শিরোনাম
◈ ফিফার কা‌ছে তেহরা‌নের আহ্বান, যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বকাপ থেকে সরিয়ে দেয়া হোক  ◈ যুদ্ধক্ষেত্রে না গিয়েও ইরানকে যেভাবে সাহায্য করছে চীন ও রাশিয়া! ◈ চসিক নির্বাচন: মেয়র পদে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করাতে চায় জামায়াত! ◈ রাজাকারের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধার নাম, সংশোধনের উদ্যোগ সরকারের ◈ সংসদের সামনের দিনগুলো কেমন হবে ◈ অপারেশন থিয়েটারে মির্জা আব্বাস, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার ◈ ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত, চাপ বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ◈ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে মালদ্বীপে ৫ বাংলাদেশি নিহত ◈ ক্রিকেটের মতো সংসদেও নিরপেক্ষ আম্পায়ারিং করব: স্পিকার ◈ আবারও দুবাই শহরের কেন্দ্রীয় অংশে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ

প্রকাশিত : ১৩ মার্চ, ২০২৬, ০৭:৪৪ বিকাল
আপডেট : ১৩ মার্চ, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আফগানিস্তানে পাকিস্তানের বিমান হামলায় ছয়জনের মৃত্যু

আফগানিস্তানের কান্দাহার বিমানবন্দরের কাছে বেসরকারি বিমান সংস্থা কাম এয়ারের জ্বালানি ডিপোতে বোমা হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। শুক্রবার তালেবানরা এ খবর জানিয়েছে। উত্তেজনা প্রশমনের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সংঘাত আবারও বেড়ে গেছে।

তালেবান আরো জানিয়েছে, রাতভর চালানো এই হামলায় কাবুল এবং পূর্বাঞ্চলীয় নাঙ্গারহার প্রদেশের আবাসিক এলাকায়ও আঘাত হেনেছে।

এতে শিশুসহ ছয়জন নিহত এবং ১২ জনের বেশি বেসামরিক মানুষ আহত হয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী মুরসেলিন বলেন, ‘যখন আমরা জেগে উঠলাম, তখন সর্বত্র ধুলা দেখছিলাম। জানালা ভাঙা ছিল এবং আমরা কিছুই শুনতে পাচ্ছিলাম না।’ তিনি রয়টার্সকে বলেন, ‘কয়েক মিনিট পরে আমি আমার বাচ্চাদের কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম।

তারা অত্যন্ত ভীত ছিল এবং চিৎকার করছিল।’ তিনি আরো বলেন, তার বোন এবং তার দুই সন্তানও হামলায় আহত হয়েছে।

তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ বলেছেন, ‘এই কম্পানি (কাম এয়ার) বেসামরিক বিমান সংস্থাগুলোর পাশাপাশি জাতিসংঘের বিমানগুলোতে জ্বালানি সরবরাহ করে। পাকিস্তান রাজধানী কাবুলসহ অন্যান্য এলাকায়ও বোমা হামলা চালিয়েছে।

কিছু স্থানে বেসামরিক বাড়িঘর লক্ষ্যবস্তু করা হওয়ায় নারী ও শিশু নিহত হয়েছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘এর জবাব দেওয়া হবে।’ গত মাসে আফগানিস্তানের অভ্যন্তরে পাকিস্তানি বিমান হামলার ফলে লড়াই শুরু হয়। ইসলামাবাদ বলেছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীদের শক্ত ঘাঁটি লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। আফগানিস্তান এই হামলাকে সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন বলে অভিহিত করে পাল্টা হামলা শুরু করে।

সর্বশেষ হামলার আগে সাম্প্রতিক কয়েক দিনে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের কোনো বিমান হামলার খবর দুই পক্ষের কেউই জানায়নি। এ ছাড়া প্রায় ২ হাজার ৬০০ কিলোমিটার (১,৬০০ মাইল) দীর্ঘ সীমান্তে স্থল সংঘর্ষও কমে এসেছিল। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

২০২১ সালের আগস্টে আফগানিস্তানে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে পাকিস্তানে হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। পাকিস্তান সরকারের দাবি, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে টিটিপি (তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান) ও অন্যান্য গোষ্ঠীগুলো সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তানে হামলা চালাচ্ছে। এর জেরেই দুই দেশের মধ্যে সাম্প্রতিক সংঘাত শুরু হয়। একসময় যেসব গোষ্ঠীকে মিত্র মনে করা হতো, এখন তারা দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্বের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

তবে তালেবান এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, হামলার বিষয়গুলো আসলে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

সূত্র : রয়টার্স।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়