শিরোনাম
◈ ফ্রান্সে বিক্ষোভের ঝড়, পতনের মুখে ম্যাক্রোঁ? ◈ এক যুগের বেশি সময় পর ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্প বন্ধের সিদ্ধান্ত, বদলে যাচ্ছে সড়কের নকশা ◈ সুখবর পেলেন ঋতুপর্ণারা, ফিফা নারী র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ ◈ রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন তারেক রহমান ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে স্টোর ভবনে আগুন ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ২৬ অক্টোবর, সই হবে অন্তত ৪ সমঝোতা স্মারক ◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর

প্রকাশিত : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৪:০৪ দুপুর
আপডেট : ০৫ অক্টোবর, ২০২২, ০৭:০৭ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তরুণ, বিদ্রোহী ও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ‘সবচেয়ে বড় শত্রু’, অর্থনীতির বড় ক্ষতি

ইমরুল শাহেদ: মিয়ানমারের বেসামরিক সরকারের কাছ থেকে গত বছর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার পর যারাই সেনা শাসনের বিরুদ্ধে গিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে ভয়াবহ দমনপীড়ন শুরু করেছে দেশটির সামরিক জান্তা। বিশেষ করে তাদের বড় প্রতিপক্ষ হলো যুব সমাজ। তারাই বেশি প্রতিবাদ মুখর হয়েছে।

কিন্তু এই যুব সমাজের ওপর যখন দেশের অর্থনীতির ভার থাকার কথা, তখন তাদেরকে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে। এতে দেশের অর্থনীতি ধসে পড়ছে। আল-জাজিরা

অ্যাসিসট্যান্স এসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্সের জয়েন্ট সেক্রেটারি কো বো চি বলেন, প্রতিটি যুবককে দেশের সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে দেখছে সামরিক জান্তা।

অধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো যেসব ডকুমেন্টারি করেছে, তাতে বলা হয়েছে, সামরিক অভ্যুত্থানের পর গণতন্ত্রপন্থিদের বিরুদ্ধে জান্তা সরকারের দমনপীড়নে ১৬ থেকে ৩৫ বছর বয়সী কমপক্ষে ৯০০ যুবককে হত্যা করেছে। একই বয়সসীমার কমপক্ষে ২৮০০ মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যুবসমাজের হওয়া উচিত দেশের ভবিষ্যত। কিন্তু আটক, নির্যাতন ও হত্যার মধ্য দিয়ে তাদেরকে শেষ করে দেয়া হচ্ছে। 

মিয়ানমারের সর্ব দক্ষিণের তানিনথারিয়ি’র এলাকার যুবকদের ৮ জন বলেছেন, শহরগুলোতে যুব শ্রেণির মানুষ নেই বললেই চলে। তাদের বেশিরভাগই পালিয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আশ্রয় নিয়েছে। অথবা যোগ দিয়েছে প্রতিরোধ আন্দোলনে। যারা এখনও এলাকায় আছেন, তাদের মধ্যে সর্বক্ষণ ভয়, হতাশা কাজ করছে।  

২০২১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি মিয়ামনারে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে। নির্বাচিত বেসামরিক নেত্রী অং সান সুচির সরকারকে হটিয়ে দিয়ে ক্ষমতা দখল করে সেনাবাহিনী। এর প্রতিবাদে ফুঁসে ওঠে মিয়ানমার। কিন্তু তাদেরকে দমন করতে সামরিক জান্তা ব্যবহার করে প্রাণঘাতী অস্ত্র।

আত্মগোপনে থাকা বিরোধীরা যাতে বেরিয়ে আসেন, সে জন্য তাদের পরিবারের সদস্য এবং সংশ্লিষ্টদের পিছু লাগে জান্তা সরকার। অভ্যুত্থানের পর প্রবীণ পিতামাতা এবং তাদের টিনেজ বয়সী শিশু সহ কমপক্ষে ৪৫০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সামরিক জান্তা।

অনলাইনে কর্মকাণ্ড চালানোও বিপজ্জনক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উস্কানি এবং সন্ত্রাস সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কমপক্ষে ২০০ মানুষকে।

এর মধ্যে ৭ জনকে ৭ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে সন্ত্রাসে অর্থায়নের অভিযোগে। সাক্ষাৎকার দেয়া ব্যক্তিরা বলছেন, মিয়ানমারে তাদের জন্য এখন আর কোনো নিরাপদ স্থান নেই।

  • সর্বশেষ