শিরোনাম
◈ ককটেল বিস্ফোরণ: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ডিএমপি ◈ সরকারি চাকরিতে মামলা চললে পদোন্নতি নয়, দণ্ড শেষেও দুই বছর অপেক্ষা ◈ ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে তিন জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৫ ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে মোদি অনুপস্থিত কেন, ভারতের কূটনীতিতে কী বার্তা? ◈ নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় বাংলাদেশসহ ৭৭ দেশের ওয়াকআউট ◈ নভেম্বরের মাঝামাঝি হতে পারে এইচএসসির ফল প্রকাশ  ◈ মহেশখালীতে এলএনজি স্থানান্তর শুরু, দেশে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি ◈ দেশের সব ইউনিয়নের হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের নির্দেশ সরকারের ◈ জরুরি নির্দেশনা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চলাচলকারীদের জন্য ◈ গোল ক‌রে বন্দুক উদযাপনে লাল কার্ড, খেসারত দিলেন ইসরায়েলি ফরোয়ার্ড

প্রকাশিত : ২৩ অক্টোবর, ২০২৩, ০৩:০২ দুপুর
আপডেট : ২৩ অক্টোবর, ২০২৩, ০৬:৩৫ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধের কারণে মানুষের খাদ্যে পরিণত জিরাফ, বিলুপ্তির পথে প্রাণীটি

মুসবা তিন্নি: [২] ১০০ বছর আগে আফ্রিকা মহাদেশের জঙ্গলে বাস করত কয়েক মিলিয়ন জিরাফ। আর এখন সারা আফ্রিকা জুড়ে পাওয়া যাবে খুব বেশি হলে এক লাখ জিরাফ। আফ্রিকায় নিরন্তর চলতে থাকা গৃহযুদ্ধের জেরে খাদ্য সঙ্কট বেড়েছে সে অঞ্চলের মানুষ তাই খাদ্য হিসেবে বেছে নিয়েছে জিরাফের মাংস। এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তনের কারণেও এই প্রাণীটি বিলুপ্তির পথে রয়েছে। গত তিন দশকে বিশ্বে জিরাফের সংখ্যা ৪০ শতাংশ কমেছে। সূত্র: মঙ্গাবেই নিউজ পোর্টল, ডয়েচে ভেলে

[৩] আফ্রিকা অঞ্চলে দীর্ঘদিন বৃষ্টি হয় না যেকারণে অনাহারে থেকেও মারা যাচ্ছে অনেক জিরাফ। এছাড়া নির্বিচারে শিকারসহ চোরাকারবারির কারণেও কমেছে এই প্রাণীটির সংখ্যা। ভূচর এই স্তন্যপায়ী প্রাণীকে ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর দ্য কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী হিসেবে আখ্যা দিয়েছে । ১৯৮৫ সালে জিরাফের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫৫ হাজার। ২০১৫ তে সেই সংখ্যা নেমে এসেছে ৯৭ হাজারে। ৪০ শতাংশ সংখ্যা হ্রাসে আইইউসিএন-এর ‘লাল তালিকা’য় উঠে এসছে প্রাণীটির নাম ।

[৪] আইইউসিএন-এর জিরাফ বিশেষজ্ঞ গ্রুপের প্রধান জুলিয়ান ফেনেসি বলেছেন, ‘নীরবে বিলোপের পথে চলেছে জিরাফ, আমরা হাতি ও গন্ডারের অস্তিত্ব নিয়ে বেশি মাথা ঘামিয়েছি কিন্তু জিরাফের সংখ্যা খুব অল্প সময়ে অত্যন্ত বেশি হ্রাস পেয়েছে। জনসংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বসতি এলাকা বাড়ছে। ফলে ক্রমশ কমছে জঙ্গল। বাসস্থানের অভাবে হারিয়ে যাচ্ছে জিরাফ। 

[৫] ফেনেসি জানান, ‘যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলি কেনিয়ার উত্তরাংশ, সোমালিয়া , ইথিওপিয়া, দক্ষিণ সুদানে নির্বিচারে জিরাফ নিধন করা হচ্ছে। বছরের পর বছর ধরেই চলছে এই প্রবণতা। ফলে জিরাফের সঙ্কট বাড়ছে। আইইউসিএন -এর রিপোর্টে জিরাফের আলাদা আলাদা প্রজাতির কথা বলা হয়েছে। জিরাফের ন’টি প্রজাতির মধ্যে পাঁচটির সংখ্যা কমেছে। একটির সংখ্যা কমেনি তিন প্রজাতির সংখ্যা সামান্য বেড়েছে, বিভিন্ন এলাকার ভিত্তিতে সংখ্যার এই বাড়া -কমা লক্ষ্য করা গেছে বলে জানিয়েছেন এই বিশেষজ্ঞ। সম্পাদনা: ইমরুল শাহেদ 

এমটি/আইএস/এইচএ

  • সর্বশেষ