের অভিযোগ, প্রমাণ দিতে রাশেদ খানকে জামায়াতের চ্যালেঞ্জ ◈ ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী, রিয়াদ বিমানবন্দরে বুধবার থেকে ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ০১ মার্চ, ২০২৪, ০৯:৩৯ রাত
আপডেট : ০১ মার্চ, ২০২৪, ০৯:৩৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মার্কিন ‘ফায়ার ডেথ রেট ট্রেন্ড’ রিপোর্টে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপের দেশগুলো

আগুন দুর্ঘটনার ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় শীর্ষ ১০ দেশের ৯টিই আফ্রিকার 

ববি বিশ্বাস: [২] বৃহস্পতিবার রাতে বাংলাদেশ এই দশকের অন্যতম ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার সাক্ষী হলো। রাজধানীর বেইলী রোডে গ্রিন কজি কটেজ ভবনে আগুনের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৬ জন নিহত হবার খবর পাওয়া গেছে। গুরুতর দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ১২ জন।

[৩] বিশ্বে সবচেয়ে বেশি যে দেশটি আগুন দুর্ঘটনার শিকার হয় সেটি হলো লেসেথো। মানব জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণাকারী অনলাইন প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ড লাইফ এক্সপেক্টেন্সি ডট কম প্রকাশিত আগুন দুর্ঘটনার ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর তালিকায় এই তথ্য দেখা যায়। এই তালিকার শীর্ষ ১০ দেশের মধ্যে ৯টি দেশই আফ্রিকা মহাদেশের এবং একটি অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের।

[৪] ওয়ার্ল্ড লাইফ এক্সপেক্টেন্সি ডট কম প্রকাশিত আগুন দুর্ঘটনার ঝুঁকিপূর্ণ শীর্ষ ১০ দেশ হলো লেসেথো, সোয়াজিল্যাণ্ড, জিম্বাবুয়ে, দক্ষিণ আফ্রিকা, বোতসোয়ানা, সোমালিয়া, নিউ গিনি, নামিবিয়া, মোজাম্বিক, ইরিত্রিয়া। উল্লেখিত এই ১০টি দেশ প্রায় প্রতিবছরই অন্তত ২ থেকে ৫টি ব্যাপক আকারের ও ভয়ানক আগুন দুর্ঘটনার শিকার হয়।

[৫] ওয়ার্ল্ড লাইফ এক্সপেক্টেন্সি ডট কমের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান বর্তমানে ১১৯তম। এই তালিকায় বাংলাদেশকে অগ্নি দুর্ঘটনার ঝুঁকির দিক থেকে মধ্যম অবস্থানে রাখা হয়েছে। এমনকি আগুন নিরাপত্তার বিষয়ে বাংলাদেশেকে খুব অল্প রেটিং দেয়া হয়েছে। তবে এই তালিকার ক্ষেত্রে মানবসৃষ্ট অনুসঙ্গের চেয়ে প্রাকৃতিক অনুসঙ্গকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছে ওয়ার্ল্ড লাইফ এক্সপেক্টেন্সি।

[৬] অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফায়ার এডমিনিস্ট্রেশন প্রকাশিত ‘ফায়ার ডেথ রেট ট্রেন্ড’ রিপোর্ট মানবসৃষ্ট কারণে আগুন দুর্ঘটনার শীর্ষ ১০টি দেশ হিসেবে দেখানো হয়েছে ইউরোপ ও বলকান দেশগুলো ও যুক্তরাষ্ট্রকে। 

[৭] ইউএস ফায়ার এডমিনিস্ট্রেশনের পরিসংখ্যানে দেখা যায় ২০০৭ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ফিনল্যান্ডে বিভিন্ন আগুন দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

[৮] আগুন দুর্ঘটনায় ফিনল্যান্ডের ডেথ রেট ১৮.০। এরপরই রয়েছে গ্রীস (১৭.৭), হাঙ্গেরি (১৭.৪), জাপান (১৬.০), পোল্যাণ্ড (১৫.৭), নরওয়ে (১৪.১), চেক প্রজাতন্ত্র (১৩.১), ডেনমার্ক ( ১২.৮), আয়ারল্যান্ড (১২.৭) ও যুক্তরাষ্ট্র (১২.৪)। এই তালিকায় মানবসৃষ্ট ও প্রাকৃতিক উভয় অনুসঙ্গকেই সমান প্রাধান্য দিয়েছে ইউএস ফায়ার এডমিনিস্ট্রেশন। 

[৯] একই তালিকায় বাংলাদেশের ডেথ রেট দেখানো হয়েছে ৮.০। মূলত অব্যবস্থাপনা, আগুন দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রন ইউনিট ও প্রযুক্তি স্বল্পতা এবং খারাপ নগর পরিকল্পনাকে বাংলাদেশের আগুন দূর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বলা হয়েছে। 

[১০] উল্লেখ্য, গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে গড়ে প্রতিবছর ২০ হাজারে বেশি অগ্নিকাণ্ড সংগঠিত হয় বলে দাবি করে থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন। সম্পাদনা: ইকবাল খান

বিবি/আইকে/এনএইচ