শিরোনাম
◈ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন ◈ ইয়েমেনে ফের উত্তেজনা, হুতিদের হামলায় নিহত ৫৮ সেনা ◈ বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির খবর, পুলিশ বলছে গুজব ◈ খাদ্যে ভয়ংকর ভেজাল, মিলেছে ভারী ধাতু ও জীবাণু ◈ শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিশ জারি করতে হবে: জামায়াত ◈ বাংলাদেশ থেকে আনারস নেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার ◈ ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়লেই গ্রাহককে যখন-তখন ফোন ও হুমকি দেওয়া যাবে না: আরবিআইয়ের কঠোর নীতিমালা ◈ সৌদিকে ঘিরে ইরানি মিত্রদের সমন্বিত হামলার শঙ্কা, লক্ষ্যবস্তু জ্বালানি স্থাপনা ও বন্দর ◈ ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা ◈ রোম বিমানবন্দরে আটকা ঢাকাগামী বিমান, দুর্ভোগে আড়াই শতাধিক যাত্রী

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০১:৩১ দুপুর
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২৪ কোটি ডলারের মার্কিন ড্রোন বিধ্বস্ত হরমুজ প্রণালিতে

পারস্য উপসাগরে নজরদারি চালানোর সময় মার্কিন নৌবাহিনীর একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং অত্যাধুনিক এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোন বিধ্বস্ত হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল হরমুজ প্রণালিতে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে মার্কিন নৌবাহিনীর নাভাল সেফটি কমান্ড। ‘ডানাযুক্ত উপগ্রহ’ হিসেবে পরিচিত এই ড্রোনটি মার্কিন সামরিক অস্ত্রাগারের অন্যতম শক্তিশালী নজরদারি যন্ত্র, যার নির্মাণ ব্যয় প্রায় ২৩ কোটি ৮১ লাখ ডলার।

সিসিলির সিগোনেল্লা নাভাল এয়ার স্টেশন থেকে পরিচালিত এই ড্রোনটি সেদিন রুটিন মাফিক তিন ঘণ্টার অভিযানে বের হয়েছিল। কিন্তু মিশন শেষে ফেরার পথে হঠাৎ এটি বিপদ সংকেত পাঠাতে শুরু করে এবং এক পর্যায়ে রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আন্তর্জাতিক ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা অনুযায়ী, ড্রোনটি প্রায় ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় থাকা অবস্থায় হঠাৎ ১০ হাজার ফুটের বেশি নিচে নেমে আসে এবং এরপর আর সেটির কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

মার্কিন নৌবাহিনী এই ঘটনাকে ‘ক্লাস এ মিসহ্যাপ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করলেও এটি কোনো শত্রুপক্ষের আঘাতে বিধ্বস্ত হয়েছে কি না, সে বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে বিশেষ লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র দুই দিনের মাথায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে এই ড্রোনটি নিখোঁজ হলো। নর্থরোপ গ্রুম্যানের তৈরি এই হাই-টেক ড্রোনটি হারানো মার্কিন নৌবাহিনীর জন্য একটি বড় ধরনের আর্থিক ও কৌশলগত ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়