শিরোনাম
◈ ঢাকার যানজট কমাতে ২০ বছরের মহাপরিকল্পনা, বাস্তবায়নেই যত শঙ্কা ◈ বিদ্যুৎসংকট সমাধানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসতে চান ব্যবসায়ীরা, মিলল ৫ প্রস্তাব ◈ ছয় মাস ধরে লোকচক্ষুর আড়ালে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি, বাড়ছে রহস্য ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচন: বিদ্রোহী ঠেকাতে কঠোর বিএনপি, প্রার্থী বাছাইয়ে জনপ্রিয়তা-সততায় নজর ◈ ইরান যুদ্ধে ছয় মাসে বদলে গেছে যে ৬ সমীকরণ ◈ পশ্চিমবঙ্গে শিগগিরই ক্ষমতায় ফিরবে তৃণমূল কংগ্রেস: মমতা ◈ নেপালের আকস্মিক বন্যা: বাংলাদেশে কতটা ঝুঁকি, জানালেন বিশেষজ্ঞরা ◈ শনিবার সকাল ৮টা থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না গাজীপুরের যেসব এলাকায় ◈ হরমুজ প্রণালীতে আটকা পড়েছে ৪০০ জাহাজ-ছয় হাজার নাবিক ◈ মক্কা চুক্তিসহ বাংলাদেশের সব ঘটনার ওপর নিবিড়ভাবে নজর রাখছে ভারত

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৩:৫১ দুপুর
আপডেট : ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩, ০৩:১৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পেশোয়ারের মসজিদে শক্তিশালী বিস্ফোরণে নিহত ২৮, আহত ১৫০

পাকিস্তানে মসজিদে

ইমরুল শাহেদ: নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে বলেছেন, পেশোয়ারের পুলিশ লাইন এলাকায় সোমবার এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় অকুস্থলেই ২৮ নিহত এবং ১৫০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন। জিওটিভি

নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলেছেন, জোহর নামাজের সময় আত্মঘাতী হামলা চালানো লোকটি প্রথম সারিতে ছিলেন। আহতদের পেশোয়ারের লেডী রিডিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

হাসপাতালের একজন মুখপাত্র বলেছেন, বোমা বিস্ফোরণে ২৮ জন নিহত এবং আহত ১৫০ জনকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ডাক্তার বলেছেন, আহতদের মধ্যে ১০ জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন। 

এই বোমা হামলাকে কেন্দ্র করে শহরের হাসপাতালগুলোতে মেডিক্যাল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। এই ব্যাপারে ইস্যু করা এক নোটিশে বলা হয়েছে, ‘সকল ডাক্তার এবং সহযোগী স্টাফদের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।’  

প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের শব্দ বিকট ছিল। বিস্ফোরণের পর গোলাগুলির শব্দও শোনা গেছে। পেশোয়ারের পুলিশ কর্মকর্তা সিকান্দার খান বলেন, বিস্ফোরণে ভবনের কিছু অংশ ধসে পড়েছে। এতে অনেকে আটকা পড়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডনের এক সংবাদদাতা জানান, জোহরের নামাজের সময় বেলা ১ টা ৪০ মিনিট নাগাদ এই বিস্ফোরণ ঘটে।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী অনুমান করে বলেছেন, ‘বিস্ফোরণের সময় মসজিদে ১২০ জন লোক ছিলেন। এটা ছিল আত্মঘাতী। কারণ হামলাকারী মসজিদের ভিতরেই ছিল। জোহরের নামাজ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাটি ঘটে। আহতদের বেশির ভাগই পুলিশ সদস্য।’

সিভিল সেক্রেটারিয়েট অ্যাসোসিয়েশন পেশোয়ার তাসাবুর ইকবাল বলেন, পুলিশ লাইন এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা উচ্চ পর্যায়ের থাকে। কেউ এখানে পরিচয় ও দেহ তল্লাশি ছাড়া মসজিদে প্রবেশ করতে পারেন না। তিনি বলেন, ‘আজকের ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এটা হলো একটি বড় মসজিদ। এখানে চার থেকে পাঁচশ’ লোক নামাজ আদায় করতে পারে। আমরা শুনেছি বিস্ফোরণের পর মসজিদটিও ধসে পড়েছে।’ পাকিস্তানের পরিকল্পনা মন্ত্রী আহসান ইকবাল বলেছেন, ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা এটি। 

আইএম/এএ/ এসএ

  • সর্বশেষ