শিরোনাম
◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার ◈ বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, দুশ্চিন্তায় ভারত ◈ দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,০৭৮ জন ◈ আর্জেন্টিনার বিরু‌দ্ধে ম‌্যাচ ভীষণ কঠিন হবে: অষ্ট্রিয়া কোচ ◈ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক পুলিশ, বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কড়া নজরদারি ◈ বাধ্যতামূলক হচ্ছে কারিগরি শিক্ষা ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই: শিক্ষামন্ত্রী ◈ সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম এবার ‘মাস্টারমাইন্ড’ তকমা নিয়ে যা বললেন ◈ মাসে কত টাকা পাবেন জুলাইযোদ্ধার, জানালেন মন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৯:১০ সকাল
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া ছিল যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্তানকে ব্যবহার করার অভিযোগ

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ কারণেই ইরানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি করাতে পাকিস্তানকে চাপ দেয় ওয়াশিংটন। 

ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে বুধবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহ ধরে ট্রাম্প প্রশাসন ইসলামাবাদের ওপর চাপ দিচ্ছিল, যেন তারা ইরানকে যুদ্ধ থামাতে রাজি করায় এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কোনো নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সুবিধাজনকমাধ্যম হিসাবে কাজ করেছে ইসলামাবাদ। এমন সময় এই উদ্যোগ নেওয়া হয় যখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে হুমকি বাড়াচ্ছিলেন। 

একই সঙ্গে দাবি করছিলেন, তেহরান নাকি ‘যুদ্ধবিরতির জন্য প্রার্থনা করছে’। অথচ, এই প্রতিবেদন বলছে, ইরান নয়, মরিয়া হয়ে উঠেছিল যুক্তরাষ্ট্রই। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘একটি মুসলিমপ্রধান প্রতিবেশী দেশ ও মধ্যস্থতাকারী হিসাবে পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল এই প্রস্তাব তেহরানের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলা।’ 

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষাপ্রধান ফিল্ড মার্শালের নেতৃত্বে গোপন যোগাযোগের এই প্রচেষ্টা মঙ্গলবার রাতে একটি পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরান দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এ বিষয়টি এমন একসময়ে সামনে আসে, যখন ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিলে, ইরান তার শর্ত না মানলে তাদের ‘পুরো সভ্যতা ধ্বংস’ করে দেওয়া হবে।

কিন্তু আলোচনার সঙ্গে যুক্ত সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প মূলত বাড়তে থাকা তেলের দাম নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন এবং ইরানি শাসনব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতায় বিস্মিত হন। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, অন্তত ২১ মার্চ যখন তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ‘ধ্বংস করে দেওয়ার’ হুমকি দেন, তখন থেকেই তিনি একটি যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন। ট্রাম্প যখন প্রথমবার হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আলটিমেটাম দেন, তার কিছুক্ষণের মধ্যেই নেপথ্যে জোর তৎপরতা শুরু হয়। 

আসিম মুনির ও পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের সঙ্গে হোয়াইট হাউজের বার্তা আদান-প্রদান করছিলেন। ওয়াশিংটন ও ইসলামাবাদের ধারণা ছিল, যদি কোনো মুসলিমপ্রধান প্রতিবেশী দেশ এই প্রস্তাব দেয়, তাহলে ইরান সেটি গ্রহণে বেশি আগ্রহী হবে। বিশেষ করে এমন একটি দেশ, যা পুরো সংঘাতজুড়ে নিজেকে নিরপেক্ষ হিসাবে তুলে ধরেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়