শিরোনাম
◈ বিশ্বের তৃতীয় সর্বনিম্ন বাসযোগ্য শহর ঢাকা ◈ পুলিশ তো আমার হাতে নেই, তবে মুরগি আছে: সংসদে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর মন্তব্যে হাসির রোল ◈ ভূ‌মিক‌ম্পে ভেনেজুয়েলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৩৭ বিলিয়ন ডলার ◈ ভারত-চীন-যুক্তরাষ্ট্রের মাঝে কৌশলগত ভারসাম্য গড়ছে বাংলাদেশ: জন ড্যানিলোভিচ ◈ টানা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে রেললাইন, এক হাজার যাত্রী নিয়ে আটকা পর্যটক এক্সপ্রেস ◈ সাঙ্গু-মাতামুহুরীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি, বান্দরবানে ২২০ আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত ◈ ভারি বৃষ্টিতে শাহ আমানতে অবতরণ করতে পারেনি তিন ফ্লাইট ◈ বাংলাদেশের গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সহযোগিতার আশ্বাস যুক্তরাজ্যের ◈ চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৭ হাজার ছাড়াল, মৃত্যু ১৯ ◈ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে প্রকৃত অপরাধীদেরই বিচার নিশ্চিত করবে সরকার: আইনমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ০৯:০৫ রাত
আপডেট : ০৭ জুলাই, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে যে কৌশলে গুপ্তচর নিয়োগ করত সিআইএ

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গুপ্তচর নিয়োগে শুধু অর্থের প্রলোভনের ওপর নির্ভর করত না। বরং ব্যক্তির প্রয়োজন ও মানসিক অবস্থার ভিত্তিতে নানা ধরনের সহায়তা ও উপহার দিয়ে তাদের সহযোগিতায় রাজি করানোর কৌশল গ্রহণ করত বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিআইএর কর্মকর্তারা সম্ভাব্য তথ্যদাতাদের ভরণপোষণ (অ্যালিমনি) পরিশোধে সহায়তা, ফ্রিজ কেনা, মদ সরবরাহ কিংবা শিক্ষা ব্যয় বহনের প্রতিশ্রুতির মতো নানা সুবিধা দিতেন। সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অর্থ সহযোগিতার প্রধান কারণ ছিল না।

তাদের মতে, ব্যক্তিগত ক্ষোভ, ঊর্ধ্বতন নেতৃত্বের প্রতি হতাশা কিংবা নিজ দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার সঙ্গে মতবিরোধ—এসব কারণেই অনেক মানুষ গুপ্তচরবৃত্তিতে জড়াতে আগ্রহী হতেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিআইএর নিয়োগ কৌশলের মূল ভিত্তি ছিল সম্ভাব্য ব্যক্তির প্রয়োজন ও মানসিক অবস্থা গভীরভাবে বিশ্লেষণ করা। এ প্রসঙ্গে ২০০৮ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, প্রায় ৬০ বছর বয়সি এক আফগান ফিল্ড কমান্ডারকে অর্থ দিয়ে নয়, মাত্র চারটি ভায়াগ্রা ট্যাবলেট দিয়ে নিজের পক্ষে আনতে সক্ষম হন এক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের দাবি, বড় অঙ্কের অর্থ বা অস্ত্র দিয়ে কাউকে নিয়োগের প্রচলিত পদ্ধতি অনেক সময় কার্যকর হতো না। অস্ত্র প্রায়ই অন্যের হাতে চলে যেত এবং নগদ অর্থ, দামি গয়না বা বিলাসবহুল গাড়ির মতো উপহার অপ্রয়োজনীয়ভাবে নজর কাড়ত।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাবেক সোভিয়েত গোয়েন্দা কর্মকর্তা দিমিত্রি পলিয়াকভ ছেলের মৃত্যুর পর সিআইএর সঙ্গে সহযোগিতা শুরু করেন। তিনি বড় অঙ্কের অর্থ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বিদ্যুৎচালিত যন্ত্রপাতি, আগ্নেয়াস্ত্র ও মাছ ধরার সরঞ্জাম চেয়েছিলেন। অন্যদিকে সোভিয়েত প্রকৌশলী অ্যাডলফ টলকাচেভ, যিনি পরে সিআইএর হয়ে কাজ করেন, তিনি পশ্চিমা সংগীত সংগ্রহ করে দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন।

সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা ডগলাসের ভাষ্য অনুযায়ী, সংস্থাটি অনেক সময় মানুষের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর মাধ্যমে তাদের আস্থা অর্জন করত। এর মধ্যে ফ্রিজ কিনে দেওয়া, ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন কিংবা স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করে দেওয়ার মতো সহায়তাও ছিল।

সূত্র: ওয়ান নিউজ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়